Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
কন্যাদায়গ্রস্তদের পাশে সোহেল রানা
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

উন্নয়ন বনাম কাঠামোগত ফাঁদ

agamir somoy
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫
উন্নয়ন বনাম কাঠামোগত ফাঁদ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

এই অক্টোবরেও দুপুরের রোদে দাঁড়ালে যে গরম লাগে সেটা সবাই বুঝতে পারে। কিন্তু তাপমাত্রা কত, আর্দ্রতা কত এবং গরম কেন এত বেশি লাগছে, তা বুঝতে হলে একটু আবহাওয়া রিপোর্ট দেখা দরকার। অবশ্য এ রিপোর্ট এখন হাতের স্মার্টফোনেই পাওয়া যায়। এই রিপোর্ট পাওয়ার জন্য যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, তা অস্বীকার করা যায় না। অস্বীকার করলে কত গরম তা আন্দাজে বলা গেলেও সুনির্দিষ্ট কারণ ও সম্ভাব্য প্রতিকারের পথ জানা যায় না। ঠিক তেমনি সমাজের চারপাশে তাকালেও সমস্যা দেখা যায়। দ্রব্যমূল্য নিয়ে অসন্তোষ, চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ আর চাকরি ও কর্মসংস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তার সম্মিলিত রূপ যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে, তা মুষ্টিমেয় মানুষ ছাড়া সবাই অনুভব করেন। ফলে সাধারণ মানুষের সাধারণ ধারণা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়।

অর্থনীতি ফাঁদে পড়েছে, নাকি খাদে আটকে গেছে— এটিই এখন বড় প্রশ্ন। দেশের অর্থনীতি তিনটি কাঠামোগত ফাঁদে পড়েছে। প্রথম ফাঁদ হচ্ছে পরিবারের আর্থিক দুর্দশা বাড়ছে। এ কারণে ঋণ করে ও সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছেন নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষরা। দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগে স্থবিরতার কারণে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে গেছে; আর তৃতীয়টি হচ্ছে, রাজনৈতিক-প্রশাসনিক শাসনব্যবস্থার ফাঁদ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এই তিন ফাঁদ অর্থনীতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে। সংকটের এই পর্যবেক্ষণ করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)।

সঞ্চয়ের গুরুত্ব যতই বোঝানো হোক না কেন, মানুষের হাতে টাকা না থাকলে যেমন সঞ্চয় করে না। দেশের ক্ষেত্রেও তেমনি জাতীয় সঞ্চয় না বাড়লে জাতীয় বিনিয়োগ বাড়বে না। দরিদ্র বাড়লে সঞ্চয় কমে, সঞ্চয় কমলে বিনিয়োগ কমে, বিনিয়োগ কমলে প্রবৃদ্ধিও কমে। ফলে  অর্থনীতি আটকে যায় ‘উচ্চ দারিদ্র্য-নিম্ন বিনিয়োগ-নিম্ন প্রবৃদ্ধি’র ফাঁদে। গবেষণা বলছে, বাংলাদেশ এখন এই ফাঁদে পড়েছে। এসব ফাঁদে পড়ে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে, কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ঋণের চাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক হয়রানি চলছে। আর তার ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাই টেকসই অর্থনৈতিক উত্তরণের জন্য এই কাঠামোগত ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা এখন অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ।

সরকার কখনোই অর্থনীতির সংকটের কথা স্বীকার করতে চায় না। কিন্তু তার ফল কি কখনো ভালো হয়? সংকটের স্বীকৃতি দুর্বলতা নয়; বরং সমাধানের পথ তৈরির সহায়ক। ফলে সরকারের প্রতি আস্থা এবং সরকারের ওপর নজরদারি দুটোই বাড়ে। এ তো অস্বীকার করার উপায় নেই, একদিকে মানুষের ঋণের বোঝা বাড়ছে– অন্যদিকে বিনিয়োগ হচ্ছে না। এর জন্য অর্থের সংকট নয়; বরং সরকার ও ব্যাংক ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকটই প্রধানত দায়ী।

অর্থের অপচয়কে অর্থনীতির জন্য আরেক বড় সমস্যা। একদিকে বলা হয় গরিব দেশ অথচ অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা, ব্যয়বহুল প্রকল্প, বিলাসবহুল ভবন তৈরি হচ্ছে। এর ফলাফল কী? দেশে সরকারি, বেসরকারি ও ব্যয়বহুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে; কিন্তু মানসম্পন্ন পড়াশোনা নেই। এ কারণে বাইরে থেকে লোক এনে কারখানা চালাতে হচ্ছে। শিক্ষা বিস্তারের সঙ্গে গুণগত মানের শিক্ষায় জোর দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

অর্থনীতির প্রথম ফাঁদে আটকে রয়েছেন দেশের শ্রমজীবী মানুষ। তারা উদয়াস্ত পরিশ্রম করেও প্রয়োজনীয় আয় করতে পারছেন না। সংসারের আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য এত কম যে, সামান্য ধাক্কা সামলানোর মতো সঞ্চয়ও থাকছে না অনেক পরিবারের। পিপিআরসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ পরিবার এখন ‘ভঙ্গুর মধ্যবিত্ত’। দারিদ্র্যসীমার ওপরে থাকলেও ব্যয় করার সক্ষমতা কম, এমন মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ১০ লাখ। তাদের অর্ধেকের বেশি পরিবারের ঋণ সঞ্চয়ের চেয়ে বেশি।

এ যেন অর্থনীতির এক দুষ্টচক্র, যেখানে মানুষ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও উন্নত জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় আয় ও নিরাপত্তা পায় না। ফলে কাজ করে দারিদ্র্য দূর হচ্ছে না; বরং কর্মজীবী দরিদ্রের সংখ্যা বাড়ছে

প্রতিদিনের ব্যয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে না আয়। গবেষণায় দেখানো হয়েছে, মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের গড় মাসিক আয় ৩২ হাজার ৬৮৫; আর ব্যয় ৩২ হাজার ৬১৫ টাকা। তাতে মাস শেষে হাতে থাকে মাত্র ৭০ টাকা। সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশ পরিবারের গড় মাসিক আয় ৮ হাজার ৪৭৭ টাকা হলেও ব্যয় ১২ হাজার ২৯৪ টাকা। ঘাটতি মেটাতে এসব পরিবারকে হয় ঋণ করতে হচ্ছে, না হয় সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে। এ ছাড়া সর্বনিম্ন আয়ের ৪০ শতাংশ পরিবারের মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকার কম। তার বিপরীতে এসব পরিবারের ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ অর্থ খাবারের পেছনে চলে যায়। ফলে শিক্ষা, যাতায়াত ও চিকিৎসায় ব্যয় করার টাকা থাকে না তাদের। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৭ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, চিকিৎসার ব্যয় তাদের আর্থিক সংকটের অন্যতম কারণ।

এসব গেল পরিবারের সমস্যা। পরিবারের সঞ্চয় যেমন পরিবারের সুরক্ষা, রাষ্ট্রের সঞ্চয় তেমনি সব নাগরিকের সুরক্ষা। রাষ্ট্রের বিনিয়োগের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়; বরং উদ্বেগজনক। গত অর্থবছরে বেসরকারি ও সরকারি উভয় বিনিয়োগই কমেছে। নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ১৫ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে নতুন মূলধন বিনিয়োগ, ৭০ দশমিক ৩ শতাংশ। বিনিয়োগের এই স্থবিরতা দীর্ঘায়িত হলে নতুন শিল্প গড়ে ওঠা, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ সীমিত হতে পারে। ফলে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং উৎপাদনশীল খাতে পুঁজিপ্রবাহ বাড়ানোও অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

দেশে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে এখনো কর্মসংস্থান বেশি; কিন্তু পুঁজি না থাকায় এগুলো বড়, উৎপাদনশীল ও স্থিতিশীল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে পারছে না। নতুন কর্মসংস্থান ও মানসম্পন্ন আয়ের ক্ষেত্র হিসেবেও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হচ্ছে না। দেশে প্রতি বছর প্রায় ২২ লাখ নতুন কর্মশক্তি আসছে শ্রমের বাজারে। উচ্চশিক্ষিত তরুণদের সংখ্যাও প্রায় পাঁচ লাখের মতো। শিক্ষিত তরুণদের দক্ষতার সঙ্গে চাকরির চাহিদার মিল না থাকায় সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। এ যেন অর্থনীতির এক দুষ্টচক্র, যেখানে মানুষ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও উন্নত জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় আয় ও নিরাপত্তা পায় না। ফলে কাজ করে দারিদ্র্য দূর হচ্ছে না; বরং কর্মজীবী দরিদ্রের সংখ্যা বাড়ছে।

দারিদ্র্য থেকে টেকসই উত্তরণের পথে বড় বাধা রাজনৈতিক ও শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা। দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে, ফলে সরকারের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় করার সক্ষমতা কম। পাশাপাশি ঋণের সুদ ও আসল শোধ করতে বাজেটের ওপর বাড়তি বোঝা সৃষ্টি হচ্ছে।

দেখা গেছে, সরকারের খামখেয়ালি ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা রাজস্ব ফাঁকি, ব্যবসায়িক হয়রানি এবং অন্যায্য সুবিধা আদায়ের সুযোগ বাড়াচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি হলেও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে সে উদ্যোগ কম। রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ দেওয়ার কারণে বেড়েছে খেলাপি ঋণ। ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতে খেলাপির হার বেড়ে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ৬ লাখ কোটির বেশি।

অর্থনীতির এই ফাঁদ থেকে উত্তরণের জন্য স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন দরকার। এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধানতম খাত। সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়া— এই পাঁচটি দেশ থেকেই প্রবাসী আয়ের ৬২ শতাংশ আসে। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এক্ষেত্রে সংকটে ফেলতে পারে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে গার্মেন্টস পণ্য থেকে। একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতাও কর্মসংস্থান ও রপ্তানির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ সংকট সমাধানের ওপর নির্ভর করছে অর্থনীতির গতিশীলতা।

 

লেখক: রাজনৈতিক সংগঠক ও বিশ্লেষক

 

উন্নয়নতাপমাত্রাস্মার্টফোনঅর্থনীতিজিডিপিমূল্যস্ফীতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ছাত্রলীগে পদ পাওয়ায় জামায়াত সভাপতি বাবা বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’

    ছাত্রলীগে পদ পাওয়ায় জামায়াত সভাপতি বাবা বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: দেশে নজরুলের পরিবারে শোকের মাতম, হৃদরোগে ফুফুর মৃত্যু

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড: দেশে নজরুলের পরিবারে শোকের মাতম, হৃদরোগে ফুফুর মৃত্যু

    আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি, মূল্য নির্ধারণে ২৫% ছাড়

    আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি, মূল্য নির্ধারণে ২৫% ছাড়

    টাইগারের ওপর হামলা, ছুটে গেলেন সাবেক প্রেমিকা দিশা পাটানি

    টাইগারের ওপর হামলা, ছুটে গেলেন সাবেক প্রেমিকা দিশা পাটানি

    রাতে বললেন গুজব, সকালে ভোল পাল্টালেন ইশরাক, দুপুরে দেবেন পদত্যাগের ঘোষণা

    রাতে বললেন গুজব, সকালে ভোল পাল্টালেন ইশরাক, দুপুরে দেবেন পদত্যাগের ঘোষণা

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের যত পদত্যাগ

    মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের যত পদত্যাগ

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    মিষ্টি থেকে ইশরাক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জিরো টলারেন্স

    মিষ্টি থেকে ইশরাক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জিরো টলারেন্স

    মিষ্টি কেনার পথে দুর্ঘটনা, বাড়ি না ফিরে কারাগারে রাবি শিক্ষার্থী রিজন

    মিষ্টি কেনার পথে দুর্ঘটনা, বাড়ি না ফিরে কারাগারে রাবি শিক্ষার্থী রিজন

    প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি পদত্যাগ করতে চাই, তিনি সম্মতি দিয়েছেন : ইশরাক

    প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি পদত্যাগ করতে চাই, তিনি সম্মতি দিয়েছেন : ইশরাক

    টাইগারকে গুলির পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুঁশিয়ারি, ‘সালমানের সঙ্গে কাজ করলে ছাড় নয়’

    টাইগারকে গুলির পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুঁশিয়ারি, ‘সালমানের সঙ্গে কাজ করলে ছাড় নয়’

    ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়ালা গ্রেপ্তার

    ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়ালা গ্রেপ্তার

    নারায়ণগঞ্জে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার অবৈধ সুতা জব্দ

    নারায়ণগঞ্জে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার অবৈধ সুতা জব্দ

    জাপানে বৃত্তির অনেক সুযোগ

    জাপানে বৃত্তির অনেক সুযোগ