তবুও কাবাডিতে পদক ফেরানোর আশা

ছবি: মোশারফ হোসেন
এশিয়ান গেমসের পুরুষ কাবাডিতে পদক জোটেনি কুড়ি বছর। নারী কাবাডিতেও পদকের অপেক্ষা আট বছরের। আরেকটি এশিয়ান গেমস যখন কড়া নাড়ছে, তখন ঘুরেফিরে আলোচনায় কাবাডি। এশিয়াডের ইতিহাসে যে খেলায় এসেছে সর্বোচ্চ পদক, সেই কাবাডিতে কি হারানো গৌরব ফেরাতে পারবে বাংলাদেশ?
একটা সময় এশিয়ান গেমস ছিল বাংলাদেশ কাবাডির সাফল্যের মূল মঞ্চ। ১৯৯০ বেইজিং গেমসে পুরুষ কাবাডি প্রথম যুক্ত হয়। সেবার রুপা জিতে শুরু। এরপর ২০০৬ দোহা গেমসে টানা পাঁচ আসরে বাংলাদেশ পুরুষ কাবাডি দল জিতেছে তিনটি রুপা ও দুটি ব্রোঞ্জ। এরপরই ছন্দপতন।
এশিয়ার অন্যরা যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশের পুরুষ কাবাডি উঠে বসে উল্টোরথে। শেষ চার আসরে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই দশক পর এবার অবশ্য ছেলেদের কাবাডি দল দেখাচ্ছে পদকের স্বপ্ন। ছয় দলের গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারলেই নিশ্চিত হবে পদক। দলের কোচ আবদুল জলিল দিচ্ছেন পদকের প্রতিশ্রুতি, ‘যদিও কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা হয়নি, সেটিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাই না। চাইনিজ তাইপের কাছে হেরে আমরা গত আসরে পদক পাইনি। কোরিয়ার কাছেও এর আগে হেরেছি। আবার দুই প্রতিপক্ষকেই হারানোর অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য আমাদের আছে। আমি তাই কুড়ি বছর পর পদক পুনরুদ্ধারে আশাবাদী।’
পুরুষ কাবাডি যখন নিম্নগামী, ঠিক তখনই নারী কাবাডিতে বাংলাদেশের উত্থান। ২০১০ গুয়াংজু এশিয়াডে যুক্ত হয় নারী কাবাডি। সেবার বাংলাদেশ জিতে নেয় ব্রোঞ্জ পদক। পরের আসরেও আসে একই সাফল্য। তবে ২০১৮ ও ২০২৩ সালে হোঁচট খেতে হয়। এবার কঠিন গ্রুপে উঠেছে বাংলাদেশের নাম। দলের কোচ শাহনাজ পারভীন মালেকা বলেছেন ‘আমরা কঠিন গ্রুপে পড়েছি। ভারত তো সবসময়ই সেরা, ইরানও অনেক শক্তিশালী। তা ছাড়া দলের অন্যতম অলরাউন্ডার স্মৃতি আক্তার মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছে। আরও কয়েকজনের আছে চোট সমস্যা। এরকম পরিস্থিতিতে জোর গলায় পদকের কথা বলা যায় না।’





