শিক্ষা ক্যাডার নিয়ে ডিসিইউ ভিসির বক্তব্যকে ‘সাহসী’ বললেন ঢাবি অধ্যাপক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম। (বাঁ থেকে)
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের বক্তব্যকে ‘সঠিক ও সাহসী’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন।
আজ শনিবার সকালে ফেসবুকে এক পোস্টে ঢাবি অধ্যাপক মামুন ডিসিইউ উপাচার্যের অধ্যাপক নুরুল ইসলামের প্রতি এমন সমর্থনের কথা জানান।
ফেসবুক পোস্টে ঢাবি অধ্যাপক মামুন লিখেছেন, বাংলাদেশের কোনো উপাচার্য এমন সাহসী বক্তব্য রাখতে পারেন, এমন নজির খুব কম।
ড. মামুন বলেছেন, শুধু কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করলেই হয় না। দরকার মানসম্পন্ন শিক্ষক, গবেষণার পরিবেশ ও মুক্তচিন্তার জায়গা।
তিনি মনে করেন, প্রশাসনিক কাঠামো বদলালে প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় হয় না, শিক্ষকের গুণেই বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা পরিচিতি পায়।
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হতে পারেন না। শিক্ষা ক্যাডার পরিচয় থাকলে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়, যা মুক্তচিন্তা ও গবেষণায় বাধা দেয়। একজন শিক্ষকের জ্ঞানচর্চা উন্মুক্ত ও গভীর হওয়া উচিত’, যোগ করেন ঢাবি অধ্যাপক মামুন।
পিএইচডি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পিএইচডি থাকা কাম্য। তবে শিক্ষা ক্যাডারদের মধ্যে যাদের মানসম্মত পিএইচডি ও যোগ্যতা আছে, তাদের বাছাই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু নিয়োগের পর মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোনো অফিসিয়াল সম্পর্ক রাখা উচিত নয়। তখন তিনি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
এর আগে শুক্রবার ইউজিসির হিট প্রকল্পের সংলাপে ডিসিইউ উপাচার্য বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও ঢাবির সাত কলেজে শিক্ষা ক্যাডাররা পড়ান। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তা-চেতনা ও গবেষণার সক্ষমতা সবার আছে কি না, সেটি ভাবা দরকার।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত সাত কলেজ শিক্ষকদের নিয়ে তিনি বলছিলেন, বিশেষ করে সাত কলেজের শিক্ষা ক্যাডারদের কী কাঠামোয় আনা হবে, তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।







