Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় কলাম

মে দিবস

দেড়শ বছর ধরে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াই

লিটন আব্বাস, লেখক ও নাট্যকর্মী
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ০১:২৯
দেড়শ বছর ধরে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াই

ছবি: আগামীর সময়

দাসপ্রথা দেড়শ বছর আগে আদৌ বিলুপ্ত হয়েছে নাকি অন্য কোনো ঢঙে আধুনিক পৃথিবীতেও টিকে আছে, সে প্রশ্নের সুস্পষ্ট কোনো উত্তর হয় না। ধরুন, যদি বাংলাদেশ বা ভিয়েতনামের মতো উন্নয়নশীল দেশের দিকে তাকাই? যেখানে শ্রম সস্তা হওয়ার সুযোগ নিয়ে কারখানা গড়েছে ইউরোপ-আমেরিকার বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। যে কারখানায় আমাদেরই মতো মানুষরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মাথা গুঁজে কাজ করে। না আছে ঘণ্টার হিসাব, না মেলে ঠিকঠাক ছুটি। জীবনযাপনের মানের কথা তো বাদই দিলাম, শ্রমিক হিসেবে ন্যূনতম অধিকারটুকুও থেকে যায় অধরা। তো তাদের এই জীবন, দাসের চেয়ে কম কীসে?
মে দিবস এলেই একটা স্লোগান বেশ শোনা যায়। ‘মালিক-শ্রমিক; ভাই-ভাই’— আদতে তা হয় কখনো?
ইতিহাস সাক্ষী, বিশ্বের অধিকাংশ বড় বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য ও বিত্তশালীদের উত্তরণ ঘটেছে শ্রমিকের সস্তা শ্রমকে পুঁজি করে। কার্ল মার্কসের 'উদ্বৃত্ত মূল্য' তত্ত্ব অনুযায়ী, শ্রমিক যে শ্রম দিয়ে পণ্য উৎপাদন করে, তার একটি ক্ষুদ্র অংশ মজুরি হিসেবে পায়। আর বিশাল অংশ চলে যায় মালিকের পকেটে। এই লভ্যাংশই মালিককে ধনী বানায় আর শ্রমিককে রাখে জীবনধারণের ন্যূনতম পর্যায়ে। বিত্ত আর ক্ষমতার এই পিরামিডের সর্বোচ্চ চূড়ায় থাকার ব্যক্তির সঙ্গে আর যাই হোক ‘ভাই-ভাই’ সম্পর্ক হওয়া সম্ভব না।
ফলে ১৮৮৬ সালের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকদের রক্তঝরা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের অধিকারও তাই এখনো অনেক খাতেই অধরা। এমনকি দেড়শ বছর পরও প্রশ্ন রয়েই গেছে যে, শ্রমিক কি আদৌ তার ন্যায্য মর্যাদা ও অধিকার পেয়েছে?
বাংলাদেশে এখনো শ্রমিকদের ওভারটাইমের দোহাই দিয়ে ১২-১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করানো হয়। তার বিপরীতে যে বেতন বা মজুরি দেওয়া হয় তা দিয়ে সম্মানজনক জীবনধারণ করা এই দুর্মূল্যের বাজারে প্রায় অসম্ভব।
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হলেও শ্রমিকদের জীবনযাপনের মান নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান দুটি শিল্প— তৈরি পোশাক ও চা শিল্প এবং ক্রমবর্ধমান গিগ ইকোনমি বা চুক্তিভিত্তিক চাকরির খাতের বর্তমান বেতন কাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পোশাক শ্রমিকদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৯ শতাংশ।
২০২৫ সালের জন্য খসড়া হিসেবে গ্রেড-১-এর জন্যই বেতন ধরা হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার ৩৫ টাকা। অন্য গ্রেডগুলোয় আরও কম। এর মধ্যেই সমন্বয় করা হয়েছে মূল বেতন, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত ও খাদ্য ভাতা, যা দিয়ে জীবনযাপন অভাবনীয়।
আবার চা শিল্প যেন আধুনিক দাসত্বের প্রতিচ্ছবি! চা শ্রমিকরা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একটি। সেই ব্রিটিশ আমল থেকে তারা শোষণের শিকার। ব্রিটিশরা চলে গেছে, কিন্তু চা বাগান থেকে যায়নি তাদের নির্ধারণ করে দেওয়া শোষণ আর বঞ্চনার পদ্ধতি।
২০২২ সালের আন্দোলনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছর থেকে বার্ষিক ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট যোগ হয়ে বর্তমানে দৈনিক মজুরি প্রায় ১৭৮ দশমিক ৫০ টাকা। আর দৈনিক এই পূর্ণ মজুরি পেতে একজন শ্রমিককে গড়ে ২৩ কেজি চা পাতা তুলতে হয়। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে কাটা যায় মজুরি।
শ্রমিকরা বাগান কর্তৃপক্ষের দেওয়া জমিতে বাস করেন, কিন্তু সেখানে তাদের নেই কোনো মালিকানা। কাজ ছেড়ে দিলে বা অক্ষম হলে গৃহহীন হওয়ার ভয়ে তারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হন। এভাবেই তারা দরিদ্র থেকে আরও দরিদ্রতর হয়ে ওঠেন। ইউনিসেফ ও বিবিএসের তথ্যমতে, প্রায় ৭৪ শতাংশ চা শ্রমিক এখনো দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করেন।
বর্তমান সময়ের ফুডপ্যান্ডা, উবার বা ডেলিভারি সার্ভিসের শ্রমিকদেরও কোনো নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নেই। তারা কাজ করলেই টাকা পান, অসুস্থ হলে অসুস্থ ভাতা কিংবা কোনো বীমা সুবিধা নেই। কাজ করলে আয়, না করলে শূন্য— এটি শ্রম শোষণের এক নতুন ডিজিটাল রূপ। প্রযুক্তিনির্ভর এই খাতে শ্রমিকরা কোনো সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় থাকেন না। চুক্তিভিত্তিক এসব কাজে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা শ্রম আইনের আওতায় পড়েন না, ফলে মালিকপক্ষের যেকোনো একতরফা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের আইনি সুরক্ষা অত্যন্ত দুর্বল।
নির্মাণশ্রমিক, মোটরশ্রমিক, গৃহকর্মী বা কৃষিশ্রমিকদের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট বেতনকাঠামো বা সুরক্ষাব্যবস্থা আজও গড়ে ওঠেনি।
আইএলওর ২০২৪-২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি সবচেয়ে কম দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
অবশ্য পৃথিবীর খুব কম প্রতিষ্ঠানই শ্রমিকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে। ইউরোপের কিছু দেশ যেমন- নরওয়ে, সুইডেন, জার্মানিতে শ্রমিকদের উচ্চ বেতন, বীমা এবং ছুটির নিশ্চয়তা দিলেও এশিয়া ও আফ্রিকার প্রেক্ষাপটে তা শুধুই স্বপ্ন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার থাকে না। যখনই শ্রমিকরা অধিকারের কথা বলে, তখনই 'মালিক-শ্রমিক ভাই ভাই' স্লোগান দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু লভ্যাংশ ভাগাভাগির সময় শ্রমিক আর 'ভাই' থাকে না, হয়ে যায় শুধুই 'উৎপাদনের উপকরণ'।
শ্রমিক শোষণ বন্ধ না হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হলো সম্পদের অসম বণ্টন ও অসম প্রতিযোগিতা। বড় বড় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মুনাফা বাড়াতে গিয়ে উৎপাদন খরচ কমাতে চায়, যার প্রথম কোপ পড়ে শ্রমিকের বেতনের ওপর। অথচ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শ্রমিকের বেতন ও জীবনযাত্রার মান বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পায়। সুতরাং, শোষণভিত্তিক উন্নয়ন কখনোই দীর্ঘস্থায়ী বা মানবিক হতে পারে না।
মে দিবসের অঙ্গীকার শুধু ১ মে’র র‌্যালি বা ব্যানার-ফেস্টুনে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। শ্রমিককে দয়া নয়, বরং তার শ্রমের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রকে কঠোর আইনি কাঠামোর মাধ্যমে কর্মঘণ্টা ও জীবনমুখী মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত শ্রমিককে তার ঘামের ন্যায্যমূল্য দেওয়া না হবে, ততক্ষণ ‘মালিক-শ্রমিক ভাই-ভাই’ শুধু একটি ফাঁপা স্লোগান হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে।

মে দিবস ২০২৬
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    সরকারি দপ্তরে কাগজের কলম ব্যবহারের নির্দেশ

    সরকারি দপ্তরে কাগজের কলম ব্যবহারের নির্দেশ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৭

    কুমিল্লায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল, বাধা দিতে গিয়ে মার খেলেন বিএনপি নেতা

    কুমিল্লায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল, বাধা দিতে গিয়ে মার খেলেন বিএনপি নেতা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬

    ১০ টাকার শরবতে লাখ টাকার রোগ

    ১০ টাকার শরবতে লাখ টাকার রোগ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:২৯

    রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি, গ্যাস না পেয়ে বিপাকে চালকরা

    রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি, গ্যাস না পেয়ে বিপাকে চালকরা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪০

    আপসহীন এক অলৌকিক ইস্টিমার

    আপসহীন এক অলৌকিক ইস্টিমার

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৩২

    বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়চুক্তির তথ্য প্রকাশের সুপারিশ যুক্তরাষ্ট্রের

    বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়চুক্তির তথ্য প্রকাশের সুপারিশ যুক্তরাষ্ট্রের

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৫২

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫০

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৬

    রাত ৮টার মধ্যে দোকান ও বিপণিবিতান বন্ধের নির্দেশ

    রাত ৮টার মধ্যে দোকান ও বিপণিবিতান বন্ধের নির্দেশ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:০১

    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৯

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৩

    দেড় শতাধিক মানুষের জন্য নেই বিশুদ্ধ পানি, ব্যবস্থা নিলেন বিএনপি নেতা

    দেড় শতাধিক মানুষের জন্য নেই বিশুদ্ধ পানি, ব্যবস্থা নিলেন বিএনপি নেতা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪৬

    দর বৃদ্ধিতে বন্ধ ও লোকসানি কোম্পানির রাজত্ব

    দর বৃদ্ধিতে বন্ধ ও লোকসানি কোম্পানির রাজত্ব

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪৫

    বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইলেন ছাত্রদল নেতা

    বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইলেন ছাত্রদল নেতা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫৫

    ‘ঘুষ না দেওয়ায়’ ঠিকাদারকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ

    ‘ঘুষ না দেওয়ায়’ ঠিকাদারকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৫

    advertiseadvertise