হাসানে আশা ব্যাটিংয়ে আশঙ্কা

পেস বোলার হাসান মাহমুদ
ডারউইনে পেস বোলার হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ মিলে যতটা আশা জাগাচ্ছেন, ঠিক ততটাই শঙ্কা জাগাচ্ছেন টপঅর্ডার ব্যাটাররা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতেই বিদায় নিয়েছেন সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ একাদশের সংগ্রহ ৫ ওভারে ২ উইকেটে ১৯ রান। ৬ রান করে আউট হয়েছেন সাদমান ইসলাম, একই রানে আউট মুমিনুল হকও। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া একাদশ অলআউট হয়েছে ৩৫৫ রানে, ৪ উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ আর ২ উইকেট করে নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
নাহিদ রানা গতির ঝড়ে প্রতিপক্ষকে যতটা আতঙ্কে রাখেন, টেস্টে হাসান মাহমুদ ঠিক ততটাই তটস্থ রাখেন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে। এক লাইনে টানা বল করে যাওয়া, নিয়ন্ত্রিত সুইং, ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি; সব মিলিয়ে পার্টনারশিপ বোলিংয়ের জন্য হাসান মাহমুদ একপ্রান্তে নিশ্চিত নির্ভরতা। জুলাইয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে, সেখানে তিনটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলে অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখেছেন হাসান। লাল-সাদা-লাল, বলের তারতম্য হলেও হাসানের উইকেট তুলে নেওয়ার অভ্যাসে ছেদ পড়েনি। সবশেষ টি-২০ ম্যাচে উইকেট না পেলেও অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ইনিংসেই তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের প্রথম চার ব্যাটারের তিনজনই হাসানের শিকার। টেস্ট খেলা স্যাম কনস্টাসের উইকেটটা নিয়েছেন হাসানই, অমিত হাসানের ক্যাচে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা থাকা আরেক ব্যাটার জশ ফিলিপে ও আরেক টেস্ট ব্যাটার কার্টিস প্যাটারসনকেও আউট করেছেন হাসান। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, যখনই কোনো জুটি বড় হচ্ছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের; হাসান তখনই সাফল্য এনে দিয়েছেন। ১ রানেই ২ উইকেট চলে যাওয়ার পর ৫০ রানের জুটি হয় কার্টিস ও ফিলিপের মাঝে, ইনিংসের ১৩.২ ওভারে ফিলিপকে আউট করেন হাসান। এরপর কার্টিসের সঙ্গে সেঞ্চুরি করা টিজু ওয়েইলির জুটিটা বড় হওয়ার সময়ও ৫৩ রান করা কার্টিসকে বোল্ড করেছেন বাংলাদেশের এই ডানহাতি পেসার। লেজটাও ছেঁটেছেন কোরি রোচ্চলিকে আউট করে।
তাসকিন দ্বিতীয় দিনের খেলায় নিয়েছেন ১ উইকেট, হান্নো জ্যাকবসকে করেছেন বোল্ড। ২ উইকেট মিরাজের আর একটি করে উইকেট এবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদের।




