ব্যালন ডি’অর
নবম প্রচেষ্টাতেও খালি হাতে ফিরলেন এমবাপ্পে

রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি গায়ে শততম গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে লন্ডনের মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নয়বার থেকেও কাঙ্ক্ষিত সেই সোনার ট্রফি স্পর্শ করা হলো না এই ফরাসি ফরোয়ার্ডের। হ্যারি কেইনের হাতে ২০২৬ সালের বর্ষসেরার মুকুট ওঠার রাতে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে।
মৌসুমে ৬০ ম্যাচে ৫৮টি গোল ও ১৩টি অ্যাসিস্টের দুর্দান্ত পরিসংখ্যান থাকা সত্ত্বেও ১০০ জন ক্রীড়া সাংবাদিকের ভোট নিজের পক্ষে টানতে ব্যর্থ হন এমবাপ্পে। এর আগে ২০১৭ এবং ২০২৫ সালে ৭ম; ২০১৮ সালে চতুর্থ; ২০১৯, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে ৬ষ্ঠ; ২০২১ সালে নবম, আর ২০২৩ সালে তৃতীয় হয়েছিলেন। কোনো বড় দলীয় ট্রফি না থাকলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে এবার ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন 'কিকি'। এবারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে নিজেকে সম্ভাব্য বিজয়ী দাবি করে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছেন এমবাপ্পেসহ আরও কয়েকজন। নিজের অবস্থান তুলে ধরে এমবাপ্পে বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় এটি যেকোনো ফুটবলারেরই বড় স্বপ্ন। ব্যক্তিগতভাবে আমার একটি দারুণ বছর কেটেছে। প্রধান প্রায় সব প্রতিযোগিতাতেই আমি সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলাম।’
ব্যক্তিগত ট্রফি হিসেবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকেই ভোটদাতাদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত মন্তব্য করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার চেয়ে ভালো পারফর্ম করা খেলোয়াড় এই মৌসুমে কেউ ছিল না। এটি একটি ব্যক্তিগত পুরস্কার এবং আমার মতে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সই অন্য সব কিছুর ওপরে থাকা উচিত। মাঠে ব্যক্তিগতভাবে প্রভাব তৈরি করা এবং দর্শকদের মুগ্ধ করার ক্ষমতাই এ ধরনের ট্রফির যোগ্য করে তোলে।’ ব্যালন ডি’অর হাতছাড়া হলেও রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম ঠিকই লিখে ফেলেছেন এমবাপ্পে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ১০ গোল করে বিশ্বমঞ্চে নিজের মোট গোলসংখ্যা ২২-এ নিয়ে গেছেন তিনি, যা তাকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি দিয়েছে। এছাড়া টানা দ্বিতীয়বার লা লিগার ‘পিচিচি’ ট্রফি, বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গোল্ডেন বুট জেতার পাশাপাশি বায়ার্ন তারকা হ্যারি কেইনের সঙ্গে ক্যালেন্ডার বর্ষের গোল প্রতিযোগিতাতেও লড়াই চালিয়েছেন তিনি।





