৬ উইকেট নিয়ে ব্যাটারদের মনে সাহস জোগালেন শরিফুল

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ম্যাকাইয়ের পিচ পেসারদের দারুণ সুবিধা দিচ্ছে। যে কারণে ১০১ রানে এগিয়ে থাকাও এমন পিচে বিশাল ব্যাপার। টেস্টের প্রথম দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ওই ব্যবধানেই বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। তাই বলে ম্যাচ থেকে এখনই আশা ছাড়ছেন না পেসার শরিফুল ইসলাম। তার বিশ্বাস, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচে ফেরার সুযো আছে বাংলাদেশের।
প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের দিনটা খুব বাজে কেটেছে। পরে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়াকেও স্বস্তিতে থাকতে দেননি বাংলাদেশ পেসার শরিফুল ইসলাম। টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানে দিন শেষ করে। এই টেস্টের প্রথমদিনই পতন হল ১৮ উইকেটের। মিচেল স্টার্কের পর বাংলাদেশের শরিফুলও নিয়েছেন ইনিংসে ৬ উইকেট।
বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ রান ছিল শরিফুলের ১৪। আবার বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস নাড়িয়ে দিয়েছেন ৬ উইকেট নিয়ে। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইনিংসে ৫ বা তার বেশি উইকেট শরিফুলের। কিছুদিন আগে দেশের মাটিতে ওয়ানডেতেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেট নেওয়ার কীর্তি ছিল তার।
বল হাতে দারুণ একটি দিন কাটিনো শরিফুল দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটারদের সাহস যোগাবে। সেই ভরসায় ১০১ রানে পিছিয়ে থেকে শরিফুল তাকিয়ে ব্যাটারদের দিকে, ‘এখনো তো খেলা শেষ হয়নি, প্রথম দিন শেষ হয়েছে। ব্যাটিংয়ে আজকে আমাদের একটু খারাপ দিন ছিল। কিন্তু ওরাও ব্যাটিংয়ে কঠিন সময় পার করেছে, অনেক সংগ্রাম করছে। আমরা এখনো ম্যাচেই আছি। ইনশাআল্লাহ আমরা চেষ্টা করব দ্বিতীয় ইনিংসটা যেন আমাদের ভালো হয়।’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যক্তিগত সাফল্য নিয়ে খুব বেশি উচ্ছ্বসিত নন বাঁহাতি এই পেসার। বরং দলের জয়কেই তিনি নিজের ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বড় করে দেখছেন।
শরিফুল বলেছেন, ‘পাঁচ উইকেট পেয়েছি, এতে আমি এখন খুব বেশি উচ্ছ্বসিত না। যদি ম্যাচ জিতি, তবে তার চেয়ে অনেক বেশি খুশি হব। চেষ্টা করব আমরা যাতে দলগতভাবে খেলি এবং ম্যাচটা কোনোভাবে বের করে আনতে পারি। ড্রেসিংরুমে একটা বার্তা ছিল—এখনো খেলা শেষ হয়নি, আমাদেরও সময় আসবে।’






