সোনালি যুগের অপেক্ষায় আইভরি কোস্ট

সংগৃহীত ছবি
দিদিয়ের দ্রগবা, কোলো তোরে এবং ইয়াইয়া তোরে- এ নামগুলো শুনলে আইভরি কোস্টের সোনালি যুগের কথা মনে পড়তে পারে ফুটবলপ্রেমীদের। তাদের হাত ধরেই প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি। ২০০৬ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত আইভরি কোস্ট নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে সেরা সময়টুকু পার করে। তাদের সর্বশেষ বিশ্বকাপে অর্থাৎ ২০১৪ সালে দ্বিতীয় রাউন্ডে অল্পের জন্য কোয়ালিফাই করতে পারেনি দ্রগবারা। ১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরত এসে কেসি-দিওমান্দেদের প্রথম চ্যালেঞ্জ দক্ষিণ আমেরিকার দল ইকুয়েডর।
ইকুয়েডরকে নিয়ে যদি এক শব্দের ভেতর ব্যাখ্যা করতে হয় তাহলে শব্দটি হবে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ অর্থাৎ যাদের সম্পর্কে আগে থেকে কিছু বলা যায় না। ২০০২ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলার পর উত্থান-পতন সবই দেখেছে দলটি। ২০০৬ বিশ্বকাপে পোল্যান্ড ও কোস্টারিকাকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা তাদের সেরা সাফল্য। ২০১৪ বিশ্বকাপে ফ্রান্স এবং গত আসরে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ড্র প্রমাণ করে তাদের শক্তিও কোনো অংশে কম নয়। এবারের আসরে দলটির অন্যতম ভরসার নাম এনের ভ্যালেন্সিয়া। ওয়েস্টহাম ও এভারটনের হয়ে খেলা এই ৩৬ বছর বয়সী নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। ইকুয়েডর জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৯ গোলের রেকর্ডটা তার। বিশ্বকাপেও ভ্যালেন্সিয়া দেশের হয়ে করেছেন সর্বোচ্চ ছয় গোল।
ইকুয়েডরকে যে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই, সেটা বাছাই পর্বের পয়েন্ট তালিকার দিকে তাকালেই বোঝা যায়। তাদের ওপরে শুধু বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।


