Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রহিমের ‘মানবতার সদাইঘর’
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় পরবাসে

জাপানে বৃত্তির অনেক সুযোগ

নিপুণ নওরীন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৬
জাপানে বৃত্তির অনেক সুযোগ

জাপানের কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছেন নিপুণ নওরীন। সেখান থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি

যখন প্রথম কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে জাপানে আসি, তখন স্বাভাবিকভাবেই সবকিছু নিয়ে প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল, আবার ভেতরে ভেতরে একটু ভয়ও কাজ করছিল। কারণ আমার জন্য প্রায় সবকিছুই নতুন ছিল। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ, নতুন খাবার, এমনকি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ভাষাটাও নতুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে প্রথম যে বিষয়টা আমাকে বেশ অবাক করেছিল, সেটি এখানকার পড়াশোনার ধরন। বাংলাদেশে আমরা সাধারণত মিডটার্ম পরীক্ষা বা ফাইনাল পরীক্ষাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে অভ্যস্ত। একটা ফাইনাল অনেক সময় পুরো সেমিস্টারের ফলাফলই নির্ধারণ করে দেয়। এখানে এসে দেখলাম, অধিকাংশ কোর্সে পুরো সেমিস্টারেই রিপোর্ট, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেনটেশন, শর্ট পেপার— এগুলোর ভিত্তিতে ইভালুয়েশন চলে।

আরেকটা বিষয় আমাকে খুব মুগ্ধ করেছে— শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক। প্রফেসররা খুবই ব্যস্ত মানুষ, কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতি তারা খুবই আন্তরিক। আমাদের শিক্ষকরা কখনো রান্নার উৎসব আয়োজন করেন, কখনো ল্যাবের সবাইকে নিয়ে ঘুরতে যান, আবার কখনো ক্লাসে ভালো কিছু করলে জাপানিজ স্ন্যাকস বা কোনো জায়গা থেকে আনা ‘ওমিয়াগে’ (স্যুভেনির) দিয়ে উদ্বুদ্ধ করেন। আমি মনবুকাগাকুশো বৃত্তির ফান্ডিংয়ে জাপানে এসেছি।

কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়েন। আমাদের কোহর্টে আমরা ২৯ জন আছি, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে। এই সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যটা বেশ শিক্ষণীয়। অনেক কিছু আছে, যেগুলো হয়তো ক্লাসে কোনোদিন শেখা হতো না, কিন্তু বন্ধুদের সঙ্গে থাকতে থাকতে শিখছি।

বিশেষ করে সবাই ভার্সিটির ডর্মে থাকায় বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে খুব কাছ থেকে মেশার সুযোগ হয়েছে। ডরমিটরিতে সাপ্তাহিক কফি আওয়ার হয়, সবাই এসে গল্প করে, পরিচিত হয়। আবার নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অ্যাকটিভিটি থাকে। ধানের মৌসুমে আমরা একসঙ্গে ধান লাগাতে গিয়েছি, সমুদ্রের পাশে বসে আতশবাজি দেখেছি, জাপানি গ্রীষ্মকালীন ট্র্যাডিশন ‘নাগাশি সোমেন’ করেছি— যেখানে বাঁশের ভেতর দিয়ে ঠান্ডা পানির সঙ্গে নুডলস ভেসে আসে, আর চপস্টিক দিয়ে সেটি ধরতে হয়! বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিসরে কমিউনিটি প্রোগ্রাম হয়। জাপানে আসার পর প্রথমদিকে আমি ভাষা একেবারেই জানতাম না। ফলে অনেকবার রাস্তা হারিয়েছি। কখনো ভুল বাসে উঠেছি, ভার্সিটির ভেতর ক্লাসরুম খুঁজে পাইনি, লাইব্রেরি বা ক্যাফেটেরিয়া কোথায় বুঝিনি। তখন যেটি আমাকে সবচেয়ে অবাক করেছে, সেটি হলো— আমি কাউকে রাস্তা জিজ্ঞেস করলে তারা শুধু রাস্তা দেখিয়ে দিয়ে থেমে থাকেনি। আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছে। সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ, যার সঙ্গে হয়তো কখনো আবার দেখা হবে না।

ধানের মৌসুমে আমরা একসঙ্গে ধান লাগাতে গিয়েছি, সমুদ্রের পাশে বসে আতশবাজি দেখেছি জাপানি গ্রীষ্মকালীন ট্র্যাডিশন ‘নাগাশি সোমেন’ করেছি

জাপানে এসে প্রথম যে বিষয়গুলো চোখে পড়ে, তার একটি জীবনযাপনের খরচ। বাংলাদেশের তুলনায় যাতায়াত, বাসা ভাড়া এবং খাবারের পেছনে অনেক বেশি ব্যয় হয়। তবে সৌভাগ্যবশত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকার সুযোগ থাকলে অনেকটা স্বস্তি পাওয়া যায়। আমার পরিচিত অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে দেখেছি খণ্ডকালীন কাজ করে নিজেদের দৈনন্দিন খরচ, এমনকি পড়াশোনার ব্যয়েরও একটি অংশ বহন করতে। তবে কাজ খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে জাপানি ভাষার প্রাথমিক দক্ষতা অনেক সাহায্য করে।

জাপানে পড়তে আগ্রহীদের প্রথমেই বলব, যতটা সম্ভব আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করা উচিত। বিশেষ করে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ে পড়তে চাইলে জাপানের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পাশাপাশি সাক্ষাৎকারও দিতে হয়। তাই আবেদনপত্রের সঙ্গে একটি সুপরিকল্পিত গবেষণা প্রস্তাবনা, মানসম্মত এসওপি এবং ভালো ইংরেজি দক্ষতা আবেদনকে অনেক শক্তিশালী করে। জাপানের আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্রম অটাম সেমিস্টারে, অর্থাৎ অক্টোবর মাসে শুরু হয়। তাই বছরখানেক আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়, সম্ভাব্য সুপারভাইজার অধ্যাপক এবং ভর্তিসংক্রান্ত শর্তাবলি সম্পর্কে খোঁজ শুরু করা উচিত। জাপানে উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তির সুযোগও বেশ ভালো। সবচেয়ে পরিচিত বৃত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান সরকারের মেক্সট বৃত্তি, যার মাধ্যমে আমিও জাপানে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। এ ছাড়া জ্যাসো বৃত্তি, এডিবি-জাপান বৃত্তি কর্মসূচি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বৃত্তি, স্থানীয় প্রশাসন বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আরও নানা ধরনের বৃত্তির সুযোগ রয়েছে।

সবশেষে জাপান সম্পর্কে আমার অনুভূতির কথা বলতে গেলে একটি উদ্ধৃতি মনে পড়ে। জন গ্রিনের লুকিং ফর আলাস্কা উপন্যাসে টমাস এডিসনের শেষ কথার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে একটা লাইন আছে—

“ওপারে খুব সুন্দর। আমি জানি না সেই ‘ওপার’ কোথায়, তবে আমি বিশ্বাস করি সেটি কোথাও আছে, আর আমি আশা করি জায়গাটা সুন্দর।”

কথাটার মধ্যে একটা অদ্ভুত আশা আছে— আমরা জানি না সামনে কী অপেক্ষা করছে, তবু সুন্দর কিছুর প্রত্যাশা করি।

জাপানবৃত্তিকিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ইকোনমিক ইঞ্জিনিয়ারিংউচ্চশিক্ষা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা উড়োজাহাজে রোগীর মৃত্যু যে কারণে

    ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা উড়োজাহাজে রোগীর মৃত্যু যে কারণে

    বকেয়া বিল আদায়ে গিয়ে মারধরের শিকার পল্লীবিদ্যুতের ২ কর্মী

    বকেয়া বিল আদায়ে গিয়ে মারধরের শিকার পল্লীবিদ্যুতের ২ কর্মী

    টুপটুপ রিসোর্টের মালিক তানভীরকে প্রধান আসামি করে মামলা

    টুপটুপ রিসোর্টের মালিক তানভীরকে প্রধান আসামি করে মামলা

    আগুনে ছাই বোনের বিয়ের জন্য জমানো ৭ লাখ টাকা

    আগুনে ছাই বোনের বিয়ের জন্য জমানো ৭ লাখ টাকা

    সচিব পর্যায়ে বড় রদবদল

    সচিব পর্যায়ে বড় রদবদল

    বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

    বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

    দলীয় পদ ছাড়ছেন না ভিসিরা, আছেন কমিটিতে-শিক্ষক সংগঠনে

    দলীয় পদ ছাড়ছেন না ভিসিরা, আছেন কমিটিতে-শিক্ষক সংগঠনে

    চিকিৎসাসেবায় মেশিন লার্নিং

    চিকিৎসাসেবায় মেশিন লার্নিং

    একই আঙিনায় মন্দির-মসজিদ, ৫৬ বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গাপূজা

    একই আঙিনায় মন্দির-মসজিদ, ৫৬ বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গাপূজা

    পদত্যাগের নির্দেশের খবরকে অসত্য বললেন  ইশরাক

    পদত্যাগের নির্দেশের খবরকে অসত্য বললেন ইশরাক

    ‘স্বামীর নির্যাতন সইতে না পাইরা আমার পথ বাইছা নিলাম’

    ‘স্বামীর নির্যাতন সইতে না পাইরা আমার পথ বাইছা নিলাম’

    শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতায় ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তার দাবি

    শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতায় ৫ হাজার কোটি টাকা সহায়তার দাবি

    অনুতপ্ত নন গ্রেপ্তার আমিনী

    অনুতপ্ত নন গ্রেপ্তার আমিনী

    যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ভারতীয় গায়িকা ইমন চক্রবর্তী

    যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ভারতীয় গায়িকা ইমন চক্রবর্তী