Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজনীতি

আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৪০
আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। ছবি : সংগৃহীত

কারাগার ও রিমান্ডে থাকাকালে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। তার দাবি, শরীরে অন্তত ৭০ থেকে ৮০টি অজ্ঞাত ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশ অবশ হয়ে গেছে।

আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। নিজের শারীরিক অবস্থা এবং কারাগার ও রিমান্ডে থাকার সময়ের বিভিন্ন ঘটনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সারোয়ার তুষার এবং দলের স্বাস্থ্য, মানবাধিকার ও আইন সেলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তানভীরের দাবি, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কারাগার ও রিমান্ডে তাকে চরম নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনের বিষয়টি বাইরে প্রকাশ করলে পরিবারের সদস্যদের গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকি উপেক্ষা করেই সত্য তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন বলে জানান তানভীর। তার ভাষ্য, জীবনের ঝুঁকি থাকলেও তিনি কাউকে ভয় পান না।

তানভীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে সরকারের মধ্যে খুনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলের কালো ছায়া আগের মতোই হুবহু রয়ে গেছে। জেলে গিয়ে আমি তার প্রমাণ পেয়েছি।’

তানভীরের অভিযোগ, কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করা হয়। তিনি জানান, ২ আগস্ট সাইবার সুরক্ষা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ৫ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বগুড়া সদর থানা বিএনপির সভাপতি এইচ এস মাফুতুন আহমেদ খান ওই মামলার বাদী বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলন। ছবি : সংগৃহীতগ্রেপ্তারের পর বগুড়া কারাগারের একটি সেলে তাকে রাখা হয়। তার দাবি, সেলটি ছিল অপরিচ্ছন্ন। সেখানে আলো-বাতাসের ব্যবস্থা ছিল না। বিদ্যুৎ বা ফ্যানও ছিল না।

কারাগারে খাবার নিয়েও অভিযোগ করেন তানভীর। তার দাবি, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে অন্যদের ভালো খাবার দেওয়া হলেও তাকে দুই দিনের পুরোনো ও পচা খাবার দেওয়া হয়।

নিয়মিত এমন খাবার দেওয়ায় একপর্যায়ে তিনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। পরে তাকে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসক যে ওষুধ লিখে দিয়েছিলেন, তা তাকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তানভীর। তার দাবি, পরিবর্তে তাকে অজ্ঞাত ওষুধ খাওয়ানো হয়।

শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি অসংখ্য ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তানভীর। তিনি বলেছেন, ‘আমার শরীরে অসংখ্য ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে। এসব কীসের ইনজেকশন তা আমি জানি না। অন্তত ৭০-৮০টি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে আমাকে।’

একদিন হাত-পা কাঁপতে থাকলে একজন চিকিৎসক এসে তাকে ইনজেকশন দেন। এরপর তার ডান হাত ও ডান পা অবশ হয়ে যায় বলে দাবি করেন তানভীর।

পরে তাকে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে স্ট্রোক হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন বলে দাবি তার। তবে কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অস্বীকার করে বলে জানান তানভীর।

হাসপাতালে তার সিটি স্ক্যান করা হলেও রিপোর্টে কী এসেছে, তা তাকে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে এমআরআই করার কথা বলা হয়। তানভীরের ভাষ্য, হাসপাতালের এমআরআই মেশিন নষ্ট থাকার কথা জানানো হলেও তাকে ওই মেশিনে ঢোকানো হয়।

তার দাবি, মেশিনের ভেতরে থাকা অবস্থায় বিকট শব্দ হয়ে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কোমর থেকে পা পর্যন্ত তাঁর শরীর অবশ হয়ে যায়। তিনি আরও দাবি করেন, ওই অবস্থায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অচেতন ছিলেন।

তানভীর আরও অভিযোগ করেন, একদিন হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি গাড়িতে ওঠেন। তার দাবি, ওই ব্যক্তিরা তাকে নির্যাতন করেন। তাদের একজন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রসঙ্গ তোলেন।

তানভীরের অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা বসুন্ধরা গ্রুপের মালিক আহমেদ আকবর সোবহান ও তার ছেলে আনভীরের নাম উল্লেখ করে তাকে নির্যাতন করেন। এ ছাড়া কারাগারের ভেতরে একটি অন্ধকার কক্ষে নিয়েও তাকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। ছবি : সংগৃহীততার দাবি, নির্যাতনের সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সালাহউদ্দিন আম্মারের নাম উল্লেখ করে বলা হতো, জুলাইয়ের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে এভাবে নির্যাতন করা হবে।

কারাগারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তানভীর। তার দাবি, তাদের অনেকে কারাগারে ভালো অবস্থায় ছিলেন। ফোনে কথা বলতেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎ করতেন। এমনকি রাতে আওয়ামী লীগের নেতাদের গাড়িতে করে বাইরে নিয়ে যাওয়া হতো। পরে ভোরে তাদের কারাগারে ফিরিয়ে আনা হতো বলেও দাবি করেন তানভীর।

নিজের শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘আমার ওপর এতটাই নির্যাতন করা হয়েছে, বর্তমানে আমার প্রস্রাব-পায়খানা ব্যাগে ও প্যাডে করতে হচ্ছে।’

বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলেও জানান তানভীর।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে আদালত তাকে রিমান্ডে পাঠান। বিষয়টি নিয়ে এর আগে সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। এরপর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। তার নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এর আগে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও প্রশ্ন তুলেছিলেন। তানভীরের চিকিৎসার পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড প্রকাশের দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।


আরও পড়ুন

সেই গাজী সালাউদ্দিনকে ফের অব্যাহতি দিল এনসিপি

৩১ জুলাই ২০২৬



রাজনীতিএনসিপিপুলিশ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে