রানাকে দেখে ওয়াকারকে মনে পড়ছে টেইটের

রানার মাঝে বিধ্বংসী ওয়াকারকে খুঁজে পেয়েছেন টেইট। ছবি: সংগৃহীত
নাহিদ রানার সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে পেয়েছেন শন টেইট। রানার মতোই খুব জোরে বল করা পছন্দ করতেন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক এই পেসার। এখানেই শেষ নয়, টেইটের চোখে রানার মিল আছে একজন কিংবদন্তি পেসারের সঙ্গেও। তিনি পাকিস্তানের সাবেক পেস কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনুস। তার মতোই ইয়র্কার দেওয়া এবং ওয়ানডে ইনিংসের শুরু-মাঝ-শেষ তিন ভাগেই উইকেট নেওয়ার সামর্থ্য আছে রানার।
শন টেইট অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ। এর আগে পাকিস্তান দলের হয়ে এই দায়িত্ব সামলেছেন। দুই দেশের ক্রিকেট কন্ডিশন প্রায় একই রকম। গরমের সঙ্গে লড়াই করে সাফল্য পেতে হয় পেসারদের। তার ওপর ইয়র্কার দিতে হলে বাড়তি শক্তির প্রয়োজন হয়। সেই ইয়র্কারে প্রতিপক্ষ ব্যাটারকে বোল্ড করলে আনন্দও মিলে অন্য মাত্রায়। বোলারের জন্য আনন্দটা যেমন, সমর্থকদের জন্যও তেমনি।
একজন পেসার হিসেবে ওই বিশেষ বলে সফল হওয়ার আনন্দ খুব ভালো বোঝেন টেইট। তাই রানাকে অন্যরকম প্রতিভা মনে করেন। ঠিক এমনই ছিলেন ওয়াকার ইউনুস। তাই ঘরের মাঠে প্রচণ্ড গরমেও টানা ইয়র্কার দিতে পারতেন এবং বিপক্ষের ইনিংসের তিন ভাগেই উইকেট পেতেন সাবেক পাকিস্তান পেসার।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের আগে সংবাদ সম্মেলনে রানাকে ওয়াকারের সঙ্গে তুলনা করলেন টেইট, ‘গত ম্যাচে ওর ইয়র্কার আমি সবচেয়ে উপভোগ করেছি। ওয়াকার ইউনুসের কথা মনে পড়েছে ওকে দেখে। একজন ফাস্ট বোলার শুরুতে উইকেট তুলে নিচ্ছে, এরপর টেল এন্ডারকেও ভোগাচ্ছে এমন ইয়র্কারে, দেখে খুব ভালো লাগল।’
নিজের সঙ্গেও রানার অনেক মিল দেখেন টেইট, ‘হ্যাঁ, অনেক মিল আছে। কিছু তফাতও আছে। আমি যতটা ফিট ছিলাম ও(রানা) আরও বেশি ফিট। আমি একটু ভারী ছিলাম। যে কারণে জোরে বল করতে একটু কষ্ট হতো। সে লিকলিকে গড়নের। এটা তাকে জোরে বল করতে, ভালো অ্যাথলেট হয়ে উঠতে আরও সহায়তা করে। সে দারুণ একজন ফাস্ট বোলার। বিশেষ করে এই কন্ডিশনে, যেখানে অনেক গরম। আমি ওর চেয়ে বেশি ইনজুরিপ্রবণ ছিলাম।’

