হজ কার্যক্রমে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি

সংগৃহীত ছবি
আগামী বছরের হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭০২টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। অনুমতি পাওয়া এসব এজেন্সিকে পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গঠন করতে হবে গ্রুপ বা অ্যালায়েন্স।
সবশেষ গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয় এই এজেন্সিগুলোকে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে সৌদি আরবে কথা রয়েছে হজ হওয়ার। এবার বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে সৌদি আরব।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হবে হজের নিবন্ধন। নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
প্রকাশিত তালিকায় থাকা কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন না করলে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা। তবে প্রাক-নিবন্ধনকে এক্ষেত্রে নিবন্ধন হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। সৌদি সরকারের নির্ধারিত এজেন্সিপ্রতি ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে বা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলে ওই এজেন্সি অথবা লিড এজেন্সি সৌদিতে পাঠাতে পারবে হজযাত্রী। এজন্য হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে ই-হজ সিস্টেমে ঘোষিত প্যাকেজ অনুযায়ী।
প্যাকেজটিই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে বিবেচিত হবে চুক্তিপত্র হিসেবে। এতে বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব ও প্যাকেজের মূল্য।
প্রত্যেক এজেন্সিকে ন্যূনতম নিবন্ধন করতে হবে ৪৪ জন হজযাত্রী। একজন গাইডের জন্য নির্ধারিত এই সংখ্যক হজযাত্রী পূরণ করতে পারলে সমন্বয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে এজেন্সিটি। অন্যথায় লিড এজেন্সির আওতার অন্য কোনো এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে তাদের হজ পালন।
প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য নিয়োগ দিতে হবে আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তিতে জ্ঞানসম্পন্ন ও হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ একজন হজ গাইড। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তথ্য দিতে হবে তার পাসপোর্ট ও হজ পরিচালনার অভিজ্ঞতার।
এদিকে অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে নেওয়া যাবে না সৌদি আরবে। কোনো এজেন্সি এমন উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই লাইসেন্স বাতিলসহ নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা।



