বার্সাকে মাটিতে নামাল পিএসজি

সংগৃহীত ছবি
দ্বিতীয় মিনিটেই পিএসজির খিচা কাভারাস্কেইয়ার জোরালো শট বার্সা গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে ফাঁকি দিয়ে লাগে পোস্টে। গোল না হলেও পিএসজি-বার্সেলোনা ম্যাচটা কেমন হতে চলেছে, এর ইঙ্গিত মিলেছিল তখনই।
প্যারিসের পার্ক দে প্রিন্সেসে চ্যাম্পিয়নস লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচটিতে শেষ হাসিটা টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন পিএসজির। ৪-২ গোলে জিতে উড়তে থাকা বার্সাকে মাটিতে নামাল লুইস এনরিকের দল। টানা ১১ ম্যাচ জেতা বার্সা পেলে মৌসুমে প্রথম হারের স্বাদ।
পিএসজি ৪ : ২ বার্সেলোনা
৭৯ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে সমতা ছিল ২-২ গোলে। ৮১ মিনিটে ভিতিনিয়া ও ৮৬ মিনিটে ফাবিয়ান রুইসের গোল গড়ে দেয় ম্যাচের ব্যবধান। পিএসজির অপর দুটি গোল দেজেরি দুয়ে ও লুকাস হার্নান্দেসের। বার্সার হয়ে একটি করে গোল জাভি এসপার্ত ও লামিন ইয়ামালের। ৭২ থেকে ৮৬- পিএসজি শেষ ৩ গোল করেছে ১৪ মিনিটের ব্যবধানে।
বার্সেলোনার বলের দখল ছিল ৫৩ শতাংশ। তবে গোলের জন্য পিএসজি যেখানে পোস্টে শট নিয়েছে ১৪টি, সেখানে হান্সি ফ্লিকের দল মাত্র ৫টি। বার্সা গোলরক্ষক ১০টি সেভ না করলে পিএসজির জয়ের ব্যবধান বাড়তে পারত আরও।
২০তম মিনিটেই পায়ের পেছনের পেশিতে টান পড়ায় মাঠ ছাড়েন পিএসজির উসমান দেম্বেলে। বিরতির আগে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন বার্সেলোনার দানি ওলমোও। তবে দুই দলের শক্তিশালী বেঞ্চের কারণে খেলায় এর তেমন প্রভাব পড়েনি।
২৫তম মিনিটে দুর্দান্ত সেভে বার্সেলোনাকে বাঁচান গার্সিয়া।
দেম্বেলের বদলি নামা ফেরান তোরেসের শট ওয়ান-অন-ওয়ানে পজিশনে আটকে দেন তিনি। ২৯তম মিনিটে গার্সিয়ার দুর্দান্ত ডাবল সেভে আরও একবার রক্ষা পায় কাতালানরা। তবে ৩৮ মিনিটে ভাঙে তার প্রতিরোধ। লামিন ইয়ামাল বল তুলে দিয়েছিলেন হোয়াও নেভেসের কাছে। এরপর পাও কুবার্সির বাধা এড়িয়ে বক্সের মাথা থেকে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে নেওয়া শটে লক্ষ্যভেদ দেজেরি দুয়ের।
৫০তম মিনিটে আশরাফ হাকিমি গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে বল পাঠাতে না পারায় আবারও বেঁচে যায় বার্সা। এর পাঁচ মিনিট পর ফেরমিন লোপেসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে বক্সে ঢুকে সমতা ফেরান বার্সার জাভি এসপার্ত। এই গোলের পর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন পিএসজির মার্কিনিয়োস ও কাভারাস্কেইয়াকা।
৭০ মিনিটে ফেরান তোরেসের শট লাগে পোস্টে। এর ২ মিনিট পর কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেডে পিএসজিকে এগিয়ে নেন লুকাস হার্নান্দেস। ৭৯তম মিনিটে বুটের বাইরের অংশ দিয়ে অসাধারণ শটে কঠিন কোণ থেকে সমতা ফেরান লামিন ইয়ামাল।
এরপরই শুরু পিএসজির শেষের ঝড়। ৮১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে আসা বল বুক দিয়ে নামিয়ে ডান পায়ের হাফ ভলিতে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে জালে জড়ান ভিতিনিয়া। ৮৬ মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস ফাঁকা জায়গায় পেয়ে টোকা দিয়ে গোল করে ব্যবধান ৪-২ করেন ফাবিয়ান রুইস। আর গত মৌসুমের মত এবারও বার্সাকে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে হারাল পিএসজি।



