Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

আমীরুল ইসলাম

সায়ীদ স্যারের কালে জন্মেছি এ আমাদের সৌভাগ্য

আমীরুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৪:৫২
সায়ীদ স্যারের কালে জন্মেছি এ আমাদের সৌভাগ্য

সায়ীদ স্যারের সত্তা জুড়ে শিক্ষকতা। ঘরে-বাইরে সর্বত্র তার শ্রেণিকক্ষ। আড্ডা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান পাঠচক্র, শ্রেণিকক্ষ-যেখানেই তিনি থাকেন সেখানেই শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। যেকোনো কাজেও স্যারের কাছে অনেক কিছু শেখার আছে। স্যার প্রথমে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সব শোনেন। তারপর তার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে ধারণা করেন। এরপর স্যার মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করেন এবং গল্পচ্ছলে শিক্ষার্থীকে সমৃদ্ধ করে তোলেন। ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কাছে আমার অপরিসীম ঋণ। আমি গরিব পরিবারে জন্মগ্রহণ করি। আমার পিতৃব্য হাবীবুর রহমান। বাবা সামান্য চাকুরে। কিন্তু আমাদের স্যাঁতসেঁতে পুরান ঢাকার বাসায় কিছু কিছু বইয়ের সম্ভার ছিল। বাবা বই পড়তেন। আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ছোটবেলা থেকেই বই পাঠ করতেন আনন্দের সঙ্গে। আমাদের সবচেয়ে বড় ভাই (চাচাতো) হুমায়ুন কবীর। তিনি আমাদের বইয়ের জগৎ সম্পর্কে স্কুলজীবনেই আলোর বাতিঘর খুলে দেন।

আমাদের লালবাগে আজাদ মুসলিম লাইব্রেরি এবং গ্রন্থবিতান পাঠাগার আমাদের পাঠক্ষুধা কিছুটা মেটায়। সেই শৈশবে আমরা গোগ্রাসে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। বাংলা ভাষার সেরা লেখকদের সঙ্গে তখনই পরিচয়।

এক

৭১-এ আমরা ঢাকা কলেজে ভর্তি হলাম। সায়ীদ স্যারের সঙ্গে টেলিভিশনের পর্দায় পরিচয় থাকলেও ক্লাসরুমের পরিচয় আমাদের জীবন পাল্টে দিল। ইন্দিরা রোডের কেন্দ্রের লাইব্রেরি থেকে বিস্মিত হলাম। বন্ধু আহমাদ মাযহার অনার্সে সায়ীদ স্যারের ছাত্র হওয়ার সুবাদে বেশি নৈকট্য অর্জন করে। মাযহার কেন্দ্রের একজন কর্মী হিসেবে জীবনের পথ খুঁজে নেয়। ৮৭ সালের দিকে কেন্দ্র স্কুল ও কলেজ কর্মসূচির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পত্রিকা বের করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় এক বিকালে ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন আমাকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হলেন। সায়ীদ স্যারের সঙ্গে দীর্ঘ মিটিং হলো। স্যার চাচ্ছেন উৎকর্ষধর্মী একটি পত্রিকা। অর্থাৎ আনন্দময় শিক্ষামূলক লেখার মাধ্যমে ছোটদের আগ্রহ সৃষ্টি করা। স্যার নাম দিলেন ‘আসন্ন’। অর্থাৎ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পত্রিকার লোগো করে দিলেন হাশেম খান। ভেতরের ছবি আঁকবেন। পত্রিকা বেরোবে- তাই কম্পিউটার সেকশন স্থাপন করা হলো। ‘আসন্ন’-এর প্রথম সম্পাদক লুৎফর রহমান রিটন, সহকারী সম্পাদক আমি, প্রকাশক হিসেবে আহমাদ মাযহার এবং প্রধান সম্পাদক হিসেবে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের নাম।

দুই সংখ্যা পরেই ‘আসন্ন’ মাসিক হলো এবং সম্পাদনার কাজ করতে লাগলাম আমি। লুৎফর রহমান রিটন তখন অন্যত্র কাজ নিয়ে চলে গেছেন। কিন্তু কেন্দ্রের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়ে যায়। প্রতি বিকালে তিনি কেন্দ্রের ছাদ ফাটিয়ে আড্ডা দিতেন।

দুই

আমি লেখা বাছাই করতে গিয়ে শিশুসাহিত্যের বৃহত্তর জগতের সঙ্গে পরিচিত হলাম। স্যার বই কেনার ব্যাপারে ছিলেন উদারহস্ত। প্রতি সপ্তাহে আমি আর মাযহার শিশু-কিশোর উপযোগী নানা ধরনের বই কিনতাম। নীলক্ষেত পুরনো  বইয়ের বাজার থেকে বই সংগ্রহ করতাম। আসন্নের লেখার প্রাথমিক বাছাই আমরা করতাম। তারপর স্যার সম্পাদনা করে দিতেন। তখন ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছি- সম্পাদক হিসেবে কতটা নিষ্ঠাবান ও সঠিক। তখনই বুঝেছি ‘কণ্ঠস্বর’ সম্পাদনার মাধ্যমে ষাট দশকের সাহিত্য আন্দোলনকে কীভাবে তারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। নিরন্তর সাহিত্য পাঠে স্যার এখনো সজীব। ক্লাসিক বই তিনি প্রায় সবই পড়েছেন। পড়া মানে প্রায় মুখস্থ। বইয়ের মূল বিষয় তিনি অনর্গল বলে যেতে পারেন। আশ্চর্য স্মৃতিধর ব্যক্তি তিনি। আসন্নের বাছাইকৃত লেখা নিয়ে তার সহজাত রসিক মন্তব্য থেকেই আমরা শিক্ষাগ্রহণ করতাম। কোনো কোনো লেখা কেন ভালো শিল্পতত্ত্বের জটিল সব ব্যাখ্যা তিনি খুব সরলভাবে বুঝিয়ে দিতেন। কেন্দ্রের বই প্রকাশনার সূচনালগ্নে আমরা ছিলাম স্যারের সঙ্গে। বই বাছাই, বই সম্পাদনার মূল সূত্রগুলো আমরা শিখি সায়ীদ স্যারের সান্নিধ্যে। স্যার কখনো শেখানোর জন্য শেখাতেন না। কৌতুক ও পরিহাসের মাধ্যমেও আমরা স্যারের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমার সাংস্কৃতিক শুরুটিও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় স্যারের কল্যাণে। স্যার কারও স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মামা ঘামাতেন না। কথা বলে বুঝে যেতেন— সে কোন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল থেকে এসেছে। স্যার খুব প্রভাববিস্তারী শিক্ষক। মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার কথা সবাই শুনে থাকে। আমরাও তার ‘জ্যোৎস্নার মতো কথা’ শুনে তরুণ বয়স থেকে আজ পর্যন্ত হেঁটে চলেছি। এ আমাদের অপরিসীম ভ্রমণ।

আমরা যে সায়ীদ স্যারের কালে জন্ম নিয়েছি এবং দীর্ঘ ৪৫ বছর তার নৈকট্যে আছি এ আমাদের পরম সৌভাগ্য।

তিন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লাইব্রেরি আমাকে বড় জগতের সন্ধান দেয়। আর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ শিক্ষা দেন সুন্দর হতে। পেরেছিলাম বলে একটা সুন্দর ও আনন্দময় জীবন কাটিয়ে দিলাম। বইপাঠ ও শিশুসাহিত্য চর্চা— এই চর্চা করেই কেটে গেল আমাদের জীবন। জীবনের আনন্দ, উদ্দেশ্য আর লক্ষ্য— সব মিলিয়ে অনিন্দ্য জীবনকে আমরা উপভোগ করেছি সায়ীদ স্যারের কল্যাণে। সকলের মিলিত শক্তি নিয়ে কাজ করতে হয়। স্যার সকলের সম অধিকারে বিশ্বাসী। সবাই বই পড়ুক। সবাই আলোকিত মানুষ হোক। সায়ীদ স্যার তার জীবন সাধনা করেছেন এই ব্রত নিয়ে। শিক্ষক সায়ীদ স্যারের মহিমা কীর্তন করে শেষ করা যাবে না। আমাদের শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই আমাদের শিক্ষালয় আসলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই আমাদের হৃদয়ে আলো ছড়িয়েছে। কেন্দ্রের কারণে তারুণ্যেই অনেক বিখ্যাত মানুষের সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম। কারও কারও সঙ্গে ঘনিষ্ঠও হয়েছিলাম। শিল্পী কামরুল হাসান, কবি আহসান হাবীব, কথাশিল্পী শওকত ওসমান, মুক্তধারার চিত্তরঞ্জন সাহা, মুস্তাফা মনোয়ার, নির্মলেন্দু গ‍ুণ, হাশেম খান, রাহাত খান, শিবনারায়ণ রায়, আবেদ কান, মেয়র আনিসুল হক, মামুনূর রশিদ, ড., আনিসুজ্জামান, ফাহমিদা মজিদ, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, আবদুশ শাকুর, রফিক আজাদ, সুকুমার বড়ুয়া, ফয়েজ আহমদ, শিক্ষাবিদ আহমেদ শরীফ— আরও কতজনের নাম এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের কত বিদ্বৎজনের সাক্ষাৎ পেয়েছি। এ সবই আমাদের জীবনের বড় অর্জন।

শিক্ষক বলতে আমরা সায়ীদ স্যারকে বুঝি। স্যার আপনি ভালো থাকবেন। কর্মক্ষম থাকবেন।

চার

একদা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সারা দিন থাকতাম। লিখতাম, লেখাপড়া করতাম। আড্ডা দিতাম। দুপুর কেন্দ্রের ক্যাফেতে যেতাম। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডা চলত। হইচই করতাম। যৌবনের সোনালি দিনগুলো ফেলে এসেছি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চত্বরে। কেন্দ্রর কাছ থেকেই সকল শিক্ষা আহরণ করেছি। কীভাবে অনুষ্ঠান করতে হয়, কীভাবে টিভি প্রোডাকশন নির্মাণ করতে হয়, কীভাবে খাবার বিতরণ করতে হয়। সবাই মিলে কীভাবে একসঙ্গে একত্র হতে হয়- সবই শিখেছি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাছ থেকে। সায়ীদ স্যার মিটিং করে কিংবা গল্প করে কতকিছু যে শিখিয়েছেন তার কোনো হিসাব নাই। আর কতকিছু যে তার কাছ থেকে গ্রহণ করতে পারিনি তার হিসাবও অনেক দীর্ঘ। স্যারের মতো পরিশুদ্ধ কথা শিখিনি। স্যারের মতো মিষ্টি বক্তৃতা দেওয়া শিখলাম না। স্যারের মতো সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রিয়মুখ হতে পারিনি। স্যারের মতো বিপুল গ্রন্থপাঠ করা হলো না। স্যারের মতো কবিতার বিপুলজগতে পরিভ্রমণ করা হলো না। ক্লাসিকাল সাহিত্য ও দর্শন স্যারের মতো জানা হলো না। স্যারের মতো ধীরস্থির শান্তসৌম ও স্থিতিশীল হতে পারিনি। পায়জামা-পাঞ্জাবি পরার মতো ব্রত আমরা ধারণ করতে পারিনি। স্যার অতি তরুণ প্রজন্মের সঙ্গেও সহজভাবে মিশতে পারেন। আমরা পারি না। স্যার ধৈর্যহারা হন না। আমরা সেটা পারি না। স্যার হাসিমুখ নিয়ে সবার সঙ্গে সহজে মিশতে পারেন, আমরা পারি না। আমরা অনেক অস্থির ও চঞ্চল। স্যার আমাদের মতো তাড়াহুড়ো করে কাজ করেন না।

তাই বলি, স্যারের কাছ থেকে গ্রহণ করার পাল্লা অনেক হালকা। তবে যা পেয়েছি তার জন্য আমাদের আনন্দের সীমা নাই।

লেখক : ছড়াকার ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান প্রধান

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদঅধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদবিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বাসভাড়া বাড়ছে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপন আসছে

    বাসভাড়া বাড়ছে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপন আসছে

    ধানমন্ডি লেকে ভাসছিল মার্কেটিং কনসালট্যান্টের মরদেহ

    ধানমন্ডি লেকে ভাসছিল মার্কেটিং কনসালট্যান্টের মরদেহ

    তিস্তার স্রোতে ভেসে যাওয়া হাতি শাবককে উদ্ধার করে মায়ের কাছে পৌঁছে দিলেন জেলেরা

    তিস্তার স্রোতে ভেসে যাওয়া হাতি শাবককে উদ্ধার করে মায়ের কাছে পৌঁছে দিলেন জেলেরা

    এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনাসহ দুজনের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

    এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনাসহ দুজনের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

    অ্যামাজন প্রাইমে এক বসায় দেখার মতো ৫ সেরা সি-ড্রামা

    অ্যামাজন প্রাইমে এক বসায় দেখার মতো ৫ সেরা সি-ড্রামা

    ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর নেতানিয়াহুকে আবার যুদ্ধাপরাধী বললেন মামদানি

    ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর নেতানিয়াহুকে আবার যুদ্ধাপরাধী বললেন মামদানি

    এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে ডিবি

    এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে ডিবি

    ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় রিমান্ডে যাওয়া ছেলেকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ দাবি বাবার

    ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় রিমান্ডে যাওয়া ছেলেকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ দাবি বাবার

    মা হারালেন রানী মুখার্জি

    মা হারালেন রানী মুখার্জি

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    গ্রিনল্যান্ডে নতুন দুটি সামরিক ঘাঁটি খুলবে যুক্তরাষ্ট্র

    গ্রিনল্যান্ডে নতুন দুটি সামরিক ঘাঁটি খুলবে যুক্তরাষ্ট্র

    পুলিশে বড় রদবদল, ৩১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন

    পুলিশে বড় রদবদল, ৩১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন

    মুক্তির আগেই ‘রাকা’ নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আল্লু অর্জুন-অ্যাটলি

    মুক্তির আগেই ‘রাকা’ নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আল্লু অর্জুন-অ্যাটলি

    সোনিয়া গান্ধীর নাগরিকত্ব মামলা ফের শুরুর নির্দেশ দিল্লির আদালতের

    সোনিয়া গান্ধীর নাগরিকত্ব মামলা ফের শুরুর নির্দেশ দিল্লির আদালতের

    ককটেল ছুড়ে, বাসে আগুন দিয়ে সংকট তৈরি করা যাবে না : তথ্য উপদেষ্টা

    ককটেল ছুড়ে, বাসে আগুন দিয়ে সংকট তৈরি করা যাবে না : তথ্য উপদেষ্টা