Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পরিবেশবান্ধব চুলা ছড়িয়ে দেন কবুলজান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

স্থানীয় নির্বাচন কেন্দ্রীয় জটিলতা

রাজেকুজ্জামান রতন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৩৪
শেয়ার করুন:
স্থানীয় নির্বাচন কেন্দ্রীয় জটিলতা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনীতির মাঠে এখন নানা ধরনের তৎপরতা চলছে। নির্বাচন কবে হবে, কীভাবে হবে, জোট না একক দলীয়— এসব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণকে অনেকেই নির্বাচনপ্রিয় বলে মনে করেন। রাজনীতিতে প্রবল উৎসাহ আর নির্বাচনে বিপুল উদ্যমে নেমে যাওয়া আমাদের দেশের জনগণের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, এ দেশের জনগণের দীর্ঘ সময় আন্দোলন করতে হয়েছে এবং এখনো বলছেন এবং ভাবছেন নির্বাচনের কথা। আরেকটি বিষয় ভেবে দেখার মতো, যে নির্বাচনের জন্য এত আগ্রহ ও আন্দোলন, নির্বাচিত হওয়ার পর ক্ষমতা ছাড়তে ক্ষমতাসীনদের ততই অনাগ্রহ। কত ধাপের নির্বাচন হয় দেশে, তা বিবেচনা করলে দেখা যায়— জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন দলকে প্রায় পুরোটা সময় নির্বাচন নিয়ে ভাবতে ও তা অনুষ্ঠিত করতেই ব্যয় করতে হয়।

কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত ছয় ধাপের নির্বাচন আছে বাংলাদেশে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ নির্বাচন হলো স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন আর জাতীয় সংসদ নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলো জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচন। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে আর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে। বাকি পদগুলো নির্বাচিতদের দ্বারাই নানাভাবে নির্ধারিত হয়।

সাড়ে ১২ কোটি ভোটারের দেশে নির্বাচন পরিচালনা করবে কে? সংবিধানে বলা আছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে নির্বাচন কমিশন বা ইসি। এ ছাড়া সংবিধান বা অন্য কোনো আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো দায়িত্ব কমিশন পালন করবে। আবার স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন আইনে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসিকে। ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসারে ইসি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন, পরিচালনা ও সম্পাদন করবে। শুধু তা-ই নয়, কোন কোন বিষয়ে ইসি বিধান করতে পারবে, সেটাও এ ধারায় বলা আছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের তারিখ, সময়, স্থান ও নির্বাচন পরিচালনা-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে বিধান করতে পারবে ইসি। উপজেলা পরিষদ আইনেও একই কথা বলা আছে।

তবে নির্বাচন যেহেতু জনসম্পৃক্ত বিষয়, তাই কমিশন স্বাধীন। তাদের নির্বাচন করার সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর তারিখ ঘোষণা করে থাকে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশন ও সরকার সমন্বয় করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। যদিও আইন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। তবে রীতি হচ্ছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ইসি ও সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করে।

কিছুদিন আগে নির্বাচন কমিশন ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। আকস্মিকভাবে ইসি প্রথম ধাপে ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ১৭ জানুয়ারি এবং পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে আগামী বছরের ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোট করার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিল। এ ঘোষণা নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বললেন, নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে ইসি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেনি। এমনকি তিনি এটাও বলেছিলেন, ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কিছু জানে না। নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারের এ বিষয়ে কোনো আলোচনাও হয়নি। ফলে জটিলতা চূড়ান্ত রূপ ধারণ করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইসি তাদের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেয়। এভাবে একটা সংকটের সাময়িক সুরাহা হলেও সংকট থেকেই গেল।

জোটের বড় দল জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চায়, কিন্তু কয়েকটি শরিক দল চায় জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। সংকট এতটাই তীব্র রূপ নিতে যাচ্ছে, শরিকদের কেউ কেউ বলছেন, এ নিয়ে সমঝোতা না হলে তারা বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথাও ভাববেন

এ তো গেল ক্ষমতাসীন দলের বিষয়। বিরোধী দলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যে টানাপড়েন শুরু হয়েছে। জোটের বড় দল জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চায়, কিন্তু কয়েকটি শরিক দল চায় জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। সংকট এতটাই তীব্র রূপ নিতে যাচ্ছে, যা শরিকদের কেউ কেউ বলছেন, এ নিয়ে সমঝোতা না হলে তারা বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথাও ভাববেন। ফলে নির্বাচন ও অঞ্চল অনুযায়ী আসন বণ্টন নিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে— এ আশঙ্কায় জোটের কয়েকটি শরিক দলের যুক্তি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় করা না হলে ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে যাবে। ফলে স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়; শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং নির্বাচনী রাজনীতিতে ভবিষ্যৎ এর সঙ্গেও যুক্ত।

সাংগঠনিক, রাজনৈতিক এমন পরিস্থিতির মধ্যে হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি রাজনৈতিক দল ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি রয়েছে। তবে তারা এখনই জোট পরিত্যাগ করবে, এটা বলা যায় না। কারণ মতের চূড়ান্ত বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও তারা একজোটে থাকলেও একসঙ্গে নির্বাচন করা কঠিন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে বিপুলসংখ্যক পদে প্রার্থী বাছাই এবং সমঝোতা করা কঠিন। তা ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি ও আঞ্চলিক হিসাব গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না করে স্থানীয় সংগঠন, নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করলে ভালো ফল আসতে পারে।

ক্ষমতাসীন দলে এখন বড় সংকট শৃঙ্খলা। ক্ষমতার কত কাছে থাকা যায়, কত বেশি সুফল নিজের পক্ষে টানা যায়, প্রতিপক্ষকে কতটা দুর্বল ও অপ্রস্তুত অবস্থায় রেখে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া যায়— সেটাই তাদের লক্ষ্য। ফলে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে আঞ্চলিক বিরোধ যা হামলা-মামলা এমনকি খুনোখুনির পর্যায়ে চলে গেছে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে না পারলে এবং সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ইউপি নির্বাচনে হতাহতের সংখ্যা বিপুল বেড়ে যেতে পারে, যা সরকারের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে।

সারা দেশে ৪৯৮টি উপজেলা আর ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে স্থানীয় সরকার এক বিশাল কাঠামো। প্রতি উপজেলায় একজন চেয়ারম্যান, দুজন ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রতি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানসহ ১৩ জন সদস্য নিয়ে প্রায় ৬১ হাজার সদস্যের এক বিশাল অবয়ব এ স্থানীয় সরকার। ফলে আরেক অর্থে স্থানীয় সরকার পরিষদ নির্বাচন হলো স্থানীয় পর্যায়ে নেতাদের পুনর্বাসনের মতো। বিশাল বাজেট, বহু ধরনের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, জন্ম-মৃত্যুনিবন্ধনসহ নানা কাজের জালে আটকে থাকে জনগণ স্থানীয় সরকারের সঙ্গে। ফলে স্থানীয় ক্ষমতা কাঠামোতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয় এর মাধ্যমে। তাই এ নির্বাচন ক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা হওয়া উচিত ছিল স্থানীয় পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত গণতন্ত্রচর্চার প্রতিষ্ঠান; তা হয়ে উঠেছে ক্ষমতাকাঠামোর শৃঙ্খল। নির্বাচনকে তাই গণতান্ত্রিক করতে টাকার খেলা, ক্ষমতা, পেশি এবং প্রশাসনমুক্ত করা সময়ের দাবি।

 

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক

 

তৎপরতাস্থানীয় নির্বাচনজটিলতারাজনীতিকমিশনকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    শ্যালিকাকে বিয়ে, চুনকালি মাখিয়ে গ্রামছাড়া করা হলো টিকটকারকে

    শ্যালিকাকে বিয়ে, চুনকালি মাখিয়ে গ্রামছাড়া করা হলো টিকটকারকে

    জাপানি বিনিয়োগেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের করতে চায় সরকার

    জাপানি বিনিয়োগেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের করতে চায় সরকার

    ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন

    ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন

    মাকে ভিডিওতেও এনে বাবার বিরুদ্ধে ১৮ বিয়ের অভিযোগ তাশরীফের

    মাকে ভিডিওতেও এনে বাবার বিরুদ্ধে ১৮ বিয়ের অভিযোগ তাশরীফের