বিশ্বকাপ
মেসিকে লাল কার্ড না দেখানোয় হতাশ দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ

সংগৃহীত ছবি
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটা শুরু হয় বিতর্কের মধ্য দিয়ে। মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ৩টি লাল কার্ড দেখানো হয়, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার থেম্বা জোয়ানেকে দেখানো সরাসরি লাল কার্ড এবং তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করবে দল, এমনটাই জানিয়েছেন হেড কোচ হুগো ব্রুস। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, লিওনেল মেসির সঙ্গে কেন আলাদা আচরণ করা হলো।
মেক্সিকো সিটিতে বৃহস্পতিবার মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ২-০ গোলে হারের ম্যাচে ৮৪ মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন জোয়ানে, যার ফলে ৯ জনে নেমে যায় বাফানা বাফানা। পরে সহিংস আচরণের অভিযোগে তাকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে আইসা মান্দির পায়ের পেছনে স্টাড দিয়ে আঘাত করার পরও কোনো শাস্তির মুখে পড়েননি মেসি। রেফারিং নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন ব্রুস, ‘আমি চাই না মেসি লাল কার্ড দেখুক, এ ধরনের একজন খেলোয়াড়কে মাঠে থাকতে হবে, আমরা সবাই দেখেছি সে কতটা বিস্ময়কর খেলোয়াড়। কিন্তু পার্থক্যটা কোথায়?’
ব্রুস মনে করেন জোয়ানের ঘটনাটি মেসির তুলনায় তুচ্ছ, ‘জোয়ানের লাল কার্ডটা অনেক বেশি কঠোর। আমি তার ঘটনাটা পুনরায় দেখেছি এবং আমার মনে হয় না এটা লাল কার্ড হওয়ার মতো অপরাধ ছিল। গতকাল মেসির ঘটনার সঙ্গে যখন এটা তুলনা করি, আমি কোনোভাবেই একমত হতে পারছি না। আমার মনে হয় মেসির ক্ষেত্রে ভিএআর রিভিউও করা হয়নি, যেখানে এই ঘটনাটি পর্যালোচনা করা হয়েছে।’
বদলি খেলোয়াড় জোয়ানে মাঠে নামার ২৩ মিনিট পর বহিষ্কৃত হন, মেক্সিকোর এক ডিফেন্ডারের দিকে হাত তোলার অভিযোগে। ভিএআর পরামর্শের পর ব্রাজিলিয়ান রেফারি উইল্টন সাম্পাইও যখন সরাসরি লাল কার্ড দেখান, তখন হতবাক দেখাচ্ছিল ৩৬ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়কে।




