Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের কল্যাণই রেজাউলের ব্রত
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

প্যালিয়েটিভ কেয়ার: অধিকার, সংকট ও করণীয়

আসিফ হাসান নবী
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২০:০৬
প্যালিয়েটিভ কেয়ার: অধিকার, সংকট ও করণীয়

সংগৃহীত ছবি

১০ অক্টোবর বিশ্ব হসপিস ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষিত ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য 'Pain Management: An Essential Part of Palliative Care' বা 'ব্যথা-নিয়ন্ত্রণ: প্যালিয়েটিভ কেয়ারের অপরিহার্য অংশ'। প্রতিপাদ্যটি শুধু শারীরিক ব্যথা নয়, মানসিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক কষ্টকেও সমন্বিতভাবে বিবেচনার ওপর জোর দেয়।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সম্পর্কে আমাদের সমাজে এখনো ভুল ধারণা প্রচলিত। অনেকে মনে করেন, এটি কেবল মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর জন্য, কিংবা চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার পর শেষ আশ্রয়। বাস্তবে এটি এমন একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা, যার লক্ষ্য রোগ সারানো সম্ভব না হলেও রোগীর ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, উদ্বেগ, অনিদ্রা ও অন্যান্য কষ্ট কমানো এবং রোগী ও পরিবারের জীবনমান উন্নত করা। তাই এটি মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করার ব্যবস্থা নয়; বরং জীবনের শেষ পর্যায় পর্যন্ত মানুষকে স্বস্তি, মর্যাদা ও মানবিকতার সঙ্গে বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া।

২০১৪ সালে বিএমইউ ও নিপোর্টের যৌথ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে বছরে আনুমানিক ৬ লাখ মানুষের প্যালিয়েটিভ সেবা প্রয়োজন হয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের ভার বিবেচনায় এখন এই সংখ্যা ৭ লাখের কাছাকাছি বলে অনুমান করা যায়। সেবা পান মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ। শিশুদের ক্ষেত্রে চিত্র আরও করুণ: আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী বছরে প্রায় ১ লাখ শিশুর এই সেবা প্রয়োজন, অথচ শিশুদের জন্য নিবেদিত সেবা কার্যত নেই।

আসিফ হাসান নবী

ক্যানসার, কিডনি রোগ, হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, লিভার সিরোসিস ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অসহনীয় ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং চিকিৎসার বিপুল ব্যয় রোগী ও পরিবারের ওপর গভীর চাপ তৈরি করে। এই বাস্তবতায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিলাসিতা নয়, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ।

হু'র তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালে বিশ্বে ১৮.১ মিলিয়ন নতুন ক্যানসার রোগী শনাক্ত হয় এবং ৯.৬ মিলিয়ন মানুষ ক্যানসারে মারা যায়। চিকিৎসাধীন রোগীদের ৫৫ শতাংশ এবং অগ্রসর বা টার্মিনাল রোগীদের ৬৬ শতাংশ মারাত্মক ব্যথার শিকার হন। এই ব্যথা কমানোর মূল ওষুধ মরফিন, যাকে হু মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথা উপশমের কার্যকর, তুলনামূলক কমদামি ও অপরিহার্য ওষুধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। অথচ সংস্থার হিসাবে বিশ্বে প্রায় পাঁচশ কোটি মানুষ পর্যাপ্ত ব্যথানাশকের নাগাল পান না। উন্নত দেশগুলো মোট মেডিক্যাল ওপিওয়েডের ৬৮ শতাংশ ব্যবহার করে, নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলো মাত্র ৭ শতাংশ; বাংলাদেশ এই বৈষম্যের প্রকট দৃষ্টান্ত।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২০১৫ সালে মাথাপিছু গড় মরফিন-সমতুল্য ব্যবহার ছিল ১.৭ মিলিগ্রাম, বৈশ্বিক গড় ৬১.৫ মিলিগ্রাম। ২০১২ সালের সমীক্ষায় বাংলাদেশে তা ছিল মাত্র ০.০৫ মিলিগ্রাম, পরবর্তী সমীক্ষায় ০.০৩৪ মিলিগ্রামের কাছাকাছি; যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০ মিলিগ্রামের তুলনায় যা নগণ্য। বৈশ্বিক ক্রমতালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৬০তম। এর অর্থ, অসংখ্য টার্মিনাল ক্যানসার ও জীবন-সীমিতকারী রোগের রোগী জীবনের শেষ দিনগুলো তীব্র, অনিয়ন্ত্রিত ব্যথা নিয়ে কাটান।

ক্যানসার, কিডনি রোগ, হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, লিভার সিরোসিস ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অসহনীয় ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং চিকিৎসার বিপুল ব্যয় রোগী ও পরিবারের ওপর গভীর চাপ তৈরি করে। এই বাস্তবতায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিলাসিতা নয়, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ

সংকটের শিকড় আইনেও রয়েছে। ঔপনিবেশিক আমলের ওপিয়াম আইন (১৮৭৮) ও ডেঞ্জারাস ড্রাগস অ্যাক্ট (১৯৩০) পেরিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এ ওপিওয়েড লেখার এখতিয়ার কঠোরভাবে সীমিত ছিল। ২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত মরফিন লিখতে চিকিৎসকদের বিশেষ লাইসেন্স নিতে হতো, নয়তো আইনি জটিলতা ও কারাদণ্ডের ঝুঁকি ছিল। ২০১৮ সালের নতুন আইনে এখন যেকোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক মরফিন লিখতে পারেন। তবু বাস্তব চিত্র খুব একটা বদলায়নি, কারণ সমস্যা শুধু আইনি নয়; এর সঙ্গে জড়িত উৎপাদন ও সরবরাহ, আমলাতান্ত্রিক অনুমোদন, বিতরণের সীমাবদ্ধতা, চিকিৎসকের প্রশিক্ষণ, অপব্যবহারের আশঙ্কা এবং রোগী-পরিবারের ভুল ধারণা।

মরফিনকে অবশ্য যথেচ্ছ ব্যবহারের ওষুধ ভাবা যাবে না। সঠিক রোগী, মাত্রা ও ব্যবধান, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করেই তা ব্যবহার করতে হয়। নীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত একসঙ্গে দুটি বিষয়: অপব্যবহার ঠেকানো এবং প্রকৃত রোগীর ব্যথামুক্ত থাকার অধিকার রক্ষা করা। এবারের প্রতিপাদ্য আমাদের সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়: প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ওষুধ কি সত্যিই যাঁদের দরকার, তাঁদের কাছে পৌঁছাচ্ছে? উত্তর এখনো সন্তোষজনক নয়।

মরফিন কোনো বিলাসিতা বা যথেচ্ছ ব্যবহারের ড্রাগ নয়; এটি গুরুতর অসুস্থ রোগীর কষ্ট লাঘবের চিকিৎসাগত প্রয়োজন। সঠিক রোগী, মাত্রা, নিরাপদ সংরক্ষণ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করে মরফিনের সহজপ্রাপ্যতা বাড়ানো দরকার। আমাদের নীতি নির্ধারণের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত অপব্যবহার রোধের পাশাপাশি চিকিৎসায় রোগীর পাওয়ার অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়া। আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার কোনো বিলাসিতা নয়, বরং এক অপরিহার্য মানবিক অধিকার।

লেখক: গবেষক ও প্রাবন্ধিক

প্যালিয়েটিভ কেয়ার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক হলেন শেখ মাহবুব উর রহমান

    বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক হলেন শেখ মাহবুব উর রহমান

    বরগুনায় বিএনপির নেতাদের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    বরগুনায় বিএনপির নেতাদের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    জব্দ আলামতে পাওয়া গেল  সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ’র মিল

    জব্দ আলামতে পাওয়া গেল সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ’র মিল

    ন্যাশনাল ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য সুখবর

    ন্যাশনাল ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য সুখবর

    কী আছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তিতে?

    কী আছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তিতে?