Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

সমাজটাই আসলে জীবন্ত লাশ

agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৩২
সমাজটাই আসলে জীবন্ত লাশ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

প্রিয়

অভাগী মা নূরজাহান বেগম,

আপনার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করে কিছু বলতে চাই। স্মরণে আসছে প্রখ্যাত শিল্পী নচিকেতার গানের কটি লাইন, ‘নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামি দামি/সবচেয়ে কম দামি ছিলাম একমাত্র আমি।’ আপনার সন্তানসম এই নালায়েককে ক্ষমা করবেন, আপনার করুণ মৃত্যুর জন্য সমাজের মানুষ হিসেবে নিজেকেও অপরাধী মনে হচ্ছে।

আপনার সুন্দর একটা জীবন ছিল, ছিল চমৎকার সুখী সংসার। সন্তানদের ‘উচ্চশিক্ষিত মানুষ’ করে তুলেছেন। আশা ছিল শেষ জীবনে তারা আপনার প্রতি এগিয়ে দেবে নির্ভরতার হাত। কিন্তু বিধিবাম! জীবনের শেষ মুহূর্তে তারা পাশে তো ছিলেনই না। বরং অবহেলার মাত্রা এতটাই ছিল যে, পাশের ঘরে আপনি মরে পড়ে আছেন, সে খবরটুকুও সন্তান জানতে পারেনি। আপনার গলিত দেহের গন্ধেও তাদের টনক নড়েছে কি না কে জানে! সমাজের চাপে হয়তো তারা কিছুক্ষণ অধোবদন হয়ে থাকবেন, কিন্তু তাদের মনের গভীরে এ লজ্জার কোনো রেখাপাত ঘটবে কি না সন্দেহ। আপনার তিন সন্তানই শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। ছাত্রদের তারা কী শিক্ষা দেবে কে জানে।

বৃদ্ধাশ্রমের চেয়েও ভয়ংকর-সন্তানদের তৈরি চার দেয়ালের ভেতরের একাকিত্ব

সমাজ যখন পচে যায়, তখন তার দুর্গন্ধ চারপাশের বাতাস ভারী করে তোলে। ‘শিক্ষিত, প্রতিষ্ঠিত ও সভ্য’ সন্তানদের নৈতিকতার পচনও এ সমাজের শরীরে এক বড় দগদগে ঘা। যে মা নিজের রক্ত জল করে, জীবনের সব সুখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানদের এই ‘যোগ্য’ স্তরে পৌঁছে দিলেন, মৃত্যুর পর তার কপালে জুটল একাকী ঘরের কোণে পচে গলে যাওয়া! ‘ব্যস্ত’ সন্তানদের মায়ের খোঁজ নেওয়ার সময় থাকে না, কিন্তু মায়ের পেনশনের টাকা কিংবা পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ নিতে ঠিকই তারা ঝড়ের গতিতে হাজির হন!

মাগো,

আমরা প্রায়ই বৃদ্ধাশ্রমের বাস্তবতা নিয়ে মায়াকান্না করি। কিন্তু আপনার ঘটনা প্রমাণ করল, বৃদ্ধাশ্রমের চেয়েও ভয়ংকর- সন্তানদের তৈরি চার দেয়ালের ভেতরের একাকিত্ব। বৃদ্ধাশ্রমে অন্তত সমবয়সী কিছু মানুষ ও কথা বলার কেউ থাকে। কিন্তু নিজের ঘরে, সন্তানদের পাশে রেখে যখন একজন মায়ের লাশ ঘরের ভেতর পচতে থাকে এবং প্রতিবেশীরা দুর্গন্ধ পাওয়ার পর পুলিশ ডেকে সেই লাশ উদ্ধার করে, তখন বুঝতে হবে এ সমাজই আসলে এক জীবন্ত লাশে পরিণত হয়েছে।

আপনার এ ট্র্যাজেডি শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়, এটি চারপাশের বহু চেনা ঘরের গোপন সত্য। আমরা প্রতিনিয়ত মা-বাবাকে বোঝা ভাবছি, করছি অবহেলা। ধিক্কার সেই সন্তানদের, ধিক্কার এই পঙ্গু সমাজকে!


ইতি

আপনার এক অযোগ্য সন্তান

আগামীর চোখমাবৃদ্ধাশ্রমনূরজাহান বেগম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    বনমালী

    বনমালী

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার