জ্বালানিসংকট মোকাবিলা
সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিলে সহযোগিতা করবে জামায়াত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চলমান জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সরকার, বিরোধী দল, জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি এনার্জি সেল’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস ও জ্বালানি অবকাঠামোর সংস্কার করতে নির্দিষ্ট আর্থিক সীমার মধ্যে পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের পরিচালনা পর্ষদকে অনুমোদনের ক্ষমতা দেওয়ার সুপারিশও করেছে দলটি।
গতকাল রবিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।
সংকট থেকে উত্তরণে নতুন করে দীর্ঘসূত্রতা না করে বিদ্যমান প্রস্তাবগুলোকে ভিত্তি করে দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু করা প্রয়োজন, মনে করেন জামায়াতের এ নেতা। সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জামায়াতের দেওয়া প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে— জ্বালানি খাতের অংশীজনদের নিয়ে ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি এনার্জি সেল’ গঠন, নির্দিষ্ট আর্থিক সীমার মধ্যে জরুরি ওয়ার্কওভার ও সংস্কারকাজের অনুমোদন ক্ষমতা পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের পরিচালনা পর্ষদকে দেওয়া, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাব্য সময় ও বিদ্যুতের ট্যারিফ জনগণের সামনে প্রকাশ এবং জরুরি দরপত্র মূল্যায়নে স্থায়ী ব্যবস্থা চালু করা। এ ছাড়া অগ্রাধিকার পাওয়া প্রকল্পগুলোর জন্য একক তদারকি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। কোন প্রকল্পের ফাইল কোথায় এবং কত দিন ধরে আটকে আছে, সেই তথ্য নিয়মিত প্রকাশেরও সুপারিশ করা হয়েছে।
জ্বালানিসংকটের সমাধানে সরকারকে বিরোধী দল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার আহ্বান জানিয়ে গোলাম পরওয়ার আরও বললেন, ‘সরকার, বিরোধী দল, পেট্রোবাংলা, বাপেক্স, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী এবং স্বাধীন জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’






