Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ক্রিকেট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয়েছিল জাতীয় পতাকা

ক্রীড়া ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১১:৪৯
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয়েছিল জাতীয় পতাকা

সংগৃহীত ছবি

ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৪ দশমিক ১১ কেজি বর্জ্য উৎপাদিত হয়েছিল। চমকপ্রদ তথ্য হলো, গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের তুলনায় এবার প্রায় সাত গুণ বেশি বর্জ্য তৈরি হয়েছে। পুরুষ বিশ্বকাপে দর্শকসংখ্যা নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের চেয়ে ২ দশমিক ৪ গুণ বেশি ছিল। কীভাবে এই বিপুল বর্জ্য সামাল দিয়েছিলেন আয়োজকেরা?

ক্রিকেট মাঠে এই বিশাল পরিমাণ আবর্জনা সামাল দিতে আইসিসি একাধিক অংশীদার— যেমন আনন্দনা, দ্য কোকা-কোলা ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, একসাথ ও গ্রিনমাইনার সঙ্গে যৌথভাবে 'ময়দানসাফ’ নামে একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে। ভারতের পাঁচটি আয়োজক শহরে এই কার্যক্রম চালানো হয়।

গ্রিনমাইনার তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গড়ে ৮৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ বর্জ্য আলাদা করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে ৯৪ হাজার ১ কেজি বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা গেছে। পাশাপাশি প্রায় ৯ লাখ ৩২ হাজার দর্শককে পরিবেশ সচেতনতা অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে।

আইসিসি এবং গ্রিনমাইনার পরিসংখ্যানগত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মূল চ্যালেঞ্জগুলো উঠে এসেছে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সময়। একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাত্র তিন-চার ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ফলে স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কার্যকরভাবে ময়লা আলাদা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পান না। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মূলত দুটি সুনির্দিষ্ট সময়ে বর্জ্যের পাহাড় জমে— একটা ইনিংসের বিরতিতে এবং অন্যটি খেলা শেষে যখন দর্শকেরা একসঙ্গে মাঠ ছাড়েন। সংক্ষিপ্ত সময়ে এই চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সবচেয়ে বেশি ৪৪ হাজার ১২৭ কেজি বর্জ্য উৎপাদিত হলেও এখানে শতভাগ বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো ময়লা ল্যান্ডফিলে ফেলতে হয়নি। বিনামূল্যে পানি পানের জন্য ২০ লিটারের পুনর্ব্যবহারযোগ্য ক্যান এবং হসপিটালিটি পার্টনারদের নিজস্ব উদ্যোগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। বর্জ্য উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ছিল মুম্বাই (২৪ হাজার ৩২৩ কেজি)। অন্যদিকে চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে ১ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে শতভাগ বর্জ্য আলাদা করার রেকর্ড হয়েছে। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে হসপিটালিটি টিম থেকে বেঁচে যাওয়া ১৫০টি খাবারের প্লেট 'রবিনহুড আর্মি'র মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বিতরণ করে অপচয় কমানো হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল কলকাতা। ইডেন গার্ডেন্সে বর্জ্য আলাদা করার হার ছিল সবচেয়ে কম— মাত্র ৪৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। তবে সেখানে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বলে জানিয়েছে গ্রিনমাইনা।

এবারের টুর্নামেন্টে সংগৃহীত ড্রাই ওয়েস্ট বা শুকনো বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ৫১ হাজার ৪২০ কেজি। এর বাইরে ১৭ হাজার ২৬০ কেজি ভেজা বর্জ্য থেকে জৈবসার তৈরি করা হয়েছে। আর যেসব বর্জ্য রিসাইকেল করা যায় না, সেগুলো সিমেন্ট কারখানায় রিফিউজ-ডিরাইভড ফুয়েল বা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, স্টেডিয়াম থেকে সংগৃহীত পিইটি প্লাস্টিক বোতল রিসাইকেল করে তা দিয়ে ম্যাচ ডে-তে ব্যবহারের জন্য ভারতের জাতীয় পতাকা তৈরি করা হয়েছিল। এ ছাড়া ওয়ান টাইম প্লাস্টিক বর্জন করতে দর্শকদের জন্য টেকসই এবং সংগ্রহে রাখার মতো মেমেন্টো কাপের ব্যবস্থা করা হয়। ভারতের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা পর্বেও দুই টন প্লাস্টিক বোতল এবং ৬৫০ কেজি অ্যালুমিনিয়াম ক্যান সংগ্রহ করা হয়েছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise