এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ বাছাই
ক্রুইফের চোখ মূল পর্বে

অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের কোচ লডউইক ডি ক্রুইফ
১০ বছর আগে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ। তিন মাস আগে সেই লডউইক ডি ক্রুইফকে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের কোচের দায়িত্ব দিয়ে উড়িয়ে আনা হয়েছিল নেদারল্যান্ডস থেকে। তিন মাস কিশোরদের নিয়ে কাজ করেছেন যশোরে। এখন তাঁর শিষ্যদের দিতে হবে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ বাছাই পর্বের পরীক্ষা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে সেই বাছাই। তার আগে সোমবার ক্রুইফ সদলবলে যাচ্ছেন জর্ডান। সেখানে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে আমিরাত যাবে দল। ৮ থেকে ১০ নভেম্বরে সেখানে হবে মূল পর্বে যাওয়ার লড়াই।
ক্রুইফ এই খুদেদের নিয়ে বেশ আশাবাদী। সাফ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আমিরাতে পর্যটক হিসেবে যাবে না, যাবে বাছাই উতরে মূল পর্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে। সি গ্রুপে বাংলাদেশ, সিরিয়া ও স্বাগতিক আমিরাত ছাড়াও আছে ম্যাকাও ও ভুটান। বাংলাদেশ অভিযান শুরু করবে ৮ নভেম্বর সিরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।
এক দশক পর বাংলাদেশে ফেরা ক্রুইফকে দেখে বেশ বোঝা গেল, কাজটা উপভোগ করছেন। বিশেষ করে নিজেকে আরেকবার প্রমাণ করার সুযোগ পেয়ে বেশ খুশি। জাতীয় দলের কোচ থাকাকালীন সেভাবে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। এবারও যদি ব্যর্থ হন, বাংলাদেশের পাট চিরদিনের জন্য চুকে যেতে পারে তাঁর। আমিরাত যাওয়ার আগে এ নিয়ে কথা বলতে হয়েছে তাঁকে, ‘দেখুন, যদি সমালোচনা সহ্য করতে না পারি, তবে হয়তো আমার অন্য কোনো পেশা বেছে নেওয়া উচিত। (কোচদের) এই চাপ খুবই স্বাস্থ্যকর। সবার জন্যই এই ধরনের চাপ থাকে। আমাদের একমাত্র কাজ হলো সেখানে যাওয়া, ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া এবং পরের রাউন্ডে কোয়ালিফাই করার চেষ্টা করা। এটিই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তাই মানুষ যা খুশি বলতে পারে।’
দলের লক্ষ্য জানাতে গিয়ে ক্রুইফ বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে বাইরে থেকে সবাই বলতেই পারে যে সিরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত আমাদের গ্রুপে সবচেয়ে শক্তিশালী দল। আমাদের তাদের মুখোমুখি হতে হবে, কারণ আমাদের মূল মিশন চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়া। আমরা কোয়ালিফাই করতে চাই, কেবল পর্যটক হিসেবে সেখানে যাচ্ছি না। আমরা সেখানে যাচ্ছি কোয়ালিফাই করার লক্ষ্য নিয়ে। ছেলেরা অত্যন্ত উদগ্রীব ও অনুপ্রাণিত। তাই ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব।’



