বিশ্বনাথ স্ট্রাইকার
ভুটানের বিপক্ষে দলে নেই মোরসালিন-সোহেল-মাহি

দলে নেই মাহি খান। ছবি: বাফুফে
ফিফা উইন্ডোর বাইরে খেলা তাই। আজ শুরু হওয়া ভুটান ও মালদ্বীপ বাদে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে কোনোদলই পূর্ণ শক্তি নিয়ে শুরু করতে পারছেন না। ভারতের ২৮ সদস্যে দলের ১৮ জন এসেছেন। বাকিরা আসবেন পরে। পাকিস্তানেরও বেশ কয়েকজন বংশোদ্ভূত ফুটবলার ক্লাব থেকে ছুটি না পাওয়ায় আসেননি। বাংলাদেশের হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদ আসবেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে। শ্রীলঙ্কারও একাধিক বংশোদ্ভূত ফুটবলার থাকতে পারেননি শুরু থেকে।
ফুটবলার নিয়ে দলগুলোর সমস্যা চিন্তা করে এবারের সাফ স্কোয়াড ২৮জনের করার সুযোগ দিয়েছেন আয়োজকরা। তবে ম্যাচের দিন সকালে দলগুলোকে সে ম্যাচের জন্য ২৩জনকে বাছাই করে দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশ কোচ ভুটানের বিপক্ষে আর রাত ৮টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচের জন্য চূড়ান্ত ২৩জনে রাখেননি অভিজ্ঞ সোহেল রানা, শেখ মোরসালিন ও তরুণ স্ট্রাইকার মাহি খানকে।
এমনিতেই বাংলাদেশের বড় সমস্যাই গোল করতে না পারা। থমাস ডুলি দুই প্রবাসী মাহি খান ও রোনান সুলিভানকে সাফের দলে রেখেছিলেন। তবে চোট পাওয়ায় আগেই সাফে খেলতে না আসার কথা জানান রোনান। তবে মাহি ছিলেন ক্যাম্পের শুরু থেকে। কোচও গোলের সমস্যা কাটাতে মাহিকে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের কথা জানিয়েছিলেন। অথচ ডুলি ভুটানের বিপক্ষে রাখেননি মাহিকে। সাম্প্রতি গোল পাওয়া শেখ মোরসালিনকেও রেখেছেন বিশ্রামে। সোহেল রানাকেও বাইরে রেখেছেন ফিটনেস ইস্যুতে।
ভুটানের বিপক্ষে একাদশে বড় দুটি চমকও দিতে যাচ্ছেন কোচ থমাস ডুলি। হামজা চৌধুরীর শূন্যস্থান পূরণে সেন্টার-ব্যাক তারিক কাজীকে তিনি খেলাতে যাচ্ছেন হোল্ডিং মিডফিল্ড পজিশনে। আর ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষকে আজ দেখা যেতে পারে স্ট্রাইকার রূপে। থমাস ডুলি সাফের ট্রেনিং ক্যাম্পে বিশ্বনাথকে সামনে এগিয়ে দিয়ে করেছেন গোলের সমস্যা কাটাতে।
গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন মেহেদী হাসান শ্রাবন। সেন্টার-ব্যাক পজিশনে অধিনায়ক তপু বর্মণের সঙ্গে থাকবেন জিদান ইউসুফ। আর দুই ফুটব্যাক হিসেবে থাকবেন জায়ান আহমেদ ও সাদ উদ্দিন। মিডফিল্ডে তারিক কাজীর সঙ্গে দেখা যেতে পারে জামাল ভুঁইয়া অথবা কাজেম শাহকে। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে থাকবেন শমিত সোম। দুই উইং দিয়ে আক্রমণ শাণাবেন রাকিব হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। আর গোলের মূল দায়িত্বে থাকবেন বিশ্বনাথ।
সাফের শুরুর ম্যাচে ডুলির জুয়া কতটা কাজে লাগে সেটাই দেখার।



