জাতীয় স্টেডিয়ামে জ্বলেনি ফ্লাডলাইট
অন্ধকারে জামালদের অনুশীলন

জাতীয় স্টেডিয়ামে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি। থমাস ডুলির অধীনে মাঠে প্রথম দিনটা নির্বিঘ্ন হয়নি। কোচ প্রথম দিন চেয়েছিলেন কৃত্রিম আলোয় অনুশীলন করতে। আগামী ৫ নভেম্বর এখানেই বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচটি ভুটানের বিপক্ষে খেলবে ফ্লাডলাইটের আলোয়। সে চিন্তা থেকেই তিনি চেয়েছিলেন শুরু থেকে ফ্লাডলাইটের আলোয় অনুশীলন চালাতে। তবে সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি। বিকেল গড়িয়ে অন্ধকার নামলেও জ্বলেনি জাতীয় স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট। তাই আগেভাগেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলকে।
সাড়ে চারটায় শুরু হয় অনুশীলন। তবে দিনের আলো যতক্ষণ ছিল, সে সময়ে শেষ হয়নি অনুশীলন। কোচসহ খেলোয়াড়রা অপেক্ষায় ছিল ফ্লাডলাইট জ্বলে ওঠার। অথচ অপেক্ষার সময়টা দীর্ঘায়িতই হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আলোকস্বল্পতায় শেষ করতে হয়েছে দিনের অনুশীলন। প্রায় ১৫ মিনিট অন্ধকারেই দলকে অনুশীলন করতে হয়েছে। তাতে ফুটবলারদের চোটে পড়ার ঝুঁকিও ছিল।
জাতীয় স্টেডিয়ামে সোমবার বিকেল থেকে জাতীয় দলের অনুশীলন শুরুর বিষয়টা আগেই ঠিক ছিল। অথচ বাফুফে কর্তারা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় করে ফ্লাডলাইট জ্বালানোর ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কেন এই অব্যবস্থাপনা, জানতে জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলামকে বারবার ফোন করা হয়েছিল। তবে তাকে পাওয়া যায়নি।
সাফে দলের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব পাওয়া আমের খান অবশ্য দিনের আলো নেভার আগে থেকেই ক্রীড়া পরিষদে দেনদরবার শুরু করেন ফ্লাডলাইট জ্বালানোর জন্য। তবে ব্যর্থ হয়েছেন। বাফুফে জানিয়েছে, ফ্লাডলাইটে অনুশীলনের অনুমতি চেয়ে গত ২৫ অক্টোবর তারা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে চিঠি দেয়। সোমবারও বাফুফের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ জানানো হয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে। তবে কোনো কিছুই লাভ হয়নি। ঝুঁকি নিয়ে কিছু সময় অন্ধকারে অনুশীলন চালিয়ে যেতে হয় ফুটবলারদের।
গুরুত্ব বিবেচনায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উচিত ছিল আগেই ব্যবস্থা নেওয়া। সেটা তারা নেয়নি। আবার অনুশীলনের পরিবেশ শতভাগ নিশ্চিত করতে বাফুফের পক্ষ থেকেও উচিত ছিল আগেভাগেই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাডলাইট জ্বালানোর ব্যবস্থা করা। সেটা তারাও করেনি। তাই প্রথম দিনেই বাধাগ্রস্ত হয়েছে জাতীয় দলের অনুশীলন।




