২ রানে ৬ উইকেট এবং ৬৫ বলে ১৬৪ রানের জোড়া বিশ্বরেকর্ড

একই দিনে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রুয়ান্ডার হামজা খান ও বতসোয়ানার নাবিল মাস্টার।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একই দিনে দেখা গেল জোড়া বিশ্বরেকর্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সাব-রিজিওনাল আফ্রিকা কোয়ালিফায়ারের দুটি ভিন্ন ম্যাচে ব্যাট ও বল হাতে ইতিহাস গড়েছেন রুয়ান্ডার হামজা খান এবং বতসোয়ানার নাবিল মাস্টার। একদিকে রুয়ান্ডার ব্যাটারের ব্যাট থেকে এসেছে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস, অন্যদিকে বতসোয়ানার মিডিয়াম পেসার গড়েছেন সবচেয়ে কিপটে বোলিংয়ে ৬ উইকেট নেওয়ার কীর্তি।
গতকাল রবিবার বতসোয়ানার রাজধানী গ্যাবোরোনের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ওভাল মাঠে এই অবিশ্বাস্য দুটি রেকর্ড তৈরি হয়। গ্রুপ ‘এ’ র ম্যাচে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো তাণ্ডব চালান রুয়ান্ডার ওপেনার হামজা খান। মাত্র ৬৫ বলে অপরাজিত ১৬৪ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ৯টি চার ও ১৫টি বিশাল ছক্কার মার।
এই ইনিংসের মাধ্যমে আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশের কোনো ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের বিশ্বরেকর্ড গড়লেন হামজা। তিনি ভেঙেছেন স্পেনের মোহাম্মদ ইহসানের (১৬০ রান) রেকর্ডটি। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের (১৭২ রান) পরে এটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।
হামজার সেঞ্চুরি এবং অপর ওপেনার দিদিয়েরের ৬৯ রানের ওপর ভর করে রুয়ান্ডা ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২৮৮ রানের পাহাড় গড়ে। রান পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে আইভরি কোস্ট জবাবে ১৫.২ ওভারে মাত্র ১৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়। রুয়ান্ডা ম্যাচটি জেতে ২৭১ রানের বিশাল ব্যবধানে।
একই মাঠে মালি ও বতসোয়ানার মধ্যকার দিনের অপর ম্যাচে বল হাতে অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েন নাবিল মাস্টার। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বতসোয়ানার বোলারদের তোপের মুখে মাত্র ২৪ রানেই গুটিয়ে যায় মালি। প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটের মধ্যে ৬টি একাই শিকার করেন বতসোয়ানার ডানহাতি মিডিয়াম পেসার নাবিল মাস্টার। তার বোলিং ফিগার ছিল চোখ কপালে তোলার মতো- ২.৪ ওভার, ১ মেডেন, ২ রান, ৬ উইকেট!
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে কম রান দিয়ে ৬ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড এখন নাবিলের। তিনি ভেঙে দিয়েছেন সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদ্বাজের (৩ রানে ৬ উইকেট) আগের রেকর্ডটি। নাবিল তার ৬টি উইকেটই নিয়েছেন টানা জোড়ায় জোড়ায়। হ্যাটট্রিকের সুযোগ থাকলেও তিনি পারেননি। নাবিলের এই রেকর্ড বোলিংয়ের সৌজন্যে বতসোয়ানা ম্যাচটি অনায়াসেই জিতে নেয়।








