Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের বিপদে ছোটেন খলিল
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজনীতি

মুক্তির স্বপ্ন কোথায় গিয়ে আটকে যায়

সাঈদ জুবেরী
সাঈদ জুবেরী
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮
শেয়ার করুন:
মুক্তির স্বপ্ন কোথায় গিয়ে আটকে যায়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কিছু সিনেমা কেবল গল্প বলে না, অচেনা ইতিহাসের দিকে তাকানোর চোখও তৈরি করে দেয়। উলি এডেলের The Baader Meinhof Complex আমার জন্য তেমনই একটি সিনেমা। এটি দেখতে দেখতে মনে হয়েছিল, আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসেও কি এমন কোনো চরিত্র আছেন, যাদের জীবন, বিশ্বাস, বিদ্রোহ, প্রেম ও পরিণতিকে একই ধরনের প্রশ্নের মধ্য দিয়ে বোঝা যায়?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন কাউকে খুঁজতে গিয়ে প্রথমে সিরাজ সিকদার কিংবা সর্বহারা পার্টি সম্পর্কে আমার ভাসা-ভাসা ধারণার বাইরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। পরে হাতে আসে মহিউদ্দিন আহমদের ‘লাল সন্ত্রাস: সিরাজ সিকদার ও সর্বহারা রাজনীতি’। বইটি পড়তে গিয়ে বাদার-মাইনহফের সঙ্গে সিরাজ সিকদার ও সর্বহারা পার্টির রাজনীতির বেশ কিছু মিল চোখে পড়ল। বিস্ময়ের কারণ শুধু এই মিল নয়; বরং দুই আন্দোলনের অমিলগুলোও আমাকে ভাবিয়েছে। বুঝতে শুরু করলাম, দুই ভিন্ন ভূগোলে, সম্পূর্ণ আলাদা সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জন্ম নেওয়া এই বিদ্রোহগুলোকে একই আন্তর্জাতিক ইতিহাসের ভেতরে রেখে পড়া সম্ভব।

আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকানোর একটা প্রবণতা আছে। আমরা ঘটনাকে দেশের সীমানার মধ্যে রেখে দেখি, চরিত্রগুলোকে স্থানীয় রাজনৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের পরিচয়ে চিহ্নিত করি, তারপর তাদের নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাই। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট অনেক সময় আমাদের আলোচনায় আসে বড়জোর প্রভাবক হিসেবে। অথচ ষাট ও সত্তরের দশকের পৃথিবীকে এভাবে বিচ্ছিন্ন খণ্ডে বোঝা সম্ভব নয়। বার্লিন, প্যারিস, ঢাকা কিংবা কলকাতার তরুণেরা একই রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি ছিলেন না, কিন্তু তাদের অনেকের প্রশ্নের মধ্যে এক ধরনের আত্মীয়তা ছিল। রাষ্ট্র কার? স্বাধীনতার অর্থ কী? পুঁজিবাদী সমাজে মানুষের মুক্তি কোথায়? সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পদ্ধতি কী? প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তি যখন পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তখন তরুণেরা কোন পথে যাবেন?

এই প্রশ্নগুলোই ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভিন্ন রাজনৈতিক ভাষা তৈরি করেছিল। কোথাও ছাত্র আন্দোলন, কোথাও শ্রমিক আন্দোলন, কোথাও জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম, কোথাও মাওবাদী বিপ্লব, কোথাও নগর গেরিলা। সব ধারার লক্ষ্য কিংবা পদ্ধতি এক ছিল না। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার প্রতি গভীর অনাস্থা এবং আমূল পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাদের একটি বৃহত্তর ঐতিহাসিক পরিসরে পাশাপাশি দাঁড় করায়।

সিরাজ সিকদার ও তার লেখা বইয়ের প্রচ্ছদ

মিলের শুরু, অমিলের জায়গা

পশ্চিম জার্মানির রেড আর্মি ফ্যাকশন বা RAF-এর উত্থানকে বুঝতে হলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পশ্চিম জার্মানি, নাৎসি অতীতের সঙ্গে সমাজের হিসাব-নিকাশ, ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন এবং ষাটের দশকের ছাত্রবিদ্রোহের দিকে তাকাতে হয়। আন্দ্রেয়াস বাদার, গুডরুন এনসলিন ও উলরিকে মাইনহফের মতো মানুষের কাছে বিদ্যমান রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থা কেবল সংস্কারের প্রয়োজনীয় কোনো কাঠামো ছিল না; তাদের চোখে তা ছিল এমন এক ব্যবস্থা, যার সঙ্গে আপস করে মুক্তি অর্জন করা সম্ভব নয়। সেই বিশ্বাসের এক পর্যায়ে তারা সশস্ত্র সংগ্রামের পথে যান। RAF-এর রাজনৈতিক যুক্তিতে সশস্ত্র অগ্রবর্তী বাহিনীর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে তার সহিংস চরিত্র প্রকাশে বাধ্য করা এবং বৃহত্তর বিপ্লবী পরিস্থিতি তৈরি করার ধারণা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সেই কৌশল শেষ পর্যন্ত বোমা হামলা, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের রাজনীতিতে পরিণত হয়।

সিরাজ সিকদারের রাজনৈতিক যাত্রার প্রেক্ষাপট ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি এমন এক ভূখণ্ডে রাজনীতি করেছেন, যেখানে জাতীয় মুক্তির প্রশ্নটি কেবল মতাদর্শিক বিতর্ক ছিল না; ছিল রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, জাতীয় অধিকার ও রাজনৈতিক অস্তিত্বের প্রশ্ন। পাকিস্তান আমলে তার বিপ্লবী রাজনীতির বিকাশ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্মের পর তার অবস্থানকে বুঝতে হলে এই ধারাবাহিকতা মাথায় রাখতে হয়। স্বাধীনতার পর তিনি নতুন রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠী ও রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ অব্যাহত রাখেন। অর্থাৎ তার ক্ষেত্রে প্রশ্নটি ছিল দ্বিস্তরীয়: প্রথমে উপনিবেশিত জাতীয় বাস্তবতায় মুক্তির প্রশ্ন, পরে স্বাধীন রাষ্ট্রের ভেতরে শ্রেণিমুক্তি ও সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের প্রশ্ন।

এখানেই তুলনাটির প্রথম বড় অমিল। বাদার-মাইনহফের সংগ্রাম ছিল পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিপ্লবী লড়াই; সিরাজ সিকদারের রাজনীতির প্রথম পর্ব গড়ে উঠেছিল পাকিস্তানি শাসনের অধীন পূর্ব বাংলার বাস্তবতায়। একদিকে ছিল সাম্রাজ্যবাদবিরোধিতা ও সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ধারণা, অন্যদিকে জাতীয় মুক্তি ও শ্রেণিমুক্তিকে একই রাজনৈতিক প্রকল্পে যুক্ত করার চেষ্টা। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নেওয়ার পর সিরাজ সিকদারের রাজনীতি আবার নতুন দ্বন্দ্বের মুখে পড়ে: রাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু তার বিবেচনায় শোষণমুক্তির বিপ্লব সম্পন্ন হয়নি।

এই পার্থক্যকে বাদ দিয়ে দুই আন্দোলনকে একই ছাঁচে ফেলা হবে ইতিহাসের প্রতি অবিচার। কিন্তু পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তুলনাটি জরুরি। কারণ দুই ক্ষেত্রেই প্রশ্ন উঠেছিল, বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা যখন মুক্তির আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ, তখন আমূল পরিবর্তনের জন্য কত দূর যাওয়া যায়? আর সেই পরিবর্তনের নামে সহিংসতার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কে দেয়?

মুক্তির স্বপ্ন কোথায় গিয়ে আটকে যায়

সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের একটি মৌলিক সংকট এখানে। একটি সংগঠন যখন নিজেকে জনগণের মুক্তির অগ্রবর্তী শক্তি হিসেবে কল্পনা করে, তখন ক্রমে সে নিজেকেই জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধি বলে ধরে নিতে পারে। জনগণ কী চায়, কোন পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য, কোন কৌশল ব্যর্থ হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জায়গায় সংগঠনের নেতৃত্ব নিজেই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ হয়ে ওঠে। তখন বিপ্লবের নামে নেওয়া সিদ্ধান্তের জবাবদিহি দুর্বল হয়, ভিন্নমত সন্দেহের চোখে দেখা হয় এবং সহিংসতা হয়ে ওঠে রাজনৈতিক বিশ্বাসের পরীক্ষা।

উলরিকে মাইনহফ ও আন্দ্রেয়াস বাদার

RAF-এর ইতিহাসে এই প্রবণতা যেমন দেখা যায়, সর্বহারা পার্টির ইতিহাসেও সশস্ত্র সংগ্রাম, গোপন সংগঠন ও কঠোর দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য দুই সংগঠনের সাংগঠনিক বাস্তবতা, কর্মকাণ্ডের ধরন ও ঐতিহাসিক পরিণতি এক ছিল না। তুলনার উদ্দেশ্যও তাদের একই অপরাধতালিকায় দাঁড় করানো নয়। বরং বোঝা, মুক্তির একটি মহৎ আকাঙ্ক্ষা কীভাবে এমন রাজনৈতিক পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত সেই মুক্তির নৈতিক ভিত্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

বিপ্লবী রাজনীতির ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রের ভূমিকা ভুলে যাওয়াও বিপজ্জনক। সিরাজ সিকদার ১৯৭৫ সালে পুলিশের হেফাজতে নিহত হন। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা যায়, তার কৌশলের ঐতিহাসিক মূল্যায়ন করা যায়; কিন্তু সেসবের কোনোটিই হেফাজতে মৃত্যুর প্রশ্নকে অপ্রাসঙ্গিক করে না। একইভাবে RAF-এর সশস্ত্র সহিংসতা পশ্চিম জার্মান রাষ্ট্রের কঠোর নিরাপত্তানীতির বাস্তব প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল, কিন্তু রাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপকে শুধু নিরাপত্তার যুক্তিতে বৈধ ধরে নেওয়াও চলে না। বিপ্লবী সহিংসতা এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার—দুটিরই নিজস্ব দায় রয়েছে।

প্রেম, ট্যাবু ও বিপ্লব

লাল সন্ত্রাস নিয়ে বামপন্থী মহলে আলোচনার একটি অংশে সিরাজ সিকদারের ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষত প্রেম ও একাধিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ গুরুত্ব পায়। এই বিতর্কের বিবরণ ও ব্যাখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে। কিন্তু আমার কাছে প্রশ্ন হলো, একজন বিপ্লবীর ব্যক্তিগত জীবনকে বিচার করার মানদণ্ড কী হবে? তার প্রেম, যৌনতা কিংবা সম্পর্কের সংখ্যা কি তার রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের মূল্যায়নে প্রধান মাপকাঠি হয়ে উঠবে? নাকি ব্যক্তিগত জীবনকে দেখতে হবে ক্ষমতার সম্পর্ক, সংগঠনের সংস্কৃতি, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার বৃহত্তর প্রশ্নের সঙ্গে মিলিয়ে?

এখানে বাদার-মাইনহফের সঙ্গে তুলনা আকর্ষণীয়। পশ্চিম জার্মানির ষাটের দশকের পাল্টা-সংস্কৃতি প্রচলিত যৌননৈতিকতা, পরিবার ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের বহু বিধিনিষেধকে প্রশ্ন করেছিল। RAF-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও সেই বৃহত্তর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের বাইরে ছিল না। উলরিকে মাইনহফের অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছিল একজন সিঙ্গেল মায়ের বিপ্লবী সংগঠনে পূর্ণকালীন কর্মী হয়ে ওঠার প্রশ্ন—তার সন্তানের দায়িত্ব কে নেবে? মাতৃত্ব ও বিপ্লবী অঙ্গীকারের দ্বন্দ্ব কীভাবে মীমাংসিত হবে? অন্যদিকে বাদার ও তার প্রেমিকার সম্পর্কও ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা ও বিপ্লবী জীবনের মধ্যকার টানাপোড়েনের বাইরে ছিল না। এসব প্রশ্নকে নিছক ব্যক্তিগত বলে সরিয়ে রাখা যায় না; আবার ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক কমিটমেন্টের একমাত্র পরীক্ষাও বানানো যায় না।

তবে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানির সমাজকে এমন এক সমাজ হিসেবে কল্পনা করা যাবে না, যেখানে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কোনো ট্যাবু, দ্বন্দ্ব কিংবা নৈতিক বিচার ছিল না। সামাজিক স্বাধীনতার পরিসর, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রশ্নে সেই সমাজের বাস্তবতা বাংলাদেশের তৎকালীন বাস্তবতার চেয়ে ভিন্ন ছিল—কিন্তু তা পুরোপুরি ট্যাবুমুক্ত ছিল না। পার্থক্যটি সম্ভবত এই যে, ব্যক্তিগত জীবন ও শরীর নিয়ে প্রচলিত নৈতিকতার প্রশ্ন সেখানে প্রকাশ্য রাজনৈতিক বিতর্কেরও অংশ হয়ে উঠেছিল। প্রেম, যৌনতা, পরিবার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানে শুধু ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দাবি নয়; এর মধ্য দিয়ে সমাজের প্রচলিত ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের কাঠামোকেও প্রশ্ন করা হচ্ছিল।

আর এখানেই শরীরের রাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শরীর কি কেবল ব্যক্তিগত পরিসরের বিষয়, নাকি সমাজ ও রাষ্ট্রের আরোপিত নিয়মেরও ক্ষেত্র? প্রেম কি বিপ্লবী জীবনের বাইরে রাখা কোনো ব্যক্তিগত বিলাস, নাকি ব্যক্তি কীভাবে বাঁচবেন, কাকে ভালোবাসবেন এবং নিজের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবেন—সেই স্বাধীনতারও প্রশ্ন? শরীর যখন নিজের ওপর নিজের অধিকার দাবি করে, তখন তা কখনো কখনো প্রচলিত নৈতিকতা ও সামাজিক কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান হয়ে ওঠে। প্রেম, বিপ্লব আর তারুণ্য তখন কেবল আবেগের বিষয় থাকে না; হয়ে ওঠে নিজের জীবনের ওপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লড়াই। শরীরও তখন একধরনের পল্টন ময়দান—যেখানে ব্যক্তিস্বাধীনতা, সামাজিক বিধিনিষেধ ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার মুখোমুখি দাঁড়ায়।

তবে ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্ন তোলা আর নিজের ব্যক্তিগত আচরণকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে রাখা এক কথা নয়। বিপ্লবী পরিচয় কাউকে সম্পর্কের ভেতরে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসমতা কিংবা অন্যের সম্মতি উপেক্ষা করার দায় থেকে মুক্তি দেয় না। একইভাবে প্রচলিত নৈতিকতার বাইরে থাকা কোনো সম্পর্ককেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনৈতিক বলা যায় না। ব্যক্তিগত জীবনের রাজনৈতিক তাৎপর্য নির্ভর করে শুধু সম্পর্কের ধরন বা সংখ্যার ওপর নয়; নির্ভর করে সেই সম্পর্কে স্বাধীনতা, সম্মতি, সমতা ও কর্তৃত্ব কীভাবে কাজ করছে, তার ওপরও।

তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, ২০২৬ সালে এসে সিরাজ সিকদারের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্ক কেন তার বিপ্লবী রাজনীতির মূল্যায়নে প্রধান জায়গা নেবে? তার রাজনৈতিক দর্শন, সংগঠন নির্মাণ, সশস্ত্র সংগ্রামের কৌশল, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাষ্ট্র সম্পর্কে তাঁর বিশ্লেষণ, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক এবং তার মৃত্যুর ইতিহাস—এসব প্রশ্নের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের আলোচনাও যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সেই আলোচনা যেন সহজ নৈতিক রায়ে পৌঁছানোর শর্টকাট না হয়ে ওঠে; বরং হয়ে উঠুক ব্যক্তি, রাজনীতি, স্বাধীনতা ও ক্ষমতার সম্পর্ক বোঝার দীর্ঘ অনুসন্ধান।

ব্যক্তিগত জীবন রাজনৈতিক ইতিহাসের বাইরে নয়। কোনো নেতার ব্যক্তিগত আচরণ যদি ক্ষমতার সম্পর্ক, সংগঠনের ভেতরে বৈষম্য, সম্মতি কিংবা কর্তৃত্বের প্রশ্ন তৈরি করে, তাহলে তা অবশ্যই আলোচনার বিষয়। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনের নৈতিক কৌতূহল দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাসের কঠিন প্রশ্নগুলোকে আড়াল করাও একধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক এড়ানো। একজন বিপ্লবীর প্রেমের হিসাব মেলাতে গিয়ে তাঁর রাজনীতির হিসাব হারিয়ে ফেললে ইতিহাসের কাছে আমাদের দায় থেকেই যায়।

আমার কাছে আসল প্রশ্নটি তাই সিরাজ সিকদার কতগুলো সম্পর্কে ছিলেন, সেটি নয়; বরং তার রাজনৈতিক চিন্তা ও সংগঠনের বাস্তব চর্চায় ব্যক্তিগত সম্পর্ক, স্বাধীনতা ও ক্ষমতার প্রশ্ন কীভাবে উপস্থিত ছিল। তার রাজনৈতিক দর্শনে ব্যক্তিস্বাধীনতার যে জায়গা ছিল বলে দাবি করা হয়, সংগঠনের বাস্তব জীবনেও কি তার প্রতিফলন ছিল? ব্যক্তিগত সম্পর্কের বয়ান কি তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও চর্চার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। কারণ প্রেম ও ব্যক্তিজীবনকে রাজনীতির বাইরে ঠেলে দেওয়াও ভুল, আবার প্রেমের নৈতিক বিচার দিয়েই বিপ্লবের সমগ্র ইতিহাসের নিষ্পত্তি করাও ভুল। প্রেম, বিপ্লব ও তারুণ্য যখন মাঠে নামে, তখন তাদের সঙ্গে এমন অনেক প্রশ্নও হাজির হয়, যেগুলোকে চিরকাল অনুল্লেখ্য রেখে দেওয়া যায় না।

পৃথিবী বিচ্ছিন্ন ছিল না

এই তুলনার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক সম্ভবত এখানেই। ষাট ও সত্তরের দশকে আজকের মতো ইন্টারনেট ছিল না, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল না, কয়েক সেকেন্ডে পৃথিবীর এক প্রান্তের প্রতিবাদ অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার প্রযুক্তিও ছিল না। তারপরও পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে তরুণদের রাজনৈতিক সংগ্রাম বিচ্ছিন্ন ছিল না। বই, পত্রিকা, অনুবাদ, বিপ্লবী সংগঠনের যোগাযোগ, আন্তর্জাতিক সংহতি, রাজনৈতিক নির্বাসন এবং ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ধারণা ও কৌশল চলাচল করত। ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন, কিউবার বিপ্লব, চে গুয়েভারার গেরিলা তত্ত্ব, মাওবাদী চিন্তা এবং জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের অভিজ্ঞতা বিভিন্ন দেশের তরুণদের রাজনৈতিক কল্পনাকে প্রভাবিত করেছিল।

এই সংযোগ মানে এই নয় যে সব আন্দোলন একই আন্তর্জাতিক কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হতো, কিংবা এক দেশের বিপ্লব অন্য দেশের বিপ্লবের অনুলিপি ছিল। বরং একটি বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হওয়া ক্ষোভ ও আকাঙ্ক্ষা পরস্পরকে চিনতে শিখেছিল। ভূগোল আলাদা ছিল, ইতিহাস আলাদা ছিল, কিন্তু রাজনৈতিক ধারণাগুলো সীমান্ত অতিক্রম করছিল।

সিরাজ সিকদারকে বাদার-মেইনহফের পাশে রেখে পড়ার অভিজ্ঞতা তাই আমাকে একটি বড় সত্যের সামনে দাঁড় করায়: ইতিহাসের আন্তর্জাতিকতা সব সময় প্রত্যক্ষ যোগাযোগের প্রমাণে সীমাবদ্ধ নয়। কখনো কখনো তা বোঝা যায় বিভিন্ন সমাজে একই সময়ের সংকট কীভাবে ভিন্ন ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে, কোন ধারণাগুলো এক ভূগোল থেকে আরেক ভূগোলে গেছে এবং কোথায় স্থানীয় বাস্তবতা সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে।

আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে এই সংযোগ আরও দৃশ্যমান। ইন্টারনেট, স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের প্রতিবাদকে দ্রুত দৃশ্যমান করে। কিন্তু প্রযুক্তি সংযোগ তৈরি করলেই রাজনৈতিক ঐক্য তৈরি হয় না। ফ্রান্সে শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তরুণদের আন্দোলন, আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, ইন্দোনেশিয়ায় পরিবেশ ও জীবনযাত্রার সংকট নিয়ে ছাত্রদের প্রতিবাদ—এসবের দাবিদাওয়া ও রাজনৈতিক বাস্তবতা এক নয়। তবু এগুলো দেখায়, ভিন্ন সমাজে তরুণেরা শিক্ষা, ভবিষ্যৎ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে ক্ষমতাকাঠামোর মুখোমুখি হচ্ছে।

তবে আজকের তরুণদের রাস্তায় নামা মানেই তারা ষাটের দশকের বিপ্লবীদের উত্তরসূরি, এমন নয়। বর্তমানের অধিকাংশ আন্দোলনকে RAF-এর মতো সশস্ত্র বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে এক কাতারে রাখা হবে গুরুতর ভুল। আন্দোলনের দাবি, সাংগঠনিক কাঠামো, সহিংসতার প্রশ্ন এবং রাজনৈতিক লক্ষ্য আলাদা করে দেখতে হবে। মিলটি বরং অন্য জায়গায়: বিদ্যমান ব্যবস্থা যখন তরুণদের একটি অংশের কাছে ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি হারায়, তখন তারা নতুন রাজনৈতিক ভাষা ও প্রতিবাদের পথ খুঁজতে শুরু করে।

ইন্টারনেটের যুগে আমরা সেই প্রতিবাদ দ্রুত দেখতে পাই। কিন্তু ক্ষোভ, অনিশ্চয়তা, প্রতিষ্ঠিত রাজনীতির প্রতি অনাস্থা এবং অন্যরকম ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা—এসবের ইতিহাস ইন্টারনেটের চেয়ে অনেক পুরোনো। প্রযুক্তি বদলেছে; মানুষের রাজনৈতিক প্রশ্নগুলো পুরোপুরি বদলে যায়নি।

ফ্রান্সে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের নেতৃত্বে তরুণরা। ছবি: রয়টার্স

ইতিহাসের সঙ্গে সংলাপ

সিরাজ সিকদার ও বাদার-মাইনহফের তুলনা করতে গিয়ে আমি তাদের এক করে ফেলতে চাই না। তাদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, মতাদর্শের বিন্যাস, সামাজিক বাস্তবতা এবং সংগ্রামের ধরন আলাদা। জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম ও পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শ্রেণিসংগ্রামের প্রশ্নও এক নয়। আবার ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক ট্যাবু ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পার্থক্যও তুলনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু এই অমিলগুলোই তুলনাকে অর্থবহ করে। ইতিহাসের কাজ শুধু মিল খুঁজে পাওয়া নয়; মিলের ভেতরে পার্থক্য এবং পার্থক্যের ভেতরে বৃহত্তর ঐতিহাসিক সম্পর্ক শনাক্ত করা। The Baader Meinhof Complex আমাকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি চরিত্র খুঁজতে শিখিয়েছে; লাল সন্ত্রাস সেই অনুসন্ধানকে তথ্য, বিতর্ক ও স্থানীয় বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এখন সিরাজ সিকদারকে আর শুধু বাংলাদেশের এক বিতর্কিত বিপ্লবী হিসেবে দেখি না; তাকে দেখি বিশ শতকের সেই আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সময়ের অংশ হিসেবে, যখন পৃথিবীর নানা প্রান্তে তরুণেরা বিদ্যমান ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করে নতুন সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন—কেউ গণআন্দোলনে, কেউ শ্রমিক সংগঠনে, কেউ জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে, কেউবা সশস্ত্র বিপ্লবের পথে।

সেই স্বপ্নের কিছু অংশ ইতিহাসে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা হিসেবে রয়ে গেছে, কিছু অংশ ব্যর্থতা ও বিভ্রমের ইতিহাস হয়ে আছে, আর কিছু অংশ রেখে গেছে সহিংসতার গভীর ক্ষত। তাই তাঁদের বিচার করার সময় শুধু তাঁদের স্বপ্নের দিকে তাকালে চলবে না; সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের নামে তাঁরা কী করেছিলেন, কী হারিয়েছিলেন এবং অন্যদের কী হারাতে হয়েছিল, সেটিও দেখতে হবে।

হয়তো এই কারণেই আজকের তরুণদের আন্দোলনের দিকে তাকানোর সময়ও আমাদের শুধু প্রতিবাদের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হলে চলবে না। দেখতে হবে, তারা কী ধরনের ভবিষ্যৎ চাইছে, সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণের পদ্ধতি কী এবং ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মধ্যেই তারা কীভাবে নিজেদের ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করছে।

কারণ পৃথিবী কখনোই বিচ্ছিন্ন ছিল না। ষাটের দশকে ইন্টারনেট ছাড়াই রাজনৈতিক ধারণা সীমান্ত পেরিয়েছে; আজ ইন্টারনেটের যুগেও মানুষ একই সঙ্গে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন। ইতিহাস আমাদের শেখায়, বিদ্রোহের ভাষা আন্তর্জাতিক হতে পারে, কিন্তু তার দায় ও পরিণতি শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনেই লেখা হয়।   

লেখক: কবি ও সাংবাদিক

ছুটির পাঠসর্বহারা পার্টিসিরাজ সিকদারকমিউনিস্টজার্মানিরেড আর্মি ফ্যাকশন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাশরীফ

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাশরীফ

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    ৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা

    ৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা

    তাহসিফের শরীরে ছিল না আঘাতের চিহ্ন, নাক থেকে বের হচ্ছিল রক্ত

    তাহসিফের শরীরে ছিল না আঘাতের চিহ্ন, নাক থেকে বের হচ্ছিল রক্ত