Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রতিবন্ধীদের সেবায় কাজল
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

ডিসিসিকে একক চরিত্রে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন

ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:৪৫
ডিসিসিকে একক চরিত্রে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সংকট নিয়ে গভীরভাবে ভাবা এবং তার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কোনো নমুনা চোখে পড়ে না। সবই ভাসা ভাসা। গভীরতর স্তরে বিদ্যমান কারণগুলোকে আমলে না নিয়ে বাহ্যিক উপসর্গগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বহুদিন ধরে। উদাহরণস্বরূপ, সমন্বিত নগর ব্যবস্থাপনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতার সংকটের কথা বলা হয়। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে কোনো প্রকার নাগরিক সংলাপ ছাড়াই ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ করে ফেলা হলো। দলীয় কর্মীদের মধ্যে অধিক হারে পদ বণ্টন ও সম্পদের ভাগবাটোয়ারা ছাড়া এই অদ্ভুত পদক্ষেপের অন্য কোনো যুক্তি ছিল না।

আরেকটি উদাহরণ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর ওপর দিয়ে বৃত্তাকার পথে জলযান চালুর উদ্যোগ। ২০০০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর ওপর ‘বৃত্তাকার জলপথ’ প্রকল্পটি চালু হয়েছিল। এর পাঁচ বছর পর বিএনপি সরকারের আমলে আশুলিয়া থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ২৯.৫ কিলোমিটার রুটের ড্রেজিং সম্পন্ন করা হয় এবং জলযানগুলোর জন্য বিভিন্ন স্থানে ল্যান্ডিং স্টেশনও নির্মিত হয়। কিন্তু ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চালু থাকা এই জলপথে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা, ত্রুটিপূর্ণ জলযান ও অপর্যাপ্ত যাত্রীসংখ্যার কারণে যাত্রীসেবা প্রায়ই স্থগিত বা বন্ধ রাখা হতো। এরপর ২০১৩ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু করে, কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে সেটাও ২০১৬ সালে বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২২ সালে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বৃত্তাকার জলপথে স্পিডবোট সার্ভিস চালু হয়, কিন্তু বর্তমানে সেটারও কোনো দৃশ্যমানতা নেই।

একইভাবে ঢাকা শহরে ব্যক্তিগত গাড়ি হ্রাস, সমন্বিত স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বাস সার্ভিসকে একক বা কয়েকটি কোম্পানির আওতায় আনা, ইত্যাদি উদ্যোগের কথা অনেকবার শুনেছি। এ লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণীত হয়েছে, অর্থের শ্রাদ্ধ হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে এমনকি আশির দশকেও ঢাকা মহানগরীর সড়কে ও গলিতে যানবাহন চলাচলে যে স্বস্তি ছিল তার ক্রমেই অবনতি ঘটেছে। নগর ব্যবস্থাপনার অভাব ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতার সংকটের কথা বলে বিষয়টিকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যাবে না। সমাধান হিসেবে কেউ কেউ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী একটি একক মহানগর সমন্বয় কর্তৃপক্ষের কথা বলে থাকেন। কিন্তু তারা ভুলে যান যে, সেটা করার আগে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে প্রথমে আগের একক চরিত্রে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। তা ছাড়া সমন্বয়ই যদি মূল সমস্যা হতো, তাহলে সমন্বয়কারী হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের কী প্রয়োজন ছিল? ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে অধীনস্থ সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার দায়িত্ব তো এই বিভাগের ওপরই বর্তায়।

আসলে মূল সমস্যা হলো দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আমলাতন্ত্রের মধ্যে অনৈতিকতার চর্চা ও অকার্যকারিতার ব্যাপক উপস্থিতি। এটা বুঝতে পেরেই সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউ জাতীয় উন্নয়নের জন্য প্রথমেই দুর্নীতি নির্মূলের ওপর জোর দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের সমাজ ও অর্থনীতিতে নৈতিকতার যে জোয়ার এসেছিল, তার ফলেই দেশটি তার বিশাল প্রতিবেশীদের ছাড়িয়ে এশিয়ার অন্যতম উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিল।

এ প্রসঙ্গে আমলাতন্ত্রের অকার্যকর আচরণের কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা আলোচনা করা যায়। মোটা দাগে অকার্যকর আচরণ হলো সেসব নিরপেক্ষ ও নেতিবাচক আচরণ যেগুলো সংগঠনের লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: (ক) দায়িত্ব এড়ানো (খ) দায়িত্ব ছড়িয়ে দেওয়া (গ) কর্তৃত্ব মজুদ করা (ঘ) সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব (ঙ) আনুষ্ঠানিকতা ও আচারপ্রিয়তা (চ) আমলাতান্ত্রিক অন্তর্ঘাত (ছ) অচলাবস্থা সৃষ্টি (জ) আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা। এগুলো বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের আর্থসামাজিক অঙ্গনে সর্বত্র বিরাজমান।

বৈশিষ্ট্যগুলোর কিছুটা ব্যাখ্যা করা যাক। প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো, দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণীত কৌশল প্রয়োগ করেও আমলারা দায়িত্ব এড়ায়। এক্ষেত্রে বিধিবিধান ও পদ্ধতির মর্ম বা উদ্দেশ্যের পরিবর্তে সেগুলোর আক্ষরিক অর্থ ব্যবহৃত হয়। এতে জন্ম নেয় সেবাপ্রার্থীকে ঘোরানোর সংস্কৃতি ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য। এই প্রক্রিয়ায় বিধিবিধানের দোহাই দিয়ে নিচু স্তরের কর্মীরা সেবাপ্রার্থীদের আবেদনকে ঠেকিয়ে দেয়। ফলে ‘বিধি এটা বলে’ বা ‘এ ব্যাপারে কিছুই করা যাবে না’— এ ধরনের ঘোষণা প্রায়ই শোনা যায়; আর প্রশাসনের সকল স্তরে ‘গলা বাড়িয়ে কিছু করতে যেও না’ কথাটিও প্রায়োগিক দর্শনে পরিণত হয়। তা ছাড়া নিচের বা ওপরের কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব সমর্পণ, কোনো সমস্যাকে ফাইলের নিচে চাপা দিয়ে অথবা সমস্যাকে উপেক্ষা করে সময়ক্ষেপণের মাধ্যমেও আমলারা দায়িত্ব এড়ায়।

আমলাতান্ত্রিক অকার্যকারিতার আরেকটি পন্থা হলো দায়িত্বকে ছড়িয়ে দেওয়া। বিভিন্ন সূত্র থেকে বিশেষজ্ঞ মতামত সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা থেকে সভা-সমাবেশ, সলাপরামর্শ ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠার দরকার হয়। এর জন্য গঠিত হয় কমিটি, সাব-কমিটি ইত্যাদি। কিন্তু কমিটিকে অর্পণ করার দায়িত্ব থাকে নৈর্ব্যক্তিক, আর তাই সদস্যরা এই ব্যক্তিহীন সত্তার পেছনে সহজেই লুকোতে পারে, যেহেতু সমঝোতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ফলে কার্যকর দায়িত্ববোধের অভাব দেখা দেয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কমিটির তেমন কোনো কার্যকারিতা থাকে না।

আমলাদের মধ্যে ক্ষমতা মজুদের প্রবণতাও তাদের কার্যকারিতাকে হ্রাস করে। এ ধরনের আমলা নিজেকে একজন অব্যর্থ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে দেখেন এবং অধস্তন কর্মীসহ অন্যদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার ব্যাপারে সন্দিহান থাকেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্তর বিন্যাসে শূন্যস্থান থাকলে নিজের কর্মক্ষমতার ব্যাপারে আস্থাশীল আমলা সেটা পূরণের চেষ্টা করেন। আর ঝুঁকির অজুহাতে তিনি দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব নিচের স্তরে হস্তান্তর না-ও করতে পারেন। কিন্তু সবকিছু নিজে করার এই প্রবণতার ফলে সাংগঠনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে কিছু উচ্চাভিলাষী আমলা পদের সঙ্গে সম্পর্কিত মর্যাদা, ক্ষমতা ও বেতন-ভাতাকে গুরুত্ব দিয়ে এগুলো বাড়াতে অধিক জনবল, ভৌত পরিসর ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রয়াস চালান, যা দপ্তরের লক্ষ্য অর্জনে অল্পই সহায়ক হয়। আমলাতন্ত্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বহুবিধ জটিলতার কারণেও দ্রুত সিদ্ধান্তে আসাটা বেশ দুরূহ হয়ে পড়ে, ফলে সেবাপ্রার্থী এবং সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তি খাতের মক্কেলরা অযথা বিড়ম্বনা ও বিলম্বের সম্মুখীন হন। আমলাতন্ত্রে আচরণের সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আসলে মূল সমস্যা হলো দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আমলাতন্ত্রের মধ্যে অনৈতিকতার চর্চা ও অকার্যকারিতার ব্যাপক উপস্থিতি। এটা বুঝতে পেরেই সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউ জাতীয় উন্নয়নের জন্য প্রথমেই দুর্নীতি নির্মূলের ওপর জোর দিয়েছিলেন

ফলে আনুষ্ঠানিক বিধিবিধান ও প্রক্রিয়া যখন দীর্ঘকাল অনুসৃত হয়, তখন সাংগঠনিক লক্ষ্য অর্জনের চেয়েও বিধিবিধান বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে জন্ম নেয় অসার আনুষ্ঠানিকতা, উদ্দেশ্যহীন আচারসর্বস্বতা এবং লাল ফিতা। প্রতিষ্ঠিত বিধিবিধানের আওতায়ই আমলাতান্ত্রিক অন্তর্ঘাত ঘটে থাকে। এর সবচেয়ে সাধারণ রূপ হলো অধস্তন দ্বারা ঊর্ধ্বতনকে বাধাগ্রস্ত করা। এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য চেপে রাখা হয় অথবা ঊর্ধ্বতনকে অনেক তথ্য সরবরাহ করা হয় যেগুলোর কোনো ব্যবহারিক মূল্য নেই। আর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অধস্তন কর্মকর্তার জোট গঠন হলে তো কথাই নেই। যখন সংগঠনের কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে কিছু না করাটাই সহজতর বা সুবিধাজনক হয়, তখনই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। উৎপাদনশীলতার ওপর এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব থাকে। সবশেষে আসে আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতার প্রসঙ্গ। কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে পদোন্নতি না দিয়ে শুধু অনুগত ও বিশ্বস্ত কর্মকর্তাদেরই পদোন্নতি দিলে সংগঠনের সকল স্তরে অদক্ষতা ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষত ওপরের স্তরে যা অধিকমাত্রায় দৃশ্যমান হয়।

এটা পরিষ্কার, আমলারা প্রায়ই সংগঠনের লক্ষ্য অর্জনের পরিবর্তে নিজস্ব সুযোগ-সুবিধা আদায়ের ব্যাপারেই বেশি মনোযোগী থাকে। বর্তমানে দেশের শাসক ও সেবকদের অনৈতিকতা ও অকার্যকারিতা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে করে ঢাকা মহানগরীর উন্নয়ন ও বিকাশে যতই প্রাজ্ঞ সিদ্ধান্ত, খাতভিত্তিক প্রকল্প বা সুচারু পরিকল্পনা নেওয়া হোক না কেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষ্য অর্জন সুদূরপ্রসারীই থেকে যাবে। দুর্নীতি নির্মূল ছাড়া এই সংকট সমাধানের কোনো বিকল্প নেই।

 

লেখক: অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ কোয়ার্টারলির প্রাক্তন সম্পাদক

ডিসিসিনগর ব্যবস্থাপনাবুড়িগঙ্গা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিএনপি নেতাদের সালিশ, পরদিন নারীর আত্মহত্যা

    প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিএনপি নেতাদের সালিশ, পরদিন নারীর আত্মহত্যা

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    কথাকারের মোড়কে আদতে এক ক্ষ্যাপা কবি

    কথাকারের মোড়কে আদতে এক ক্ষ্যাপা কবি

    ভিডিও করেন পাকিস্তানি, ছড়িয়ে দেওয়া ভারতীয় যুবকও সৌদি কারাগারে

    ভিডিও করেন পাকিস্তানি, ছড়িয়ে দেওয়া ভারতীয় যুবকও সৌদি কারাগারে

    গুলশানের কিংফিশার বারে অভিযান, গোপন কক্ষের সন্ধান

    গুলশানের কিংফিশার বারে অভিযান, গোপন কক্ষের সন্ধান

    প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আলোচনায় মাতারবাড়ী বিজনেস হাব

    প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আলোচনায় মাতারবাড়ী বিজনেস হাব

    অটোরিকশা নিয়ে পালাচ্ছে চোর, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর পিটুনিতে নিহত ২

    অটোরিকশা নিয়ে পালাচ্ছে চোর, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর পিটুনিতে নিহত ২

    জন্মদিনে সুখবর দিলেন পরীমনি

    জন্মদিনে সুখবর দিলেন পরীমনি