ব্রাজিল কোচের হাতে বেশি বিকল্প নেই

ব্রাজিল র্যাংকিংয়ে ছয় নম্বর দল। তাদের ঠিক পরেই মরক্কো। র্যাংকিংয়ের হিসাবে একেবারেই পাশাপাশি দুটি দল এবং মাঠের পারফরম্যান্সের দিকে যদি তাকাই, ব্রাজিলকে কখনোই মনে হয়নি তারা জয় নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারবে।
দুটি দল একই ৪-২-৩-১ ফরমেশন নিয়ে খেলা শুরু করে। ব্রাজিলের মাঝমাঠে কাসেমিরো এবং ব্রুনো গুইমারেসের সঙ্গে লুকাস পাকেতা নাম্বার টেন পজিশনে। অন্যদিকে মরক্কোর আইনাউইয়ের সঙ্গে মাত্র ১৮ বছর ২৫২ দিন বয়সী বোয়াদি। ওপরে ছিলেন উনাই। দুদলের মাঝ মাঠের লড়াইয়ে সবসময় এগিয়ে ছিল মরক্কো।
রাফিনিয়া রাইট ফ্ল্যাঙ্ক এরিয়াতে খুব একটা কার্যকর হিসেবে নিজেকে দেখাতে পারেননি। একজন উইঙ্গারের যে কার্যকারিতা থাকা উচিত স্কোরিং জোনে, এ ধরনের কোনো কিছুই দেখা যায়নি। একমাত্র ভিনিসিয়ুস পিছিয়ে পড়া অবস্থায় ব্যক্তিগত ক্যারিশমায় অনবদ্য একটি গোল করে ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরান। তারপরও ক্লাব পর্যায়ে ভিনিসিয়ুসকে যতটা সপ্রতিভ দেখি, গতকাল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সেটি দেখতে পাইনি।
ব্রাজিল যে গোলটা হজম করেছে, তাতে পাকেতার অবদান ছিল, তার ভুল পাস পেয়েই মরক্কোর মিডফিল্ডার এমন এক রক্ষণ চেড়া পাস দেয় সাইবারির উদ্দেশ্যে, মার্কুইনহোস এবং গ্যাব্রিয়েলের অবশ্যই অনুমান করা উচিত ছিল সত্যিকারের পরিস্থিতি কী হতে পারে। সেটা তারা পারেনি বলেই দুজনের মাঝখান দিয়ে চ্যানেল রান করে সাইবারি চমৎকার একটি গোল করেন।
ব্রাজিলের সি গ্রুপে অন্য ম্যাচে স্কটল্যান্ড হাইতিকে হারিয়ে শীর্ষে চলে গেছে। মরক্কো ও ব্রাজিল এক পয়েন্টে যথাক্রমে দুই এবং তিনে। ব্রাজিল বেশি হলুদ কার্ড দেখেছে বলেই তারা খানিকটা পিছিয়ে। ব্রাজিল পরের ম্যাচ খেলবে হাইতির সঙ্গে। শেষটা স্কটল্যান্ডের সঙ্গে। কোচরা নিশ্চয়ই ভাবছেন নাম্বার নাইন পজিশনে ইগর থিয়াগোকে রাখবেন কি না। নাকি এনদ্রিককে স্ট্রাইকার পজিশনে দেখা যাবে পরের ম্যাচে। তবে ব্রাজিলের জয়টা সহজ করতে রাফিনিয়াকে আরও বেশি সপ্রতিভ হতে হবে।


