অভিজ্ঞতার পুরস্কার নাহিদার

এশিয়ান গেমস শেষেই টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন বোর্ডকে। নিগার সুলতানা জ্যোতির সেই চাওয়া ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল বিসিবি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জ্যোতি আর নেতৃত্বে থাকছেন না। এই ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে নাহিদা আক্তারকে। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ দলের স্পিন বিভাগ সামলানোর পুরষ্কার পেলেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।
নাহিদার কাঁধে নেতৃত্ব ওঠায় প্রথমবারের মতো ভিন্ন সংস্করণে আলাদা অধিনায়কের যুগে প্রবেশ করল দল। এই ফরম্যাটে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন সোবহানা মোস্তারি। ওয়ানডের নেতৃত্বে থাকছেন নিগারই।
এই সংস্করণে বাংলাদেশের পঞ্চম অধিনায়ক নাহিদা। সালমা খাতুন, জাহানারা আলম, নিগার সুলতানা ও রোমানা আহমেদের উত্তরসূরি হলেন তিনি।
গত মাসে এশিয়া কাপ ব্যর্থতার পর নিগার টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব ছাড়ার ইচ্ছা জানান। পরে এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। প্রথমবার কোনো পদক ছাড়াই আসর শেষ করে বাংলাদেশ।
২০২৩ সাল থেকেই ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নাহিদা। থাইল্যান্ডে আগামী মাসে আইসিসি উইমেন'স ইমার্জিং নেশন্স ট্রফি খেলবে বাংলাদেশ। 'বি' গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে, থাইল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তান। ১২ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্ট দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে শুরু হবে নাহিদার নেতৃত্ব।
বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার আগেই সামাজিক মাধ্যমে নাহিদাকে শুভেচ্ছা জানান নিগার। দলের প্রতি নিজের নিবেদনের কথাও জানান তিনি, ‘টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদাকে আন্তরিক অভিনন্দন। নতুন এই দায়িত্বে তার জন্য রইল অনেক শুভকামনা। বিশ্বাস করি, সে নিজের সামর্থ্য ও নেতৃত্ব দিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যতটুকু সহযোগিতা করা সম্ভব, তা করতে আমি সবসময় প্রস্তুত। আমরা একসঙ্গে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছি। সামনে বাংলাদেশের জার্সিতে একসঙ্গে আরও অনেক সাফল্যের গল্প লিখতে চাই।”
সাদা বলের দুই সংস্করণেই বাংলাদেশের ধারাবাহিক পারফর্মারদের একজন নাহিদা। প্রায় ১১ বছরের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১১৩ টি-টোয়েন্টিতে তার শিকার ১৩২ উইকেট। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের একমাত্র বোলার হিসেবে একশ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।



