কোরআনের বার্তা
প্রকৃত ঈমানদাররা গুজবে কান দিতে পারেন না
- গুজব ছড়ানো মারাত্মক গোনাহ

সংগৃহীত ছবি
কোরআনুল কারিমের বার্তা
সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ০৬
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِن جَآءَكُمْ فَاسِقُۢ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوٓاْ أَن تُصِيبُواْ قَوْمَۢا بِجَهَـٰلَةٍ فَتُصْبِحُواْ عَلَىٰ مَا فَعَلْتُمْ نَـٰدِمِينَ
অনুবাদ:
হে ঈমানদারগণ! যদি কোনো পাপাচারী তোমাদের নিকট কোনো বার্তা আনয়ন করে, তাহলে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে; যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়কে আঘাত না করো এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হও।
সুরা হুজুরাতের এ আয়াতটিতে অতি গুরুত্বপূর্ণ এমন একটি নীতি বর্ণনা করা হয়েছে, যা ব্যক্তি ও সমাজজীবনের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। এখনে দৃঢ়তার সহিত ঘোষণা করা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তি এবং দায়িত্বশীলের জন্য আবশ্যক হচ্ছে; তাদের কাছে কোনো সংবাদ আসলে সেটি যাচাই করে নেওয়া। বিশেষ করে চরিত্রহীন ও সমাজে ফেতনা সৃষ্টিকারী লোকদের প্রচার করা কোনো সংবাদ কিছুতেই যাচাই না করে বিশ্বাস করার অবকাশ নেই। কারণ গুজব বা ভুল তথ্য এমন ভয়াবহ অপকর্ম, যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা মুহূর্তেই বিনষ্ট করে দিতে পারে। সে কারণেই পবিত্র কোরআন গুজব বা ভুল তথ্য ছড়ানোর পথকে রুদ্ধ করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রাপ্ত সংবাদ প্রথমে যাচাই করে দেখার নির্দেশনা প্রদান করেছে। যাতে ভুল বুঝে কারো বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়। আর তার জন্য পরক্ষণে নিজেরই বিব্রত হতে হয়।

