সবজি থেকে মাছ-মাংস, স্বস্তি নেই কিছুতেই

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর কাঁচাবাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরেই অস্থিরতা বিরাজ করছে। নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা ক্রেতারা। ডিম থেকে শুরু করে সবজি, মাছ কিংবা মাংস–প্রতিটি পণ্যের গায়ে যেন আগুনের আঁচ।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ বিক্রেতা ৮০০ টাকার নিচে বিক্রি করছেন না।
কয়েক সপ্তাহ ধরে ডিমের দামও বেশ চড়া। বাজারে ১১০ টাকা ডজনের লাল ডিম এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। সাদা ডিমের দামও ডজনপ্রতি বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা।
মুরগির বাজারেও একই দশা। রমজানে যে সোনালি মুরগি ২৯০-৩২০ টাকায় পাওয়া যেত, তা এখন ৩৬০-৩৭০ টাকার নিচে মিলছেই না। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা কেজি দরে। আর দেশি মুরগির দাম তো সাধারণের নাগালের প্রায় বাইরে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় গোল বেগুনের দাম ঠেকেছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। একইভাবে কাঁকরোলের দামও বেশ চড়া; প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।
অন্যান্য সবজির মধ্যে টমেটো ৬০-৭০ টাকা, বরবটি ৬০-৮০ টাকা, পটোল ৬০-৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০-৭০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি ১২০ টাকা এবং করলা ও লাউ প্রতিটি ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচকলার হালি এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
এ ছাড়া আলু ২০-২৫ টাকা, পেঁপে ৭০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা এবং শসা ১০০-১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা ও ধুন্দুলের দাম কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে।
মাছের বাজারেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গরিবের মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙাশ এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায়। তেলাপিয়া ২৩০ টাকা আর রুই মাছের কেজি ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত।
এ ছাড়া পাবদা ৩৮০ টাকা, কাতল ৪০০ টাকা এবং টেংরা মাছ ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট ও বড় গলদা চিংড়ি যথাক্রমে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।



