শনিবার, ২ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
২০ বছর ধরে ভুয়া সনদে শিক্ষকতা, দায় কার

২০ বছর ধরে ভুয়া সনদে শিক্ষকতা, দায় কার

শনিবার, ২ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • ইপেপার
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

ভোট তাহলে হচ্ছেই!

আশরাফুল হক রাজীব
আশরাফুল হক রাজীব
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৪
ভোট তাহলে হচ্ছেই!

শেষ পর্যন্ত ভোট হচ্ছে। পুরো দেশ ভোট শুরুর অন্তিম মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ এই ভোট নিয়ে কী নেতিবাচক প্রচারণাটাই না ছিল! বলতে গেল- ভোট না হওয়ার কথাই বেশি শোনা যেত। ভোটের আলোচনা উঠলেই একপক্ষ দায়িত্ব নিয়ে গলা চড়িয়ে বলত- ভোট হবে না। ভোট হওয়ার পক্ষ যত যুক্তিই তোলা হতো না কেন, তা হালে পানি পেত না।

সাংবাদিকদের মধ্যেও সংশয় ছিল। যারা মার্কামারা তারা জোর গলায় বলেছে, ভোটের পরিবেশ নেই। এভাবে ভোট হতে পারেনা। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে ভোটের দিনও ভোট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভোটের দিনই গঠন হতে পারে নতুন সরকার।

যারা ভোট চাচ্ছিল তারাও সংশয়াচ্ছন্ন ছিলেন। তাদের সংশয়ের কারণ- আস্থার অভাব। কারণ তারা সব সময়ই ফাঁকফোকর গলিয়ে অন্যের দুর্বলতার সুযোগে দেশ চালিয়েছেন।


আর এক প্রতিপক্ষ তো দুদিন পর পর ঢাকাই ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছে মিছিল সমাবেশ ডেকে।

পরিস্থিতি বুঝে অমলাও টুকুস করে প্রশ্ন ছুড়ে দিতেন, ‘এতো আস্থার সাথে কিভাবে বলছেন ভোট হবে? এতো এনার্জি কোথায় পান?

ব্যবসায়ীরা দুদিকেই তাল দিয়েছেন। ভোট হলেও তারা সরকারের দিকে, না হলেও তারা সরকারের দিকে। কারণ সরকার ছাড়া তাদের চলে না। কিন্তু তারাও শেষ পর্যন্ত ভোট হবে এই আশাই করেছেন।

আর ভোট হবে কি হবে না এই পরিস্থিতি তৈরি করেছেন রাজনীতিকরা। বিভিন্ন দলের পারস্পারিক আস্থা নেই। তাদের বিশ্বাসের অভাব ছিল। তাছাড়া পূর্বের নির্বাচন অভিজ্ঞতাও ভালো না। একারণেই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কখন ভোট হবে তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল।

সরকার পইপই করে যতই বলার চেষ্টা করেছে ভোট হবে, ততই তা একপাশে সরিয়ে রেখেছেন সমালোচকরা। সাধারণ মানুষও আস্থা পায়নি। আর কে না জানে- এদেশে নেতিবাচক চিন্তাই বেশি ছড়ায়। আর সেজন্যই ভোটের শিডিউল ঘোষণার পরও তা ভোটের উত্তাপ ছড়াতে পারেনি।

কেমন পরিস্থিতি ঢাকার

ঢাকা ফাঁকা হয়ে গেছে। ভোটাররা তাদের স্বজনদের নিয়ে চলে গেছে নিজের ডেরায়। ঈদের সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয় ভোটে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঢাকায় আজ বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যাচ্ছে। ১০ মিনিটে পৌঁছানো যাচ্ছে ধানমন্ডি থেকে গুলশান। যাত্রীর তুলনায় যানবাহনও বেশ আছে। তাতে অপ্রত্যাশিত কম সময়ে গন্তব্য যাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকার মোড়ে মোড়ে যেটুকু জটলা আছে তা চলছে নিছকই ভোট গুলতানি। আকাশের বুক-চিরে দাঁড়িয়ে থাকা বহুতল বা বস্তির ঝুপড়ি ঘর, আধুনিক ছিমছাম কাফে বা গলির মাথার চায়ের টং দোকান। সবাই মশগুল ভোট নিয়ে। অনেক দিন পর ভোট হচ্ছে। মানুষও ভোট চেয়েছিল।

প্রশাসন কী নিয়ে প্রস্তুত

নির্বাচন কমিশন বলছে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে সব উপকরণ পৌঁছে গেছে।

প্রশাসন বলছে সবচে বড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লাখো পুলিশ, আনসার, বিজিপি, সশস্ত্র বাহিনী শান্তিপূর্ণ ভোট পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। তারা বলছে ভোট কেন্দ্রে যেতে কোনো ভয় নেই।

এক দল বলছে ‘দেশকে ধর্ম-ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেবেন না’, ‘একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীদের বিশ্বাস করবেন না।’ আর এক দল বলছে, ‘সবাইকে দেখেছেন। তারা কিছুই দিতে পারেনি। আমাদের একটি বার সুযোগ দিন।’

ভোটের দুই প্রতিপক্ষ- এই কিছুদিন আগেও ছিল রাজনৈতিক মিত্র। এখন তাদের মধ্যে ভোট নিয়ে গরম আলোচনা, চলছে রেষারেষিও। গত ১৫ বছর যা দেখা যায়নি। বলা হয়-সেসময় সব কিছুই ছিল পূর্ব নির্ধারিত।

এই অবস্থায় ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে সাধারণ মানুষ। রাত পোহালেই ভোটের জন্য লাইন পড়ে যাবে। নাগরিকরা শুধু তাদের ভোটের অধিকারই ফিরে পাচ্ছেন না, এই ভোটে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে কিছু অবশ্যম্ভাবী সংস্কারেরও।

কিছু সংস্কার হয়তো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হবে না। এই সংস্কারের জন্য হয়তো আরও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। কিন্তু তারপরও কিছু সংস্কারের আশা পূরণ হতে পারে।

লেখক: সাংবাদিক

নির্বাচনমতামত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    ‘এবারে বাঁধ না টিকলে হামার আম-ছালা সউগ যাইবে’

    ‘এবারে বাঁধ না টিকলে হামার আম-ছালা সউগ যাইবে’

    ০১ মে ২০২৬, ২৩:৩৭

    বাবাকে খুন করল ছেলে, রক্তের দাগ মুছেও মা-সহ ধরা

    বাবাকে খুন করল ছেলে, রক্তের দাগ মুছেও মা-সহ ধরা

    ০১ মে ২০২৬, ২২:৩২

    আলোচিত ১০ (০১ মে ২০২৬)

    আলোচিত ১০ (০১ মে ২০২৬)

    ০১ মে ২০২৬, ২৩:৩৭

    ‘একটা শুট করাম, একটা শুটে পইরা যাবে’

    ‘একটা শুট করাম, একটা শুটে পইরা যাবে’

    ০১ মে ২০২৬, ২৩:০৮

    ২০ বছর ধরে ভুয়া সনদে শিক্ষকতা, দায় কার

    ২০ বছর ধরে ভুয়া সনদে শিক্ষকতা, দায় কার

    ০১ মে ২০২৬, ২২:০২

    মুন্সিগঞ্জে বাড়িতে গাঁজা চাষ, আটক ১

    মুন্সিগঞ্জে বাড়িতে গাঁজা চাষ, আটক ১

    ০১ মে ২০২৬, ২৩:১০

    কাচ কারখানা বন্ধ করে চালু করতে সময় লাগবে দেড় বছর, খরচ ৫০০ কোটি টাকা

    কাচ কারখানা বন্ধ করে চালু করতে সময় লাগবে দেড় বছর, খরচ ৫০০ কোটি টাকা

    ০১ মে ২০২৬, ০১:০৮

    ঋণের কিস্তি না দেওয়ায় গ্রেপ্তার গৃহবধূ জামিনে মুক্ত

    ঋণের কিস্তি না দেওয়ায় গ্রেপ্তার গৃহবধূ জামিনে মুক্ত

    ০১ মে ২০২৬, ২২:৩২

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নষ্ট ৬০ হাজার কেজি চা পাতা

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নষ্ট ৬০ হাজার কেজি চা পাতা

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৪৯

    'ক্যামনে বছর কাটবো, এই চিন্তায় চোখোর পাটি আটে না'

    'ক্যামনে বছর কাটবো, এই চিন্তায় চোখোর পাটি আটে না'

    ০১ মে ২০২৬, ০০:১৭

    ফের হামলা হলে ‘দীর্ঘ ও কষ্টদায়ক’ আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

    ফের হামলা হলে ‘দীর্ঘ ও কষ্টদায়ক’ আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

    ০১ মে ২০২৬, ০৭:৪২

    শয়নকক্ষে বেকার শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ

    শয়নকক্ষে বেকার শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ

    ০১ মে ২০২৬, ১৫:০৩

    সালথায় একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধে ১৫ পরিবার অবরুদ্ধ

    সালথায় একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধে ১৫ পরিবার অবরুদ্ধ

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫১

    দেড়শ বছর ধরে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াই

    দেড়শ বছর ধরে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াই

    ০১ মে ২০২৬, ০১:২৯

    চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসছেন ‘কাবিলা’ রূপী পলাশ

    চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসছেন ‘কাবিলা’ রূপী পলাশ

    ০১ মে ২০২৬, ২২:১১

    advertiseadvertise