দূষণ ও দখলে কর্ণফুলী

আজ বিশ্ব নদী দিবস। ১৯৮০ সাল থেকে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবারকে বিশ্ব নদী দিবস হিসেবে পালনের সূচনা করে। কর্ণফুলী নদী চট্টগ্রামের প্রাণ। এই নদী চট্টগ্রাম শহর ও বন্দরকে ঘিরে মানুষের জীবন জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের ফলে কর্ণফুলী নদী দূষণ ও দখলের শিকার। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ নদীর জায়গা ভরাট এবং নানা ধরনের দখলের কারণে কর্ণফুলীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্য হারাচ্ছে। কোথাও নদীর তীর সংকুচিত হয়ে পড়ছে। শিল্পকারখানার বর্জ্য, পয়ঃনিষ্কাশনের পানি, প্লাস্টিক, পলিথিন, গৃহস্থালির আবর্জনাও নদীতে পড়ছে। এসব বর্জ্যের কারণে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি, জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

কণর্ফুলী নদীর তীরে দখল করে গড়ে উঠেছে বসতি।

নদীর সংযোগ খালগুলো দিয়ে কলকারখানার কালো ময়লা পানি এসে মিশেছে নদীতে।

দূষিত কালো পানিতে চলছে ইঞ্জিনচালিত বোট

দূষণে পানির রঙ পরিবর্তন হচ্ছে।

শিল্পকারখানার বিষাক্ত তরল বর্জ্য এসে নদীতে মিশছে।

নদীর তীরে অবৈধভাবে চলছে বালু উত্তোলনের কাজ।




