বিশ্বকাপ
ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সতীর্থদের হাসির খোরাক আর্জেন্টিনা গোলকিপার

হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে গোলকিপিং করেছেন হুয়ান মুসো।
ইনজুরি সমস্যা থাকলেও বিশ্বকাপের আগে ফুরফুরে মেজাজে আছে আর্জেন্টিনা দল। হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের পর গোলকিপার হুয়ান মুসোর একটি পোস্টে তার সতীর্থদের মজা-মশকরা দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে। ম্যাচটিতে কোনো গোল না হজম করে দলকে ২-০ ব্যবধানের জয় এনে দিতে দারুণ ভূমিকা রাখেন মুসো। কিন্তু সতীর্থদের ট্রোল থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেননি।
নিয়মিত গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেসের ডান হাতের অনামিকায় চিড় ধরায় হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে পর্তুগালের ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক মুসো সুযোগ পান একাদশে। ম্যাচ শেষে নিজের আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করে হুয়ান মুসো ইনস্টাগ্রামে কিছু ছবি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এই জার্সিতে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করছি। এই দলের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। এগিয়ে যাও!’ মুসোর এই পোস্টে সতীর্থ ও ভক্তদের মন্তব্যের বন্যা বয়ে যায়। সবাইকে ছাপিয়ে আলোচনা ও হাসির খোরাক জুগিয়েছে মিডফিল্ডার এঞ্জো ফার্নান্দেসের একটি মন্তব্য। মুসোকে উদ্দেশ্য করে তিনি কেবল একটি শব্দ লিখেছেন—‘স্কুইডওয়ার্ড’ জনপ্রিয় কার্টুন সিরিজ ‘স্পঞ্জবব স্কয়ারপ্যান্টস’-এর একটি জনপ্রিয় চরিত্রের নাম এটি।এঞ্জোর এই অদ্ভুত কমেন্ট দেখার পর থেকেই নেট দুনিয়ায় এর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিশ্লেষণ।কেউ কেউ রসিকতা করে স্কুইডওয়ার্ড চরিত্রের লম্বা নাকের সাথে মুসোর মিল খুঁজছেন। আবার কেউ কেউ মনে করিয়ে দিচ্ছেন ২০২২ সালে ভাইরাল হওয়া এক ঘটনা। সেবার নিজের প্রেমিকাকে পাঠাতে গিয়ে ভুলবশত ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের সম্পূর্ণ নগ্ন একটি ছবি পোস্ট করে ফেলেছিলেন মুসো। পরে অবশ্য ভুল বুঝতে পেরে দ্রুত সেটি মুছে পোশাক পরা ছবি আপলোড করেছিলেন। এঞ্জোর এই ট্রোলে যোগ দিয়েছেন দলের অন্য খেলোয়াড়রাও। ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেস মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন ‘পিপা’। নাহুয়েল মলিনা লিখেছেন ‘নাম্বর ওয়ান’। একজন সমর্থক তো ফ্রাঙ্কো আরমানির ডাকনাম ‘অক্টোপাস’ মনে করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, ‘আমাদের এখন ওনাকে একটা নতুন ডাকনাম দিতে হবে। আরমানি থাকতে ওনাকে তো আর অক্টোপাস বলা যাবে না, বরং স্পঞ্জববের সেই অক্টোপাস স্কুইডওয়ার্ড বলাই ভালো!’
বিশ্বকাপের আগে গোলরক্ষক পজিশনে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সবাইকে দেখে নেওয়ার যে পরীক্ষা কোচ লিওনেল স্কালোনি চালাচ্ছেন, তারই অংশ হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন মুসো। হন্ডুরাসের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল জাতীয় দলের হয়ে ৩২ বছর বয়সী মুসোর মাত্র তৃতীয় ম্যাচ। ২০১৯ সালে মরক্কোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বদলি হিসেবে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল। এরপর ২০২১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে এবং এই বছরের শুরুতে জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোলের জয়ে কিছুক্ষণের জন্য মাঠে নেমেছিলেন তিনি।







