মিলিয়ন পাউন্ডেও ভাগ্য বদলায়নি টটেনহামের

সংগৃহীত ছবি
ম্যাচ শুরুর আগে টটেনহাম হটস্পারের এক সমর্থক গ্যালারিতে যে ব্যানার তুলেছিলেন তাতে ছিল না কোনো উল্লাস। তাতে ছিল সাহায্যের জন্য আকুতি। মাঠের খেলাতেও সেই হতাশার প্রতিফলন। এভারটনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে মৌসুমের প্রথম চার লিগ ম্যাচে গোলহীন রইল টটেনহাম।
শনিবার টটেনহাম হটস্পার স্টেডিয়ামে এভারটনের বিপক্ষে ০-০ গোলে ড্র করেছে রবার্তো দে জারবির দল। মৌসুমের শুরু থেকে দুই ড্র ও দুই হারের ফলে প্রথম জয় এবং প্রথম গোলের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো টটেনহামের।
গত মৌসুমের শেষ ম্যাচে এভারটনের বিপক্ষে জোয়াও পালিনহা গোল করার পর থেকে টটেনহাম লিগে টানা ৪০৭ মিনিট গোল করতে পারেনি। ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো মৌসুমের শুরুতে টানা চার লিগ ম্যাচে গোলহীন থাকল তারা।
টটেনহাম হটস্পার স্টেডিয়ামে এটি ছিল ১৪০তম প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ। এই ম্যাচেই প্রথমবারের মতো গোলশূন্য ড্র দেখল স্টেডিয়ামটি।
গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি খরচ করেও টটেনহামের আক্রমণভাগে ধার ফেরেনি। বিবিসির মতে, ‘ধার বাড়াতে বিপুল অর্থ খরচ করলেও টটেনহাম এখন ভোঁতা অস্ত্রে পরিণত হয়েছে।’
টটেনহাম নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে সান্দ্রো টোনালিকে, ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সাভিনহোকে, ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ওমর মারমুশকে এবং চেলসি থেকে মিখাইলো মুদরিককে দলে ভিড়িয়েছে। এ ছাড়া মাতেউস ফার্নান্দেসকে ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে কিনেছে টটেনহাম।
পরিসংখ্যানও টটেনহামের আক্রমণভাগের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরছে। প্রত্যাশিত গোল অনুযায়ী চলতি মৌসুমে তাদের ৩–৪টি গোল করার কথা ছিল। কিন্তু পেনাল্টি বাদে প্রতি শটে প্রত্যাশিত গোলের হার মাত্র ০.০৬৬। অর্থাৎ প্রতিটি শটে গোল হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ৬.৬ শতাংশ।
গত দুই মৌসুমেই প্রিমিয়ার লিগে ১৭তম হয়েছিল টটেনহাম। বড় ধরনের দলবদল, নতুন শুরুর স্বপ্ন—সবকিছুর পরও এখনো বদলায়নি পরিস্থিতি।



