যাদের বাদ দিতেন স্কালোনি তারাই এখন দলের শক্তি

সংগৃহীত ছবি
সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছেন বিশ্বকাপ শুরুর আগে একাধিক খেলোয়াড়কে দলে না রাখার কথা ভেবেছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের ওপর আস্থা রাখার সিদ্ধান্তই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করছেন আর্জেন্টাইন কোচ।
সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি কঠিন সময় পার করে লড়াই করার কথা তুলে ধরেন, ‘দেড় মাস আগে পরিস্থিতি মোটেও ভালো ছিল না। আর আজ আমরা সেমিফাইনালে। এর পুরো কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের। ওদের ওপর বিশ্বাস না থাকলে আমি অন্য সিদ্ধান্ত নিতাম। কয়েকজনকে বদলে দেওয়ার কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু আজ ওরাই আমাকে সঠিক প্রমাণ করেছে। ফুটবল সবসময় দুই আর দুইয়ে চার হয় না। আমি খুবই খুশি ও সন্তুষ্ট।’
যদিও কাদের বদলানোর কথা ভেবেছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেননি স্কালোনি। তবে বিশ্বকাপ শুরুর আগে চোট ও ফিটনেস সমস্যায় ভুগছিলেন আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার।
লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামিতে খেলার সময় পাওয়া ছোট একটি চোট থেকে দ্রুত সেরে ওঠেন। লেয়ান্দ্রো পারেদেসও বোকা জুনিয়র্সে পেশির চোট কাটিয়ে শেষ মুহূর্তে পুরোপুরি ফিট হন। অন্যদিকে ডান হাতের অনামিকা আঙুলে চিড় থাকায় গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেসকে নিয়েও ছিল উদ্বেগ।
এ ছাড়া বাঁ গোড়ালির সমস্যায় ভুগছিলেন হুলিয়ান আলভারেস, নিকোলাস গনসালেসের ছিল পেশির চোট। ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো হাঁটুর লিগামেন্টের চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে এলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই সেই সমস্যা তাকে ভুগিয়েছে। অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও তাকে বদলি করে তুলে নিতে হয়।
বিকল্প খেলোয়াড়দের মধ্যেও অনিশ্চয়তা ছিল। নিকো পাসের বাঁ হাঁটুতে গুরুতর আঘাত ছিল। আর ডান প্রান্তের দুই ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা ও গনসালো মন্তিয়েলের ফিটনেস নিয়েও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুশ্চিন্তা ছিল কোচিং স্টাফের।
সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে আর্জেন্টিনা। আগামী বৃহস্পতিবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল। টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠাই এখন স্কালোনির শিষ্যদের লক্ষ্য।




