Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

জামায়াতের ইতিহাস দ্বিচারিতায় সমুজ্জ্বল

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩
জামায়াতের ইতিহাস দ্বিচারিতায় সমুজ্জ্বল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মতাদর্শিকভাবে জামায়াতে ইসলামী দেশের জন্য তো বটেই, নিজেদের দলের জন্যও প্রধান শত্রু— আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব সেই স্থূল সত্যটাকে উপেক্ষা করে। শুধু তা-ই নয়, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার ব্যাপারে তাদের বুর্জোয়া প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিকেই প্রধান শত্রু বলে ধরে নিয়ে তদনুযায়ী আচরণ করে। এটা অবশ্য অপ্রত্যাশিত ছিল না। তবে দেশবাসীর দিক থেকে যেটা প্রত্যাশিত ছিল সেটা হলো, স্বাধীন বাংলাদেশে সমাজতন্ত্রীরাই প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। প্রত্যাশার কারণও ছিল। সেটা এই যে, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথমে স্বাধীনতার ও পরে মুক্তির সংগ্রামে জাতীয়তাবাদীদের পাশাপাশি সমাজতন্ত্রীরা সর্বক্ষণই উপস্থিত ছিলেন; বস্তুত তারাই ছিলেন মূল চালিকাশক্তি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং তার আগে সত্তরের নির্বাচনেও; আওয়ামী লীগ যে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে, সেটা দেশের সংগ্রামী মানুষদের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা অসম্ভব— এ বিবেচনা থেকেই। কিন্তু স্বাধীনতার পর দেখা গেল সমাজতন্ত্রীরা পিছিয়ে যাচ্ছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নিয়েছে বুর্জোয়ারা। সমাজতন্ত্রীদের মধ্যে রুশপন্থী, চীনপন্থী আত্মঘাতী বিভাজন, রুশপন্থীদের আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকার প্রবণতা, চীনপন্থীদের বিভ্রান্তি ও বিভক্তি, এসবের মধ্য দিয়ে আরও একটি ঘটনা ঘটল, সেটি হলো আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে এবং সমাজতন্ত্রীদের কার্যকর অনুপস্থিতির দরুন সৃষ্ট শূন্যতা পূরণের সুযোগকে ব্যবহার করে আওয়ামীপন্থী তরুণদের নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) আবির্ভাব। দলটি সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার যতটা উচ্চ স্বরে ঘোষণা করা সম্ভব সেভাবেই করেছে, তাদের দলের নামকরণেও সমাজতন্ত্র জ্বলজ্বল করেছে; কিন্তু তাদের মূল নেতৃত্ব যে সমাজতন্ত্রবিরোধী ছিল, সেটা শুধু যে তাদের পূর্বপরিচয়ের মধ্যেই সুপ্ত ছিল তা নয়, নিজেদের ‘জাতীয় সমাজতান্ত্রিক’ পরিচয়দানের মধ্য দিয়েও তা প্রকাশ পেয়েছে বৈকি। চক্ষুষ্মানরা দেখতে ভুল করেননি এবং স্মরণ না করে পারেননি যে, নাৎসি হিটলার এবং ফ্যাসিস্ট মুসোলিনীও ‘জাতীয়তাবাদী সমাজতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার জন্যই লড়ছিলেন। জাসদের উগ্র অভ্যুদয়— এই দুই ঘটনা বাংলাদেশে বুর্জোয়াদের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে যে প্রভূত পরিমাণে সহায়তা প্রদান করেছে, সে ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। জাসদের ক্ষতিকর ভূমিকা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, এখানে কৌতূহলোদ্দীপক একটি ঘটনার উল্লেখ হয়তো অপ্রাসঙ্গিক হবে না। জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির সম্পর্কে জানা যাচ্ছে, ছাত্রাবস্থাতেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সেটা ঘটেছিল জাসদের ছাত্রসংগঠনের মধ্য দিয়ে। তারপর তিনি ইসলামী ছাত্রশিবির হয়ে জামায়াতে প্রবেশ করেছেন এবং অবশেষে সর্বোচ্চ নেতৃত্বে সংস্থাপিত হয়েছেন।

জাসদের ক্ষতিকর ভূমিকা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির সম্পর্কে জানা যাচ্ছে যে, ছাত্রাবস্থাতেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সেটা ঘটেছিল জাসদের ছাত্রসংগঠনের মধ্য দিয়ে। তারপর তিনি ইসলামী ছাত্রশিবির হয়ে জামায়াতে প্রবেশ করেছেন

জামায়াতে ইসলামীর উঠে দাঁড়ানোর পেছনে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কারণগুলোও উল্লেখযোগ্য। দেশে বেকার ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে। অন্যায়, অপরাধ, অবিচার, জুলুম স্থায়ী প্লাবনের আকার ধারণ করেছে। বিচার আগেও পণ্যই ছিল, এখন তার ব্যবসায়ী চরিত্র আরও প্রকট হয়েছে। রাষ্ট্র ও সমাজের কোথাও জবাবদিহির বালাই নেই। রাষ্ট্র নিজেই বৈষম্য ও নিষ্পেষণ বৃদ্ধির নির্মম যন্ত্রে পরিণত হয়ে গেছে। ধর্ষণ মহামারীর আকার ধারণ করবে বলে শঙ্কা। সবকিছু মিলিয়ে সর্বত্র গভীর এক হতাশা দেখা দিয়েছে। বিত্তবানরা বিদেশে বিকল্প বাসস্থানের খোঁজ করছেন। দেশে হত্যা ও আত্মহত্যা দুটোই বেড়েছে। হতাশ মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকছেন। প্রযুক্তি মানুষকে বিচ্ছিন্ন ও একাকী করে ফেলছে। অনলাইনে জুয়া খেলা বিনোদনের স্তর পার হয়ে নেশাতে পরিণত হয়েছে। এদিকে সামাজিকভাবে সংস্কৃতির চর্চা ক্রমাগত কমে আসছে। সবদিকেই অন্ধকার গাঢ় থেকে গাঢ়তর হচ্ছে। অন্ধকার বাড়লে আশ্রয়ের জন্য মানুষ ধর্মের শরণাপন্ন হয়, বাংলাদেশেও সেটাই ঘটে চলেছে এবং তাতে সুবিধা হচ্ছে ধর্মকে যারা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে তাদের। যেমন জামায়াতে ইসলামীর।

জামায়াতের ইতিহাস দ্বিচারিতায় সমুজ্জ্বল। দ্বিচারিতাকে মোনাফেকি বললে বোধ করি বুঝতে সুবিধা হয়। শুরুতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে পরে পাকিস্তানেই হেডকোয়ার্টার্স স্থাপন করে জামায়াতের জনবিরোধী তৎপরতা চালু থাকে। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে পাঞ্জাবে তারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়েছিল। মুসলিম বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ অধ্যাদেশকে আইনে রূপদানের উদ্যোগের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা তাদের উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক কাজ। সন্তানের জন্মদানের সক্ষমতাকে মেয়েদের পক্ষে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে তারা অযোগ্যতা জ্ঞান করে অথচ পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে ফাতেমা জিন্নাহকে তাদের পার্টি সমর্থন করেছে। বাংলাদেশে তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যুগপৎ আন্দোলন করেছে। আর খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় নারীনেত্রীর পরিচালনায় তাদের আমির ও সেক্রেটারি জেনারেল মন্ত্রিত্ব করাতেও কোনো ধরনের দ্বিধা প্রকাশ করেননি। এবারের জাতীয় সংসদের নির্বাচনে তারা একজন নারী প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়নি অথচ ওই সংসদেরই সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী-মনোনয়ন আগেও দিয়েছে, এবারও অবশ্যই দিয়েছে। দলের পক্ষে ভোট চাইতে মেয়েদের দ্বারে দ্বারে পাঠাতেও তাদের কুণ্ঠা ছিল না। তারা ইসলামি শাসন কায়েম করতে বদ্ধপরিকর। তবে নির্বাচনে জেতার আশায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তিকে প্রার্থী করতে অসুবিধা দেখতে পায়নি। তাদের নেতারা কেউ আমির, কেউ নায়েবে আমির, আবার কেউ সেক্রেটারি জেনারেল। জামায়াতিরা নিজেদের সততার বড়াই করেন এবং দেশে সৎলোকের শাসন কায়েম করবে বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকেন, তবে ভোট টানার আশায় মিথ্যাচারে দ্বিধা করেন না। বিগত নির্বাচনের সময় তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, জামায়াতকে ভোট দেওয়ার অর্থ জান্নাতে যাওয়ার টিকিট কেনা। হয়তো আশা করেছিল যে, জ্বলন্ত জাহান্নামের প্রান্তে অবস্থানরত গরিব মানুষ তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে উদ্দীপ্ত হয়ে দলে দলে তাদের ভোট দিতে ছুটে আসবেন। পরে সমালোচনার মুখে ওই বক্তব্যটি ব্যক্তিগত, দলীয় নয় বলে প্রচার করে। ভোট কেনার জন্য প্রকাশ্যে অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে, এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হয়ে সংবাদপত্রে চলে এসেছিল।

পূর্ববঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর পরলোকগত আমির গোলাম আযম দ্বিচারিতার সুন্দর দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের তিনি পুরোপুরি বিরোধী ছিলেন, পাকিস্তান রক্ষার কাজে হানাদারদের সমর্থন জানিয়েছেন। ওই বাহিনীর আচ্ছাদনে জামায়াতের অঙ্গসংগঠন আলবদর বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানের অনেককে অবিশ্বাস্য নৃশংসতায় হত্যা করেছে। স্বাধীনতার পর অধ্যাপক গোলাম আযম দেশ ছেড়েছিলেন। মনে হয়েছিল, এই অপবিত্র দেশে তিনি আর আসবেনই না; কিন্তু পরে সময় অনুকূল দেখে ফিরে এসে রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ ও মহোৎসাহে রাজনীতি করেছেন। স্বাধীনতার পর জামায়াতে ইসলামীর মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম এমন দাবিও প্রচার শুরু করে যে, গোলাম আযম একজন ‘ভাষাসৈনিক’ ছিলেন। সে দাবির পক্ষে প্রমাণও উপস্থিত করেছে। প্রমাণটি হলো এই যে, ঘটনাক্রমে ১৯৪৮ সালে গোলাম আযম ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসুর) মনোনীত সাধারণ সম্পাদক। সে সময় ডাকসুর নির্বাচন সরাসরি হতো না, ঘূর্ণায়ন পদ্ধতিতে পদগুলো বরাদ্দ থাকত বিভিন্ন ছাত্রাবাসের জন্য; ১৯৪৮-এ সহসভাপতির পদ পেয়েছিল জগন্নাথ হল এবং ওই ছাত্রাবাস দ্বারা মনোনীত হয়ে সহসভাপতি হন অরবিন্দ বসু; সাধারণ সম্পাদকের পদটি প্রাপ্য ছিল ফজলুল হক মুসলিম হলের এবং মনোনয়ন পেয়েছিলেন গোলাম আযম। উল্লেখ্য, পূর্ববঙ্গে তখন ইসলামী ছাত্র সংঘের জন্মই হয়নি এবং জামায়াতে ইসলামী বলে কোনো দল যে আছে, লোকে সেটাও জানত না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তরুণ ছাত্র গোলাম আযমের সঙ্গে জামায়াতের তখন কোনো সংস্রবই ছিল না। ঘটনা আরও এই যে, ওই সময় প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান ঢাকায় আসেন এবং ডাকসুর পক্ষ থেকে তাকে একটি মানপত্র দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মুদ্রিত মানপত্রটি সহসভাপতি অরবিন্দ বসু পড়বেন, এটিই ছিল স্বাভাবিক; কিন্তু তিনি যেহেতু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, তাই তার কণ্ঠে রাষ্ট্রভাষার দাবি উচ্চারিত হলে পাছে মুসলিম লীগ সরকার ওই ঘটনাকে ব্যবহার করে এমনটি প্রচার করার সুবিধা পায় যে, আন্দোলনটি হিন্দুদের দ্বারা অনুপ্রাণিত— সেই বিবেচনায় গোলাম আযমকে ওটি পড়তে বলা হয়েছিল; এর বেশি কোনো ভূমিকা তার ছিল না; থাকা সম্ভবও ছিল না। মানপত্রটি পড়ে শোনানোর কাজটিকে পুঁজি করেই গোলাম আযমের ভাষাসৈনিকত্বের দাবি। তবে ১৯৭০ সালে ওই পুঁজিকে মূল্যবান মনে করা দূরে থাক, তিনি কলঙ্ক বলেই জ্ঞান করেছিলেন, যার প্রমাণ মেলে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদত্ত তার এক বক্তৃতায়, যেখানে তিনি কোনো ধরনের রাখঢাক না করে পরিষ্কার জানিয়েছিলেন, উর্দুকেই একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করা উচিত ছিল এবং ভাষা আন্দোলন ছিল একটি ভুল পদক্ষেপ।

 

লেখক: ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

জামায়াতদ্বিচারিতাসমুজ্জ্বলমতাদর্শিকজাতীয়তাবাদীকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    বনমালী

    বনমালী

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার