নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই পথ দেখাচ্ছে : ড. ইউনূস

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছে নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই। নতুন প্রযুক্তি ও সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে আরও ক্ষমতাবান ও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে তরুণদের ভবিষ্যৎ।
ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত এক সংলাপে এসব বলেছেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার প্যারিসের ক্রেডিট এগ্রিকোল ফেডারেশন অডিটোরিয়ামে গ্রামীণ ক্রেডিট এগ্রিকোল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এই সংলাপ। অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন ফ্রান্সের নারী ও সমতা বিষয়ক মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ১৫০ জন উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন ভেরোনিক ফোজো। এতে আলোচনা করা হয় গ্রামীণ ব্যাংকের অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা নিয়ে। বৈষম্য কমাতে প্রযুক্তি ও শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মত দিয়েছেন বক্তারা।
সংলাপে অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে কীভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা যায়। জুলাই অভ্যুত্থানে তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল সামাজিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।
নোবেল বিজয়ী এ অধ্যাপক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই দেখাচ্ছে পথ। প্রযুক্তির প্রসার আরও শক্তিশালী করে তুলবে তরুণদের। ভবিষ্যতে সমাজ ও রাজনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে তারা।
ফরাসি মন্ত্রী অরোরে বের্জে বলেছেন, ফ্রান্সসহ বিশ্বজুড়ে বৈষম্য ও অসমতা এখন পরিণত হয়েছে বড় চ্যালেঞ্জে। তরুণদের, বিশেষ করে নারীদের ক্ষমতায়নের ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আয়োজকদের ভাষ্য, এই সংলাপের উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসে অভিজ্ঞতা বিনিময়।
ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।






