বিশ্বকাপে রেকর্ড ম্যাচ অফিশিয়াল, মাইলফলকে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাও

এবার আরেকটি নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হবে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে সবকিছুতেই যেন তৈরি হচ্ছে নতুন ইতিহাস। মাঠের বাইরে তো বটেই, মাঠেও এবার আরেকটি নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হবে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের জন্য ১৭০ জন ম্যাচ অফিশিয়ালের নাম ঘোষণা করেছে ফিফা। এটাই টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যাচ অফিশিয়ালের বহর।
মোট ৫০টি সদস্য দেশের ১৭০ জন অফিসিয়ালদের মধ্যে রেফারি থাকছেন মোট ৫২ জন। এছাড়া ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) থাকছেন। ফিফা জানিয়েছে, ‘উচ্চপর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক ও মানসম্পন্ন পারফরম্যান্স’ বিবেচনায় এনেই রেফারি নির্বাচন করা হয়েছে। তিন বছর ধরে চলা এই প্রক্রিয়া শেষেই বাছাই করা হয়েছে ১৭০ জনকে।
ম্যাচ অফিশিয়ালরা এবং সহকারী রেফারিরা টুর্নামেন্ট চলার সময় মায়ামিতে থাকবেন, আর ভিএআর অফিশিয়ালরা থাকবেন ডালাসে। ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়ের লুইজি কলিনা জানিয়েছেন, ‘নির্বাচিত ম্যাচ অফিশিয়ালরা বিশ্বের অন্যতম সেরা। তারা গত তিন বছরে একটি বড় পুল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এটি হতে যাচ্ছে ফিফার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম্যাচ অফিশিয়ালদের দল। কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের তুলনায় এবার ৪১ জন বেশি অফিশিয়াল থাকছেন।’
এবারের বিশ্বকাপে নতুন মাইলফলক গড়বে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলও। প্রথমবারের মতো এক বিশ্বকাপে এই দুই দেশের তিনজন করে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে সাতজন অফিশিয়াল এই টুর্নামেন্টে দায়িত্ব পালন করবেন। মেজর লিগ সকার (এমএলএস) থেকে সর্বোচ্চ ১১ জন অফিশিয়াল নির্বাচিত হয়েছেন এই বিশ্বকাপের জন্য।
৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে রেফারিদের শরীরে ‘বডি ক্যামেরা’ ব্যবহার করা হবে। এর আগে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপেও ব্যবহার করা হয়েছিল এই ক্যামেরা। পরের প্রিমিয়ার লিগসহ অন্যান্য শীর্ষ লিগেও চালু করা হয়েছে নতুন এই নিয়ম।















