নতুন কুঁড়ি আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন

চলতি বছর এপ্রিলে সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। সেই আসর থেকে প্রতিভার ভিত্তিতে বাছাই করা হয় ৩০৬ ক্ষুদে খেলোয়াড়দের। তাদের নিয়েই বিকেএসপিতে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ (প্রথম পর্ব)-এর আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প। আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
শনিবার বিকেলে বিকেএসপিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম, বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ। এছাড়া প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড় এবং বিকেএসপির প্রশিক্ষণার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, ‘সরকারের যুগান্তকারী বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সারাদেশে ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি শক্তিশালী ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিকেএসপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে, যা দেশের ক্রীড়ার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এই ক্ষুদে খেলোয়াড়রাই আগামী দিনে দেশের জাতীয় দলগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকাকে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরবে।’
উল্লেখ্য, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ কর্মসূচির আওতায় সারাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত ৩০৬ জন ক্ষুদে প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে নিয়ে বিকেএসপিতে শুরু হয়েছে ৪০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প। গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সারাদেশে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বাছাই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিভাবান ক্ষুদে খেলোয়াড়দের নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীতে ২ মে ২০২৬ তারিখে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা, শৃঙ্খলা, ক্রীড়াসুলভ আচরণ ও মানসিক দৃঢ়তা বিকাশে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে সম্ভাবনাময়দের চিহ্নিত করে পরবর্তী পর্যায়ে বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।



