হোয়াইট হাউসের গল্প
নির্বাচন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়
বিশ শতকের গোড়ার দিকের ইতিহাস। যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে তখনো অস্থিরতার মেঘ। দুর্নীতির কানা-গলিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে গোটা মার্কিন রাজনীতি। ১৯৬০ থেকে ১৯৮০, টানা ২০ বছরে একজন প্রেসিডেন্টের কপালেও জোটেনি পূর্ণমেয়াদের তিলক! হোয়াইট হাউসের বলগা হরিণকে বাগে আনতে পারেননি কেউই। শুরুর ঝড় কিংবা মাঝ নদীতেই খেই হারিয়েছে প্রেসিডেন্টের তরী!
১৯৭২ সাল। উনিশ শতকের ‘মাতাল হাওয়া’র উন্মাদনা সবে কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে দেশটির দুই রাজনীতিক শিরোমণি- ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান পার্টি। সফল প্রথম মেয়াদের শেষে দ্বিতীয়বারের মতো মনোনয়ন পান ৩৬তম প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন (৫৯)। আবার হোয়াইট হাউস দখলের মহড়ায় মরিয়া রিপাবলিকান। নেতাকর্মীদের মুখে মুখে বিজয় স্ফুলিঙ্গ।
এর মধ্যেই ফাঁস হলো যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক লজ্জা— ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি। যার প্রলয় হাওয়ায় ৩৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার দুই বছরের মধ্যেই গদিচ্যুত হন নিক্সন। দিকপাল হারিয়ে দিগম্বর হয়ে পড়ে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান।
রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম ওই দুঃসময়ে ধুমকেতুর মতো হোয়াইট হাউসের ভাগ্যাকাশে উদয় হন জেরাল্ড আর ফোর্ড। নির্বাচন ছাড়াই হয়ে যান দেশের ৩৮তম প্রেসিডেন্ট। হাল ধরেন যুক্তরাষ্ট্রের। সৌভাগ্যের চাদরে মোড়া জেরাল্ড ফোর্ডের শুরুটাও ছিল যুক্তরাষ্ট্রের আরেক ইতহাস। প্রেসিডেন্ট হওয়ার মাত্র ৮ মাস আগেই (৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩) হয়ে যান ভাইস প্রেসিডেন্ট। দেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধরের এই চেয়ারটিও তার অধিকারে আসে একেবারে বিনা নির্বাচনে!
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট বা প্রেসিডেন্ট— দুটোর কোনোটিই ছোট বিষয় নয়। অথচ ভাগ্যগুণে দুটো পদকেই বশে এনেছিলেন জেরাল্ড ফোর্ড। নির্বাচন না করে। একটি ভোটও না পেয়ে।
পুরো নাম জেরাল্ড রুডল্ফ ফোর্ড জুনিয়র। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের একমাত্র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট। যিনি ভোটারদের দ্বারা নির্বাচিত হননি। জন্ম নেব্রাস্কার ওমাহা শহরে। ১৯১৩ সালের ১৪ জুলাই।
জেরাল্ড ফোর্ড নামের পেছনেও রয়েছে আরেক ইতিহাস। মাতৃপ্রেমের আড়ালে চরম পিতৃ-বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ! জন্মের পর তার পৈতৃক নাম ছিল লেসলি লিঞ্চ কিং জুনিয়র। আসল বাবা লেসলি লিঞ্চ কিং সিনিয়রের নামে। জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই নির্যাতনের অভিযোগে তার মদ্যপ বাবাকে তালাক দেন মা ডরোথি আয়ার গার্ডনার। ছেলেকে নিয়ে চলে আসেন মাতুলালয়ে। মিশিগানের গ্র্যান্ড র্যাপিডসে। জেরাল্ড রুডলফ ফোর্ড নামের রঙের দোকানের মালিকের সঙ্গে ডরোথির পরিচয়টাও সেখানেই। ১৯১৬ সালে পরিণয়। তখন থেকেই তার নাম বদলে যায় নতুন বাবার নামে। জেরাল্ড রুডলফ ফোর্ড জুনিয়র।
১৯৩৫ সালের ৫ ডিসেম্বর কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নাম পরিবর্তন করেন জেরাল্ড ফোর্ড। কিশোর বয়স পর্যন্ত নিজের আসল পরিচয় জানতেন না ফোর্ড। লুকিয়ে রেখেছিলেন মা ডরোথি। ছেলেকে আদর করে ‘জুনি’ ডাকতেন মা। নতুন বাবার স্নেহে শিগগিরই জুনি থেকে হয়ে যান ‘জেরি’। জেরাল্ড ফোর্ডের জীবনী ঘেটে পাওয়া যায়- জীবনের আনন্দঘন মুহূর্তগুলোতে প্রায়ই মা এবং তার দ্বিতীয় স্বামীকে গভীর মায়া-শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করতেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট বা প্রেসিডেন্ট– দুটোর কোনোটিই ছোট বিষয় নয়। অথচ ভাগ্যগুণে দুটো পদকেই বশে এনেছিলেন জেরাল্ড ফোর্ড। নির্বাচন না করে। একটি ভোটও না পেয়ে। অথচ প্রেসিডেন্ট হওয়া দূরের কথা, প্রতিনিধি পরিষদের উঠোন মাড়িয়ে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট দৌড়েও নাম লেখাতে চাননি!
১৯৫০-এর দশকের শুরুর দিকের কথা। মিশিগানের রিপাবলিকান পার্টির নেতারা সেসময় সিনেটের পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে উৎসাহিত করেছিলেন ফোর্ডকে। যা সাধারণত প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিবেচিত। প্রত্যাখ্যান করেন ফোর্ড।
জেরাল্ড ফোর্ড নামের পেছনেও রয়েছে আরেক ইতিহাস। মাতৃপ্রেমের আড়ালে চরম পিতৃ-বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ! জন্মের পর তার পৈতৃক নাম ছিল লেসলি লিঞ্চ কিং জুনিয়র। আসল বাবা লেসলি লিঞ্চ কিং সিনিয়রের নামে।
সহকর্মীদের উদ্দেশে পাল্টা মন্তব্য– ‘প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার হওয়া ছিল তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা।’ ওই চেয়ারটিকেই জীবনের ‘চূড়ান্ত সাফল্য’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ওখানে বসে থাকা আরও ৪৩৪ জন প্রতিনিধির প্রধান হওয়া এবং মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ আইনসভা পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়াকেই সর্বোচ্চ সম্মান ভাবতেন তিনি। রাজনৈতিক এ উচ্চাশা সম্পর্কে তার বক্তব্য ছিল, ‘আমি মনে করি হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে থাকার এক-দুই বছরের মধ্যেই এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমার মধ্যে তৈরি হয়েছিল।’
কিন্তু তিনি ব্যর্থ। এক দশকের বেশি সময় ধরে বারবার চেষ্টার পরও স্পিকার নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হন ফোর্ড। শেষ পর্যন্ত স্ত্রী বেটির কাছে ওয়াদা করেন, ১৯৭৪ সালে যদি আবারও স্পিকার হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়, ৭৬ সালে কংগ্রেস-রাজনীতি সবকিছু থেকেই যাবেন অবসরে। ফিরে যাবেন খামারে। কে জানত, আশাহত সেই মানুষটির আকাশেই অপেক্ষা করছিল ইতিহাসের নতুন সূর্য!,
ভাইস প্রেসিডেন্ট ফোর্ড
১০ অক্টোবর, ১৯৭৩। প্রেসিডেন্ট রিচার্ড এম নিক্সনের দ্বিতীয় মেয়াদ। নির্বাচনের সময় (৭ নভেম্বর, ১৯৭২) ওয়াটারগেটের ডেমোক্র্যাট কার্যালয়ে আড়িপাতা যন্ত্র বসানো কেলেঙ্কারিতে কোণঠাসা নিক্সন। ‘কাঁটা ঘাঁয়ে নুনের ছিটা’ হয়ে এলো তার ভাইস প্রেসিডেন্ট স্পিরো অ্যাগনিউর ঘুষ-দুর্নীতি।
মেরিল্যান্ডের গভর্নর থাকাকালে (২৫ জানুয়ারি ১৯৬৭ থেকে ৭ জানুয়ারি ১৯৬৯) ২৯ হাজার ৫০০ ডলার ঘুষ গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ফেডারেল অভিযোগে পদত্যাগ করেন। দুর্দিনের সহায় হিসেবে একজন বিশ্বস্ত লোকের প্রয়োজন হয়ে পড়ে নিক্সনের। তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেন তৎকালীন হাউস মাইনরিটি লিডার জেরাল্ড ফোর্ডকে। মোটেও সহজ ছিল না কাজটি। রীতিমতো সংবিধানে হাত দিতে হয় নিক্সনকে।
২৫তম সংশোধনী, এতে ইতিহাসের প্রথমবারের মতো ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে অ্যাগনিউর স্থলাভিষিক্ত করেন ফোর্ডকে। ২৭ নভেম্বর, ৯২ বনাম ৩ ভোটে ফোর্ডকে অনুমোদন দেয় সিনেট। ৬ ডিসেম্বর ৩৮৭ বনাম ৩৫ ভোটে ফোর্ডকে নিশ্চিত করে হাউস। এর এক ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ফোর্ড। প্রেসিডেন্ট নিক্সনের মনোনয়ন গ্রহণে সম্মত হওয়ার সময়, ফোর্ড বেটিকে বলেছিলেন, ভাইস প্রেসিডেন্সি হবে তার রাজনৈতিক জীবনের ‘একটি সুন্দর সমাপ্তি।’
ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি
১৯৭২ সালের শুরুর দিকের গল্প। নিক্সনের দ্বিতীয় মেয়াদের জয় নিশ্চিতে মাঠে নামেন নিক্সনের সহকারীরা। প্রেসিডেন্টকে পুনর্নির্বাচিত কমিটির (দ্য কমিটি টু রিইলেক্ট দ্য প্রেসিডেন্ট, সিআরপি) নেতৃত্বে ছিলেন জন মিচেল (সদ্য পদত্যাগী অ্যাটর্নি জেনারেল)। বিপুল অর্থসংগ্রহ এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে দুর্বল করার পরিকল্পনা করছিল।
সিআরপির বিশেষ পরামর্শক গর্ডন লিডি বিরোধীদলীয় ডেমোক্রেটিকের সদর দপ্তরে অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা করেন। দুর্ধর্ষ এই কাজে লিডিকে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার দিতে সম্মত হন মিচেল। সহযোগী হাওয়ার্ড হান্টকে নিয়ে শুরু করেন তথ্য চুরির পরিকল্পনা।
১৯৭২ সালের ১৭ জুন। শুক্রবার গভীর রাতে হান্ট ও লিডির নিয়োগপ্রাপ্ত পাঁচ জনের একটি দল ঢুকে পড়েন ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) সদর দপ্তরে। পরিকল্পনা ছিল এই পাঁচ জন গোপন শ্রবণযন্ত্র স্থাপনসহ অনুলিপি সংগ্রহ করবেন ডিএনসির গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোর। কিন্তু একজন নৈশপ্রহরী পুলিশকে সতর্ক করার কারণে ধরা পড়ে পাঁচ চোর। ১৮ জুন ওয়াশিংটন পোস্টের শিরোনামে উঠে আসে ইতিহাসের সেই ভয়ঙ্কর অধ্যায়-ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি। তোলপাড় হয়ে যায় পুরো যুক্তরাষ্ট্র।
শুরুতে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের দাবি ছিল, তার কোনো সহকারী এই অনুপ্রবেশের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। কিন্তু শিগগিরই প্রমাণ প্রকাশ পেতে শুরু করে। অনুপ্রবেশকারীরা লিডি, হান্ট এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যুক্ত। তিন মাস পর, ১৫ সেপ্টেম্বর, একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি পাঁচ চোরসহ লিডি ও হান্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, চুরি এবং টেলিফোনে আড়িপাতা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন। দুজন ছাড়া বাকি সবাই দোষ স্বীকার করেন।
অপ্রত্যাশিত প্রেসিডেন্ট
ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির এই ডামাডোলেই বদলে যায় জেরাল্ড ফোর্ডের ভাগ্য। ভাইস প্রেসিডেন্টকেই নিজের রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি ধরেছিলেন যিনি; তার মাথাতেই উঠল হোয়াইট হাউসের ৩৮তম প্রেসিডেন্টের মুকুট।
এক দশকের বেশি সময় ধরে বারবার চেষ্টার পরও স্পিকার নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হন ফোর্ড। শেষ পর্যন্ত স্ত্রী বেটির কাছে ওয়াদা করেন, ১৯৭৪ সালে যদি আবারও স্পিকার হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়; ৭৬ সালে কংগ্রেস-রাজনীতি সবকিছু থেকেই অবসরে যাবেন । ফিরে যাবেন খামারে।
১ আগস্ট ১৯৭৪। কয়েক সপ্তাহের অভিযোগ ও অস্বীকারের পর, প্রেসিডেন্ট নিক্সনের চিফ অব স্টাফ আলেকজান্ডার হেইগ যান ভাইস প্রেসিডেন্ট ফোর্ডের কাছে। জানান, গোপন ওয়াটারগেট টেপের আকারে ‘ধূমায়িত বন্দুক’ প্রমাণ প্রকাশিত হয়েছে। আরও যোগ করেন, টেপে থাকা কথোপকথনগুলোয় খুব কম সন্দেহই থাকে, প্রেসিডেন্ট নিক্সন অংশ নিয়েছিলেন ওয়াটারগেট অনুপ্রবেশের ধামাচাপা দেওয়ার কাজে।
হেইগের এই সফরের সময় ফোর্ড এবং তার স্ত্রী বেটি থাকতেন ভার্জিনিয়ার শহরতলির বাড়িতে। ওয়াশিংটন ডিসিতে তখন সংস্কার চলছিল ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবন। অভিশংসন প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট নিক্সন ৯ আগস্ট ১৯৭৪-এ পদত্যাগ করেন। শপথ নেন জেরাল্ড আর ফোর্ড। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুম থেকে সরাসরি জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে সেদিন ফোর্ড বলেছিলেন, ‘আমি গভীরভাবে সচেতন যে আমাকে আপনাদের ব্যালটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেননি। তাই আমি আপনাদের কাছে প্রার্থনা করি আপনার প্রার্থনার মাধ্যমে আমাকে আপনাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিন।’
নিক্সনকে ক্ষমা
৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪। সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে নিঃশর্ত প্রেসিডেন্সিয়াল ক্ষমা ঘোষণা করেন, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সম্ভাব্য যেকোনো অপরাধ থেকে তাকে অব্যাহতি দেন।
ওয়াটারগেট পরিস্থিতি ‘একটি ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে জড়িত। এটি চলতেই পারে অথবা কাউকে এর ইতি টানতে হবে। আমি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, শুধু আমিই তা করতে পারি । যদি পারি, তবে তা আমাকে করতেই হবে।’
জাতীয়ভাবে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে ফোর্ড এই বিতর্কিত ক্ষমা প্রদানের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ওয়াটারগেট পরিস্থিতি ‘একটি ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে জড়িত। এটি চলতেই পারে অথবা কাউকে এর ইতি টানতে হবে। আমি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, শুধু আমিই তা করতে পারি। যদি পারি, তবে তা আমাকে করতেই হবে।’

