হলান্ডকে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপ

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার এসেই বুঝিয়ে দিয়েছেন, কেন তাকে সময়ের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার মানা হয়। গোলমেশিন আরলিং হলান্ডের বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেই। বিদায়ের পর হলান্ড জানিয়েছেন, এই বিশ্বকাপ বদলে দিয়েছে তাকে।
৬ ম্যাচে ৭ গোল। হলান্ডের ডানায় ভর করেই নরওয়ে ইতিহাস গড়ে পৌঁছে গিয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। এই যাত্রায় তারা হারিয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকেও। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন হলান্ড।
ইংল্যান্ডের সঙ্গে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি নরওয়ে। ভাইকিংসদের যাত্রা থামিয়ে দেন জুড বেলিংহাম। ২-১ ব্যবধানে হারের পর নিরবেই মাঠ ছাড়েন হলান্ড।
ম্যাচের পর হলান্ড জানালেন, এই বিশ্বকাপটা স্বপ্নের মতো কেটেছে তার, 'এখানে যে অভিজ্ঞতা হলো, স্বপ্নের মতো। মনে হচ্ছে, এসব মানুষ হিসেবে আমাকে বদলে দিয়েছে। বলা যেতে পারে, ফুটবলার হিসেবে আমার পরিচিতি আরেকটু বড় হয়েছ। বিশ্বকাপের মতো আয়োজনের অংশ হতে পারা দারুণ কিছু। একসময় যা দূর থেকে দেখতাম, এখন আমি এর অংশ।'
নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত হলান্ড, 'আমি অনেক গর্ববোধ করছি। নরওয়েতে সবার মধ্যে একতা, ইতিবাচকতা ও উচ্ছ্বাস, এখানেও সেটা অনুভব করেছি। এটা আমাদের দারুণ আনন্দ দিয়েছে।'
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে নরওয়ে। হলান্ড জানালেন, এটা তাদের জন্য বড় এক পাওয়া, 'এটা আমার দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল। এই টুর্নামেন্ট দিয়ে, বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে নরওয়ে একটা জায়গা করতে পেরেছে। এখন এই মান ধরে রাখতে হবে। আমি সত্যিই গর্বিত।'
ব্রাজিলকে হারানোর স্মৃতিটা আজীবন মনে থাকবে হলান্ডের, 'আমরা প্রমাণ করেছি, ব্রাজিলের মতো বিশ্বের সেরা দলের বিপক্ষে জয় পাওয়া সম্ভব। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেছি, তবে এর জন্য তাদেরকে কষ্ট করতে হয়েছে। হয়তো ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো। সামনে আরও বিশ্বকাপ, ইউরো আছে। এটাই নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করার উপযুক্ত সময়। আমরা দারুণ একটা প্রজন্ম পেয়েছি।'




