ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : নানা অভিযোগ নিয়ে ইসিতে জামায়াত

নির্বাচন ভবনে আজ রবিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। ছবি: জামায়াতে ইসলামী
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের মাঠের অবস্থা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নালিশ জানালো প্রধান বিরোধী দল জামায়োতে ইসলামী।
সেখানে আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি ভোটারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দলটির অভিযোগ। স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে তারা।
সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণের চার দিন আগে আজ রবিবার জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল অভিযোগ নিয়ে ঢাকায় নির্বাচন ভবনে যায়। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা।
বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। সব প্রক্রিয়া সেরে আগামী ২৯ অক্টোবর হবে ভোটগ্রহণ।
এই উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী করেছে মির্জা ফখরুলের ভাই মির্জা ফয়সাল আমিনকে। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন দেলাওয়ার হোসেন, যিনি গত ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের কাছে হেরেছিলেন।
ইসিতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জামায়াত বলেছে, আসনটিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটার ও সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তৈরি হচ্ছে ভীতিকর পরিবেশ।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের নানা ঘটনা তুলে ধরেছে জামায়াত। এর মধ্যে রয়েছে- সরকারি দলের প্রার্থীর পক্ষে রঙিন প্রতীক ব্যবহার, নির্ধারিত সময়ের আগে মাইক ব্যবহার, বিভিন্ন ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সরকারি চিকিৎসকদের ব্যবহার করে ভোটারদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া ইত্যাদি।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেও নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে জামায়াত জানিয়েছে, একটি মসজিদে সোফা সেট স্থাপন করে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচারও চালানো হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল। দাবি করা হয়েছে, তিনি অর্থের বিনিময়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন এবং নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে সেই অবস্থান প্রকাশও করেছেন।
এসব বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে জামায়াতের দাবি। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে নালিশ জানিয়েছে তারা।



