পেস বোলিংয়েই ভরসা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ব্যাটিং সহায়ক উইকেট বেছে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে মূল সিরিজের ভেন্যু মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটের সঙ্গে এই উইকেটের কোনো মিল নেই। ফলে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে খেলার পর মিরপুরে ভিন্ন কন্ডিশনই পেতে যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
মিরপুরের উইকেট কেমন হবে, তা নিয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছু বলেননি প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। প্রস্তুতি ম্যাচ দেখতে গিয়ে অন্তত এটুকু নিশ্চিত করেছেন, ঘরের মাঠে স্পিননির্ভর উইকেট বানিয়ে এক পেসার খেলানোর পুরনো কৌশলে ফিরবে না বাংলাদেশ।
হাবিবুল বলেছেন, ‘বাংলাদেশ আর কখনোই অতীতে ফিরবে না। ২-০ তে জেতা আমাদের অবশ্যই দরকার। কিন্তু এখন থেকে বাংলাদেশের টেস্টে পেস শক্তির একটা ব্র্যান্ড তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সে পরিকল্পনা নিয়েই খেলবে।’
সেই পরিকল্পনাতেই তো টেস্টে দারুণ পরিবর্তিত দল এখন বাংলাদেশ। পাকিস্তানে নাহিদ রানা, দেশের মাটিতেও তাদের বিপক্ষে রানার ঝড় এবং অস্ট্রেলিয়ায় তাকে ছাড়াই হাসান মাহমুদ, শরিফুলদের গতির ঝলক দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। উইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে স্পোর্টিং উইকেটে আবারও এই ঝড় উঠবে।
মিরপুরে উইকেট যেমনই হোক, তিন পেসার নিয়ে একাদশ সাজানোর সম্ভাবনাই বেশি বাংলাদেশের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে পেস আক্রমণের ধারাবাহিকতাই এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ।
উইন্ডিজের সঙ্গে নিজেদের ছক কাজে লাগিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে। সেদিক থেকে চাইলে স্পিননির্ভর উইকেটও বানাতে পারে বাংলাদেশ। ২-০ তে সিরিজ জিতলে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স পার্সেন্টেজ অনেকটা বেড়ে যাবে।



