খন্দকার মারুফ
শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা দিকভ্রান্ত জাতির জন্য ছিল সঠিক দিকনির্দেশনা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দিকভ্রান্ত বাঙালি জাতির জন্য সময়োপযোগী ও সঠিক দিকনির্দেশনা ছিল বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তার ভাষ্য, এই ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে মেলবন্ধন ঘটায় এবং যুদ্ধকে আরও বেগবান করে।
শনিবার (৩০ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লার দাউদকান্দি এবং মেঘনা উপজেলায় পৃথক দুটি আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজন করে বিএনপি।
ড. মারুফ বলেছেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও সংগঠক হিসেবে গতিশীল নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা ইতিহাসে অবিস্মরণীয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার ছিলেন। তার দাবি, খাল খনন কর্মসূচি’র মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনেন জিয়াউর রহমান। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল থেকে দেশকে বের করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা জনগণ গ্রহণ করেছিল।
তিনি বললেন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আপোষহীন ভূমিকা রেখেছেন খালেদা জিয়া এবং রাজনৈতিকভাবে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সভাগুলোতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দলীয় নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।






