Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর বয়সে ৬৭ বার রক্তদান!
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

এক মামলায় চলছে বিচার, তদন্তে ৫

মাসুদ রানা
মাসুদ রানা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৩৫
এক মামলায় চলছে বিচার, তদন্তে ৫

সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ

একে একে কেটে গেছে ক্ষমতার সুবর্ণ সময়। একসময়ের প্রতাপশালী পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ এখন বন্দি দুবাই পুলিশের খাঁচায়। আর দেশের মাটিতে তার অপরাধের খতিয়ান নিয়ে আদালতের অন্দরে চলছে আইনি হিসাব-নিকাশ। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এরই মধ্যে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ঠুকে দিয়েছে ছয়টি মামলা। এর মধ্যে ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক এই আইজিপিকে পলাতক দেখিয়ে শুরু হয়ে গেছে বিচার। বাকি পাঁচটি মামলা রয়েছে তদন্তের জালে।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বেনজীরের বিচার শেষ পর্যায়ে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন গত ৩ মে অভিযোগ গঠন করেন এই মামলার। এরই মধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে পাঁচজনের। আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য রয়েছে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের।

চব্বিশের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগেই বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচারসহ নানান অভিযোগ সামনে আসে। দেশ জুড়ে সমালোচনার মুখে বিষয়গুলো নিয়ে তখনই অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আদালতের মাধ্যমে বেনজীর ও তার পরিবারের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং অবরুদ্ধ করে দুদক। অনুসন্ধান শেষে পর্যায়ক্রমে ছয়টি মামলা করে দুদক। তিন মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বেনজীরকে। পাশাপাশি স্ত্রী জীশান মির্জা, দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের আলাদা তিন মামলায় তাকে করা হয় সহযোগী আসামি। এসব মামলার মধ্যে বর্তমানে পাঁচটি মামলা তদন্তাধীন। তবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় বেনজীরকে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরু হয়েছে। দ্রুতই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ হবে বলে প্রত্যাশা করছে দুদক।

দুদকের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী আগামীর সময়কে গতকাল রবিবার জানালেন, বেনজীরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি রয়েছে সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে। বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যের নামে থাকা অন্য পাঁচটি মামলা তদন্তাধীন।

দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম বললেন, ‘বেনজীরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। তিনি পলাতক থাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। দ্রুত সময়ে এই মামলার বিচারকাজ শেষ করা হবে। এ ছাড়া অন্য মামলাগুলো তদন্ত হয়ে এলে দ্রুত সময়ে শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলা: ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে থেকেও নিজেকে বেসরকারি চাকরিজীবী দেখিয়ে পাসপোর্ট তৈরির ঘটনায় বেনজীর আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন, যা তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সাবেক পরিচালক মো. ফজলুল হক, সাবেক পরিচালক মুন্সী মুয়ীদ ইকরাম, পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের টেকনিক্যাল ম্যানেজার সাহেনা হক।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও পাসপোর্টের আবেদনপত্রে পেশার স্থানে ‘প্রাইভেট সার্ভিস’ উল্লেখ করে জালজালিয়াতি-প্রতারণার আশ্রয় নেন। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি, অতিরিক্ত আইজিপির পদমর্যাদায় র‌্যাবের মহাপরিচালক ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার পদে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি এই জালিয়াতি করেন। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ‘প্রাইভেট সার্ভিস’ উল্লেখ করে বিভিন্ন সময়ে বিভাগীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) ছাড়াই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও ই-পাসপোর্টের (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) জন্য আবেদন করেন। বাকি চার আসামি বেনজীর আহমেদের দাপ্তরিক পরিচয় সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত ছিলেন। এরপরও বিভাগীয় অনাপত্তি সনদ (এনওসি) যাচাই না করে স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে পরস্পর যোগসাজশে বেনজীর আহমেদের নামে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেন। এ ধরনের অনুমোদন দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দি বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার ১৯৭৩-এর ১১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিচার চলছে একটিতে: ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বেনজীর আহমেদের বিচার চলছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন গত ৩ মে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত ১৩ মে দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ২৩ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। এর আগে দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।

অর্থ পাচারের মামলা: ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অর্থ পাচারের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মির্জা ও দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটি তদন্তাধীন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার অপরাধলব্ধ ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদে উত্তোলনের পর কোথাও বিনিয়োগ করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অর্থ উত্তোলনের পরই বিদেশে চলে যান। ফলে নগদে উত্তোলিত অপরাধলব্ধ আয়ের প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন বা ছদ্মাবৃত করার লক্ষ্যে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধি ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বেনজীর আহমেদ। তিনি ও তার স্ত্রী-কন্যারা ২০২৪ সালে বিভিন্ন সময় তাদের নামে দীর্ঘদিনের এফডিআর হিসাব মেয়াদোত্তীর্ণের আগেই একযোগে উত্তোলন করেছেন। এ এফডিআরের অর্থের গ্রহণযোগ্য কোনো উৎস পাওয়া যায়নি, যা বেনজীর আহমেদ র‌্যাবের মহাপরিচালক, পুলিশের আইজিপিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত থেকে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়।

স্ত্রী-দুই মেয়ের মামলায় সহযোগী আসামি: ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীরের স্ত্রী জীশান মির্জা, দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে আলাদা তিনটি মামলা করে দুদক। তিনটিতেই বেনজীরকে সহযোগী আসামি করা হয়। এসব মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, জীশান মির্জার বিরুদ্ধে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ১৬ কোটি ১ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ফারহিন রিশতা বেনজীরের বিরুদ্ধে ৮ কোটি ৭৫ লাখ ২৭৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৫৫ হাজার ৮৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তাদের এই সম্পদ বেনজীর আহমেদের অবৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়।

বেনজীর আহমেদসাবেক আইজিপিদুবাই
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৫ জুন ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    নেদারল্যান্ডস
    ০
    জাপান
    ০
    ১৫ জুন ২০২৬
    সকাল ৫:০০ টা
    আইভরি কোস্ট
    ০
    ইকুয়েডর
    ০
    ১৫ জুন ২০২৬
    সকাল ৮:০০ টা
    সুইডেন
    ০
    তিউনিশিয়া
    ০
    ১৫ জুন ২০২৬
    সকাল ১০:০০ টা
    স্পেন
    ০
    কেপ ভার্দে
    ০
    জাবি শিক্ষার্থী নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    জাবি শিক্ষার্থী নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    ১৫ জুন ২০২৬, ০০:১৩

    এ্যাবের সদস্য সচিব হলেন প্রকৌশলী বাশরি হাবলু

    এ্যাবের সদস্য সচিব হলেন প্রকৌশলী বাশরি হাবলু

    ১৫ জুন ২০২৬, ০০:১৩

    শিবিরের বিরুদ্ধে শেকৃবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

    শিবিরের বিরুদ্ধে শেকৃবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

    ১৫ জুন ২০২৬, ০০:৫৯

    দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

    দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

    ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৩১

    ‘কাইল্যা’ পলাশকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর

    ‘কাইল্যা’ পলাশকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর

    ১৫ জুন ২০২৬, ০১:১৬

    সামারভিলের গোলে ডাচদের লিড

    সামারভিলের গোলে ডাচদের লিড

    ১৫ জুন ২০২৬, ০২:২৯

    এআই ক্যামেরার জালে আটকা

    এআই ক্যামেরার জালে আটকা

    ১৫ জুন ২০২৬, ০২:১৮

    এক মামলায় চলছে বিচার, তদন্তে ৫

    এক মামলায় চলছে বিচার, তদন্তে ৫

    ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৩৫

    বিশ্বকাপে ব্রাজিলের গোলের রেকর্ড ভাঙল জার্মানি

    বিশ্বকাপে ব্রাজিলের গোলের রেকর্ড ভাঙল জার্মানি

    ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৬

    বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির বাজার দখল করছে চীন

    বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির বাজার দখল করছে চীন

    ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৫৩

    ম্যানহোলের ঢাকনা কোথায় যায় কীভাবে ফেরে

    ম্যানহোলের ঢাকনা কোথায় যায় কীভাবে ফেরে

    ১৫ জুন ২০২৬, ০০:১৯

    যেতে যেতে একলা পথে নিভেছে মোর বাতি...

    যেতে যেতে একলা পথে নিভেছে মোর বাতি...

    ১৫ জুন ২০২৬, ০০:২৩

    গরমে বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে টিকতে পারছি না : আটকে পড়ার চতুর্থ দিন

    গরমে বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে টিকতে পারছি না : আটকে পড়ার চতুর্থ দিন

    ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:১৩

    ফের ৭-১ মনে করাল জার্মানি

    ফের ৭-১ মনে করাল জার্মানি

    ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:০৭

    ভীষণ মিস করি ঢাকার সেই বিশ্বকাপ উন্মাদনা

    ভীষণ মিস করি ঢাকার সেই বিশ্বকাপ উন্মাদনা

    ১৫ জুন ২০২৬, ০০:২৯