কোচের অভিযোগ বিব্রত বাফুফে

কোচ জেরার্ড জোন্স। ছবি: সংগৃহীত
গত জুন মাসেই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন জেরার্ড জোন্স। দুই মাসের মাথায় বড় এক অভিযোগ আনলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরুতে বেতন না পাওয়ার দাবি করেন তিনি। স্ত্রী-সন্তানদের খাবারের খরচ পাঠাতে পারছেন না বলে রীতিমতো আর্তনাদই করেন জোন্স।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোন্সের ভিডিও পোস্ট করার পর বাফুফে রীতিমতো বিব্রত। সভাপতি তাবিথ আউয়াল এমন অভিযোগ উড়িয়েই দিলেন একপ্রকার, ‘আমি ওনার পোস্টটি দেখেছি। এটি বেশ দুঃখজনক, তবে ওনার বাকস্বাধীনতার প্রতি আমাকে সম্মান জানাতেই হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি পুরো ঘটনাটিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছেন। যাই হোক, আশা করছি দ্রুতই এর সমাধান হয়ে যাবে।’
যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে চলছে বাংলাদেশের যুব দলের আবাসিক ক্যাম্প। জোন্সও দলের সঙ্গে সেখানেই আছেন। গতকাল সকালে ফেসবুক পোস্টে ব্রিটিশ এই কোচ বলছিলেন, ‘আমি এখনো বেতনের অপেক্ষায় আছি। আমার কাছে কোনো টাকা নেই, স্ত্রী-সন্তানদের খাবারের টাকাও পাঠাতে পারছি না। নিজের জীবন নিয়ে আমি খুব ভয় পাচ্ছি, চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এমন কিছু পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি, যা আমাকে চরম অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল— যার মধ্যে রয়েছে মানুষ এসে গাড়িতে ধাক্কা দেওয়া, গাড়ি ঘিরে ধরা এবং টাকা চাওয়া।’
এমন পোস্টে হইচই শুরু হলে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক নিশ্চিত করেন বেতন দেওয়ার কথা, ‘তার সঙ্গে আমাদের চুক্তি অনুযায়ী, ১০ তারিখের মধ্যে বেতন দেওয়ার কথা। সেভাবেই আমরা তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি।’
এটা জেনে জোন্স আরও একটি ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, ‘আমি ব্যাংকিং-সংক্রান্ত একটি সমস্যার মধ্যে আছি। আমি অর্থ পেয়েছি ঠিকই, তবে এর সঙ্গে আরও কিছু জটিলতা রয়েছে। এমন কিছু নতুন সমস্যাও সামনে এসেছে, যেগুলো সম্পর্কে আমাকে আগে জানানো হয়নি।’ কোচের এমন অভিযোগের পর তাবিথ আউয়ালের হতাশা, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে বাফুফে কোনো সাড়া দেবে না, আমরা এসব এড়িয়ে চলব। ওনার যদি সত্যিই কোনো নিরাপত্তা বা অন্য বিষয়ে উদ্বেগ থাকে, তবে তিনি সরাসরি আমাদের জানাতে পারেন।’




