মধ্যপ্রাচ্য সংকট
- ‘তারা এমন কিছু দাবি করেছে যা আমি মানতে পারব না’— ইরানের নতুন প্রস্তাবে ‘অসন্তুষ্ট’ ট্রাম্প
- হরমুজ প্রণালি পার হতে ইরানকে টোল দিলে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
- ইরানে সামরিক হামলা ভুল ছিল বলে মনে করেন ৬১ শতাংশ মার্কিনি
- শুক্রবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ১৬ জন
- যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে আগ্রাসন বাড়াচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী, বলেছেন লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি
- এক ঘণ্টা আগে(১১:৪৭)

তেহরানের পণ্য পারাপারের জন্য স্থল পথ খুলে দিয়েছে পাকিস্তান। ছবি : আলজাজিরা
ইরানের সঙ্গে স্থল বাণিজ্য পথ খুলে দিয়েছে পাকিস্তান
ইরানের বন্দরে মার্কিন নৌ অবরোধের মধ্যেই দেশটির সঙ্গে স্থল বাণিজ্য পথ খুলে দিয়েছে পাকিস্তান। যার ফলে তেহরানের জন্য পণ্য পারাপারের সুযোগ তৈরি হলো।
সিদ্ধান্তটি উভয় দেশের অর্থনীতির জন্যই একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর তেহরান ও ইসলামাবাদের স্থল বাণিজ্যপথ বন্ধ হয়ে যায়।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগের অভিযানকে দুর্বল করে দেবে। অন্যদিকে, যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় চলা আলোচনার ওপর নেতিবাচক প্রভাবও ফেলতে পারে।
মার্কিন প্রশাসন এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। - এক ঘণ্টা আগে(১১:২৯)

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ, কংগ্রেসকে ট্রাম্পের চিঠি
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সমাপ্তি ঘটেছে বলে মার্কিন কংগ্রেসকে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সংঘাত বর্তমানে এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
তবে এই যুদ্ধবিরতিকে পুঁজি করেই ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কাছ থেকে নতুন করে অনুমোদন নেওয়ার যে আইনি সময়সীমা ছিল, তা মানার বাধ্যবাধকতা এখন আর নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট অনুযায়ী, কোনো সামরিক পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্টের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। অন্যথায় যুদ্ধ বন্ধ করতে হয়।
শুক্রবার ছিল ট্রাম্পের সেই ৬০ দিনের শেষ দিন। কিন্তু কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প দাবি করেন, গত ৭ এপ্রিল থেকে ইরানের সাথে কোনো গুলি বিনিময় হয়নি, তাই যুদ্ধ আপাতত সমাপ্ত হয়েছে।
তার যুক্তি, যুদ্ধবিরতি চলায় এই ৬০ দিনের সময় গণনার ঘড়িটিও এখন বন্ধ হয়ে গেছে।
অবশ্য ট্রাম্পের এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ বিরোধীরা। ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন বলেছেন, আইনত এই যুক্তি ধোপে টেকে না।
জর্জিটাউন ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক হিদার ব্র্যান্ডন-স্মিথও মনে করেন, কেবল যুদ্ধবিরতি চললেই সময়সীমার ঘড়ি থেমে যায় না। তার মতে, ‘সংঘাতের স্থায়ী অবসান না হওয়া পর্যন্ত এই আইনি বাধ্যবাধকতা বহাল থাকে।’
অনেকটা একই ধরনের অবস্থান কুয়েত ও ইরাকে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডগলাস সিলিম্যানের। তিনি বলেছেন, ইরান যুদ্ধের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন এড়িয়ে যেতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নানা ‘অজুহাত’ খুঁজছেন।
তার মতে, ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন অনুযায়ী এই যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়া এখন বাধ্যতামূলক হলেও ট্রাম্প তা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন।
যদিও রিপাবলিকানদের অধিকাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন দিচ্ছেন। তবে অনেকেই ৬০ দিনের সময়সীমা পার হওয়ার পর অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে ব্যাপক হামলা চালায়। হামলা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর পাল্টা হামলা শুরু করে। - ৩ ঘণ্টা আগে(০৯:২২)
মার্কিন নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করায় ৪৫ জাহাজ আটকের দাবি সেন্টকমের
নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করে ইরানের বন্দরে যাওয়ার সময় ৪৫টি জাহাজ আটকে দেওয়ার দাবি করেছে মার্কিন সেন্টকম।
সেন্টকম সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে একথা জানিয়েছে।
এক্সে পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী আন্তর্জাতিক জলসীমায় টহল অব্যাহত রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে চলমান নৌ অবরোধ কার্যকর করছে। এখন পর্যন্ত, নির্দেশ অমান্য করায় ৪৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে বা বন্দরে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। - ৪ ঘণ্টা আগে(০৮:৫২)

হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজ।
হরমুজ প্রণালি পার হতে ইরানকে টোল দিলে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
হরমুজ প্রণালি পার হতে ইরানকে টোল বা অন্য কোনো ফি দিলে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার এই সতর্কবার্তা এমন এক সময় এলো যখন হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ তিন সপ্তাহে পা দিয়েছে। এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি বন্ধের প্রভাবে পড়েছে জ্বালানি তেলের দামে।
এদিকে ইরানের বন্দরে মার্কিন অবরোধকে ‘সামরিক আগ্রাসন’ বলে মন্তব্য করেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি একে ‘অসহনীয়’ বলেও আখ্যা দেন। - ৪ ঘণ্টা আগে(০৮:৪৫)

১ মে হাব্বুশে ইসরায়েলি হামলার পর ধোঁয়া উঠছে। ছবি: এএফপি
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১২
কথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর (আইডিএফ) মুহুর্মুহু হামলায় শিশুসহ নিহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন। শুক্রবারের এসব হামলায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এর আগে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন ২৮ জন।
শুক্রবার নাবাতিয়েহ জেলার হাব্বুশ এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং আহত হন আরও অন্তত ৮ জন। আহতদের মধ্যে একটি শিশু ও একজন নারী রয়েছেন।
আলজাজিরার প্রতিবেদক জানান, দক্ষিণ লেবাননের টাইর শহরের আবাসিক এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলায় বহু ভবন পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। ধ্বংসাবশেষে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। একইদিন দক্ষিণ লেবাননের আরও অন্তত ছয়টি স্থানে হামলা চালিয়েছে আইডিএফ।
টাইর ও নাবাতিয়েহর আশপাশে পৃথক হামলায় আরও ৪ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৬১৮ জন। আহত হয়েছেন ৮ হাজারের বেশি মানুষ। ১৭ এপ্রিল ঘোষিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ১৭ মে পর্যন্ত বাড়ানো হলেও ইসরায়েলি সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।সূত্র: আলজাজিরা।
- ৫ ঘণ্টা আগে(০৭:৪৮)

জার্মানির রামস্টাইন বিমানঘাঁটিতে একটি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছেন সৈন্যরা। ছবি: রয়টার্স
জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।
রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেন্টাগন। এর কয়েকদিন আগে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছিলেন, দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধ শেষ করার আলোচনায় ইরানের কাছে ‘অপমানিত’ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই মন্তব্যের জেরেই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন এ তথ্য। আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ না দেওয়ায় ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে যথেষ্ট সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি এর আগে ইউরোপ থেকে সেনা সরানোর কথাও ভাবছিলেন বলে জানিয়েছেন।
পলিটিকোর খবরে বলা হয়েছে, ইউরোপ থেকে সেনা প্রত্যাহারের এমন হুমকি অপ্রত্যাশিত ছিল মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের জন্যও।



