‘রোনালদোর প্রশ্নে ভীষণ লজ্জা পেয়েছিলাম’

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং আন্তোনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে সতীর্থ ছিলেন।
ফুটবল তো বটেই, বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনেই ফিটনেসের অনন্য উদাহরণ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সেও তার ফিটনেস যেকোনো তরুণ অ্যাথলেটকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক উইঙ্গার আন্তোনি সম্প্রতি রোনালদোর সঙ্গে একটি মজার অথচ ‘বিব্রতকর’ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন।
বর্তমানে রিয়াল বেতিসের হয়ে খেলা আন্তোনি জানান, রোনালদোর কাছ থেকে কেবল ফুটবল নয়, জীবনের অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। পডকাস্টিং বা সাক্ষাৎকারে প্রায়ই রোনালদোর কঠোর পরিশ্রমের গল্প শোনা যায়, তবে আন্তোনির এই গল্পটি একটু ভিন্ন স্বাদের। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সিআরসেভেনের দ্বিতীয় মেয়াদে ছয় মাস তার সতীর্থ হিসেবে ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
নতুন উচ্চতায় রোনালদো
৩০ এপ্রিল ২০২৬
আন্তোনির ভাষায়, ‘একবার সাউনা রুমের ভেতর তিনি (রোনালদো) আমাকে মজা করে নিজের শরীর দেখালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, “আমাকে দেখে কি ২৩ বছরের যুবক মনে হয়?” প্রশ্ন শুনে আমি ভীষণ লজ্জা পেয়ে গেলাম। কারণ আপনি যখন দেখবেন প্রায় ৪০ বছর বয়সেও একজন মানুষ নিজের শরীরের কতটা যত্ন নেন, তখন অবাক না হয়ে উপায় থাকে না। তিনি সবার জন্যই এক বড় রোল মডেল।’
রোনালদোকে নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা, তিনি অনেক জেদি বা কঠোর। কিন্তু আন্তোনি জানালেন তার ভিন্ন রূপের কথা। রোনালদো প্রায়ই তাকে বলতেন, ‘আজ আমরা ফুটবল নিয়ে কোনো কথা বলব না।’ তখন তারা বই পড়া, জীবনযাপন এবং ফুটবলের বাইরের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন, যা আন্তোনিকে মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করত।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ডের বিশাল মূল্যে যোগ দিলেও আন্তোনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম বড় ‘ফ্লপ’ হিসেবেই বিবেচিত হন। ৯৬ ম্যাচে মাত্র ১২ গোল করা এই উইঙ্গার স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল বেতিসে গিয়ে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। বেতিসের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৭ ম্যাচে ২২টি গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছেন তিনি।





