Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

ভোট তাহলে হচ্ছেই!

আশরাফুল হক রাজীব
আশরাফুল হক রাজীব
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৪
ভোট তাহলে হচ্ছেই!

শেষ পর্যন্ত ভোট হচ্ছে। পুরো দেশ ভোট শুরুর অন্তিম মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ এই ভোট নিয়ে কী নেতিবাচক প্রচারণাটাই না ছিল! বলতে গেল- ভোট না হওয়ার কথাই বেশি শোনা যেত। ভোটের আলোচনা উঠলেই একপক্ষ দায়িত্ব নিয়ে গলা চড়িয়ে বলত- ভোট হবে না। ভোট হওয়ার পক্ষ যত যুক্তিই তোলা হতো না কেন, তা হালে পানি পেত না।

সাংবাদিকদের মধ্যেও সংশয় ছিল। যারা মার্কামারা তারা জোর গলায় বলেছে, ভোটের পরিবেশ নেই। এভাবে ভোট হতে পারেনা। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে ভোটের দিনও ভোট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভোটের দিনই গঠন হতে পারে নতুন সরকার।

যারা ভোট চাচ্ছিল তারাও সংশয়াচ্ছন্ন ছিলেন। তাদের সংশয়ের কারণ- আস্থার অভাব। কারণ তারা সব সময়ই ফাঁকফোকর গলিয়ে অন্যের দুর্বলতার সুযোগে দেশ চালিয়েছেন।


আর এক প্রতিপক্ষ তো দুদিন পর পর ঢাকাই ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছে মিছিল সমাবেশ ডেকে।

পরিস্থিতি বুঝে অমলাও টুকুস করে প্রশ্ন ছুড়ে দিতেন, ‘এতো আস্থার সাথে কিভাবে বলছেন ভোট হবে? এতো এনার্জি কোথায় পান?

ব্যবসায়ীরা দুদিকেই তাল দিয়েছেন। ভোট হলেও তারা সরকারের দিকে, না হলেও তারা সরকারের দিকে। কারণ সরকার ছাড়া তাদের চলে না। কিন্তু তারাও শেষ পর্যন্ত ভোট হবে এই আশাই করেছেন।

আর ভোট হবে কি হবে না এই পরিস্থিতি তৈরি করেছেন রাজনীতিকরা। বিভিন্ন দলের পারস্পারিক আস্থা নেই। তাদের বিশ্বাসের অভাব ছিল। তাছাড়া পূর্বের নির্বাচন অভিজ্ঞতাও ভালো না। একারণেই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কখন ভোট হবে তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল।

সরকার পইপই করে যতই বলার চেষ্টা করেছে ভোট হবে, ততই তা একপাশে সরিয়ে রেখেছেন সমালোচকরা। সাধারণ মানুষও আস্থা পায়নি। আর কে না জানে- এদেশে নেতিবাচক চিন্তাই বেশি ছড়ায়। আর সেজন্যই ভোটের শিডিউল ঘোষণার পরও তা ভোটের উত্তাপ ছড়াতে পারেনি।

কেমন পরিস্থিতি ঢাকার

ঢাকা ফাঁকা হয়ে গেছে। ভোটাররা তাদের স্বজনদের নিয়ে চলে গেছে নিজের ডেরায়। ঈদের সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয় ভোটে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঢাকায় আজ বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যাচ্ছে। ১০ মিনিটে পৌঁছানো যাচ্ছে ধানমন্ডি থেকে গুলশান। যাত্রীর তুলনায় যানবাহনও বেশ আছে। তাতে অপ্রত্যাশিত কম সময়ে গন্তব্য যাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকার মোড়ে মোড়ে যেটুকু জটলা আছে তা চলছে নিছকই ভোট গুলতানি। আকাশের বুক-চিরে দাঁড়িয়ে থাকা বহুতল বা বস্তির ঝুপড়ি ঘর, আধুনিক ছিমছাম কাফে বা গলির মাথার চায়ের টং দোকান। সবাই মশগুল ভোট নিয়ে। অনেক দিন পর ভোট হচ্ছে। মানুষও ভোট চেয়েছিল।

প্রশাসন কী নিয়ে প্রস্তুত

নির্বাচন কমিশন বলছে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে সব উপকরণ পৌঁছে গেছে।

প্রশাসন বলছে সবচে বড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লাখো পুলিশ, আনসার, বিজিপি, সশস্ত্র বাহিনী শান্তিপূর্ণ ভোট পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। তারা বলছে ভোট কেন্দ্রে যেতে কোনো ভয় নেই।

এক দল বলছে ‘দেশকে ধর্ম-ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেবেন না’, ‘একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীদের বিশ্বাস করবেন না।’ আর এক দল বলছে, ‘সবাইকে দেখেছেন। তারা কিছুই দিতে পারেনি। আমাদের একটি বার সুযোগ দিন।’

ভোটের দুই প্রতিপক্ষ- এই কিছুদিন আগেও ছিল রাজনৈতিক মিত্র। এখন তাদের মধ্যে ভোট নিয়ে গরম আলোচনা, চলছে রেষারেষিও। গত ১৫ বছর যা দেখা যায়নি। বলা হয়-সেসময় সব কিছুই ছিল পূর্ব নির্ধারিত।

এই অবস্থায় ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে সাধারণ মানুষ। রাত পোহালেই ভোটের জন্য লাইন পড়ে যাবে। নাগরিকরা শুধু তাদের ভোটের অধিকারই ফিরে পাচ্ছেন না, এই ভোটে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে কিছু অবশ্যম্ভাবী সংস্কারেরও।

কিছু সংস্কার হয়তো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হবে না। এই সংস্কারের জন্য হয়তো আরও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। কিন্তু তারপরও কিছু সংস্কারের আশা পূরণ হতে পারে।

লেখক: সাংবাদিক

নির্বাচনমতামত
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: এমপি নজরুল, প্রথম স্ত্রী দুজনই রিমান্ডে

    দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: এমপি নজরুল, প্রথম স্ত্রী দুজনই রিমান্ডে

    শয্যার চেয়ে রোগী দ্বিগুণ, বারান্দা–মেঝেতে চিকিৎসা

    শয্যার চেয়ে রোগী দ্বিগুণ, বারান্দা–মেঝেতে চিকিৎসা

    ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’, পোস্ট দিয়ে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

    ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’, পোস্ট দিয়ে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

    এক মিনিটে চার ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    এক মিনিটে চার ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    সুশান্তের মৃত্যুর রাতে সিসিটিভিতে কী দেখা গিয়েছিল

    সুশান্তের মৃত্যুর রাতে সিসিটিভিতে কী দেখা গিয়েছিল

    কেন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ,  ব্যর্থ হলো সি-পপ

    কেন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ, ব্যর্থ হলো সি-পপ

    ১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল

    ১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল

    চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

    চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম