মহাকাশ অভিযানে চীনের ৩ নভোচারী

ছবি: রয়টার্স
মহাকাশ কর্মসূচিতে নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে চীন। তিন নভোচারীকে নিয়ে শেনঝৌ-২৩ মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করেছে দেশটি। এ অভিযানে একজন নভোচারী টানা এক বছর মহাকাশ স্টেশন তিয়াংগংয়ে অবস্থান করবেন, যা চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মানব মহাকাশ মিশন।
রবিবার রাতে উত্তর-পশ্চিম চীনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে লং মার্চ-২এফ ওয়াই২৩ রকেটের মাধ্যমে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এতে ছিলেন কমান্ডার ঝু ইয়াংঝু, পাইলট ঝাং ইউয়ানঝি এবং পে-লোড বিশেষজ্ঞ লি জিয়াইং। হংকংয়ের প্রথম নভোচারী হিসেবে চীনের মহাকাশ মিশনে অংশ নিলেন লি জিয়াইং। আগে হংকং পুলিশের পরিদর্শক ছিলেন তিনি।
চীনের মহাকাশ সংস্থা বলছে, তিন নভোচারীর মধ্যে একজনকে এক বছর রাখা হবে মহাকাশে। তবে কে দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন, তা নির্ধারণ করা হবে পরে। এই দীর্ঘমেয়াদি মিশনের মাধ্যমে মহাকাশে মানুষের শরীরের ওপর দীর্ঘ সময়ের প্রভাব নিয়ে চলবে গবেষণা।
২০৩০ সালের মধ্যে মানুষকে চাঁদে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে চীন। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই শেনঝৌ-২৩ মিশনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই অভিযানে প্রথমবারের মতো পরীক্ষা করা হবে তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় দ্রুত ডকিং প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানে।
চাঁদে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বর্তমানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাড়ছে প্রতিযোগিতা। ২০২৮ সালে মানুষকে আবার চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা। অন্যদিকে ২০৩০ সালের মধ্যে নিজেদের চন্দ্র মিশন সফল করতে চায় চীন।






