আতলেতিকোর মাঠে অগ্নিপরীক্ষায় বার্সা

২ গোলে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় লেগে নামবে বার্সা। ছবি: সংগৃহীত
ব্যবধানটা দুই গোলের। তবে ম্যাচটা যখন চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগ, তাও আবার প্রতিপক্ষের মাঠে; এই দুই গোলের ব্যবধানই গড়ে দিতে পারে হার-জিতের পার্থক্য। আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে আজ রাতে মাঠে নামছে বার্সেলোনা। দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও কোন শক্তিতে ভর করে সেমিতে যেতে পারে কাতালানরা?
মৌসুমের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে আছে বার্সা। আলাদাভাবে বলতে হয় বার্সা ফরোয়ার্ডদের কথা। বার্সেলোনার ম্যাচ মানেই যেন প্রতিপক্ষের জালে স্ট্রাইকারদের গোলবন্যা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে বার্সা করেছে ৩০ গোল, ম্যাচপ্রতি যা ২.৭২। এই ১১ ম্যাচের দুটিতে আবার গোল পাননি ইয়ামাল-লেভানদোস্কিরা।
সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে বার্সা এখন পর্যন্ত গোল করেছে ১৩১টি, ম্যাচপ্রতি যা ২.৬৭।
অ্যাওয়ে ম্যাচেও তাদের পরিসংখ্যান অসাধারণ। স্প্যানিশ সুপার কাপ বাদে ২৪ অ্যাওয়ে ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ৫৫ গোল দিয়েছে বার্সা, ম্যাচপ্রতি যা ২.২৯।
গোলবন্যার এই মৌসুমে বল জালে জড়িয়েছেন লামিনে ইয়ামাল, ফেরমিন লোপেজ, দানি অলমো, রাফিনিয়াসহ ৯ ফুটবলার। আতলেতিকোর বিপক্ষে এই বছরে মোট ৪ বার মুখোমুখি হয়েছে বার্সা। ২০২৬ সালে দুই দলের জয় অবশ্য সমানে সমান।
কোপা দেল রেতে নিজেদের মাঠে বার্সার জালে এক হালি গোল দিয়েছিল আতলেতিকো। ফিরতি লেগে ক্যাম্প ন্যুতে তিন গোল করলেও দুই লেগ মিলিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছিল বার্সা।
লা লিগায় এই মাসের শুরুতেই দেখা হয়েছে দুই ক্লাবের। এই ম্যাচে আতলেতিকোকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোপা দেল রের হারের বদলা নিয়েছে ফ্লিকের দল।
আতলেতিকো অবশ্য ওই হারের শোধ নিয়েছে ক্যাম্প ন্যুতে গিয়েই। কোয়ার্টারের প্রথম লেগে হাজারো বার্সা সমর্থকদের হতাশ করে জয়ের উল্লাস করেছেন হুলিয়ান আলভারেসরা।
মৌসুমজুড়ে গোল করার যে ‘অভ্যাসটা’ করেছেন বার্সা ফরোয়ার্ডরা, সেটা কি রিয়াদ এয়ার মেত্রোপলিতানোও বজায় থাকবে? নাকি ইয়ামালদের বিদায় নিতে হবে চোখের জলেই?
বাড়তি চাপে থাকা ইয়ামাল ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে, বয়সের তুলনায় আমাকে বেশি দায়িত্ব নিতে হয়েছে। আমি এতে অভ্যস্ত। কেবল এগুলো উপভোগ করার কথা ভাবি, দায়িত্বগুলোকে সমস্যা হিসেবে না দেখে নিজের গুণ হিসেবে দেখি।’
নেইমারকে দেখে বেড়ে ওঠার কথাও জানিয়েছেন অকপটে। তার আশা নেইমার খেলবেন এবারের বিশ্বকাপ, ‘নেইমার আমার পুরো শৈশবকে প্রভাবিত করেছেন। তিনি আমার আদর্শ। ফুটবলকে তিনি যা কিছু দিয়েছেন, এর জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করি, তিনি বিশ্বকাপে থাকবেন।’
















